• রোববার, ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

গয়না-হাতঘড়িতেও লুকিয়ে থাকতে পারে করোনার জীবাণু!

  স্বাস্থ্য ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২০, ০২:১৫
গয়না
গয়না (ছবি : ইন্টারনেট)

চীনের উহান প্রদেশ থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের ভয়াল গ্রাসে রীতিমতো আতঙ্কিত বিশ্ব। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের জীবাণু লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার গয়নাতেও!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাতের আঙুলে পরা আংটির ভেতরে জমে থাকা জীবাণু বের করা যায় না। কখনো কখনো সাবানও থেকে যায় আংটির ফাঁকে। খাওয়ার সময় যা পেটে চলে যেতে পারে। যা ডেকে আনতে পারে বড় ধরনের বিপদ। ফলে আপনার পছন্দের আংটিই হয়ে উঠতে পারে আপনার মৃত্যুর কারণ।

শুধু আংটি নয়, একইভাবে তাবিজ-কবজ থেকেও ছড়াতে পারে এই সংক্রমণ। এই তালিকায় রয়েছে আপনার প্রিয় হাতঘড়িটাও।

এ কারণে চিকিৎসকরা বলছেন, যখন পুরো বিশ্ব করোনায় আক্রান্ত, যেখান থেকে খুশি সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এমন পরিস্থিতিতে গয়না-আংটি, হাতঘড়ি, তাবিজ-কবজ এগুলো না পরাই ভালো।

এ দিকে, বিশেষজ্ঞদের দাবি, করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ আংটির বিভিন্ন ধাতু, রত্নে কতটা সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে, সে ব্যাপারে সর্বজনগ্রাহ্য গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। কিন্তু সাধারণ অভিজ্ঞতা থেকেই বলা যায়, ধাতব আংটিতে যথেষ্ট পরিমাণে জমে থাকে ধুলো ও বিভিন্ন ধরনের জীবাণু।

যারা গ্লাভস পরে বাড়ির বাইরে বেরচ্ছেন না, তাদের হাতের আঙুলে থাকা আংটিতে এই পরিস্থিতিতে করোনার মতো জীবাণু ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা যথেষ্টই। তাই সেই আংটি পরা হাতে আমরা যদি খাই বা বাড়ির লোকজনকে খাবার পরিবেশন করি বা রান্নাবান্না করি, তাহলে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন : সহজেই করোনাকে পরাজিত করুন এই নিয়মে

করোনা মোকাবিলায় হাত ধোয়ার ওপর সবথেকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক সময় ভালো করে হাত ধোয়ার পরও আঙুলের আংটি পরিষ্কার হয় না। তাতে জীবাণু জমে থাকতে পারে। তা থেকেই সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যায়। একইরকম হয় ঘড়ির ক্ষেত্রেও। তাই এই সংকটপূর্ণ এই সময়ে এসব এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

ওডি

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড