• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

২০০ টাকার ঋণ শোধাতে ৩০ বছর পর ভারতে কেনিয়ার এমপি

  ভিন্ন খবর ডেস্ক

১২ জুলাই ২০১৯, ২০:০৯
টোঙ্গি
ত্রিশ বছর পর ২০০ টাকার ঋণ শোধ করতে এসেছেন কেনিয়ার এই এমপি। (ছবি : সংগৃহীত)

ঘটনার শুরু ত্রিশ বছর আগে। কেনিয়া থেকে সুদূর ভারতে পড়তে এসেছিলেন এক যুবক। নাম তার রিচার্ড টোঙ্গি। আত্মীয় পরিজনহীন এই দেশে একসময় চরম আর্থিক সংকটে পড়ে যান এই যুবক। সাহায্য করার মতো কেউ ছিল না তার। তার এমন দুর্দিনে পাশে দাঁড়ান এক মুদি দোকানদার।

সে সময় বাকিতে মুদি দোকানদারের কাছ থেকে বেশ কিছু পণ্য কেনেন রিচার্ড টোঙ্গি। তবে তার অভাব ঘোচেনি তখনও। দেশে ফিরে যাবার সময়ও শোধ করে যেতে পারেননি মুদি দোকানদারের সেই টাকা। টাকার পরিমাণটাও খুব বেশি ছিল না। মাত্র ২০০ টাকা। কিন্তু তাও দেবার মতো সামর্থ্য ছিল না কেনিয়ান এই নাগরিকের। ভারত ছেড়ে নিজের দেশে ফিরে গেলেও দুঃসময়ের সেই ঋণের কথা ভোলেননি তিনি।

দেশে ফিরে যাবার পর রিচার্ড যোগ দেন রাজনীতিতে। একসময় সেখানে সফলতাও অর্জন করেন। নির্বাচিত হন কেনিয়ার সংসদ সদস্য। তবে তখনও তিনি তার ঋণের কথা ভোলেননি। তাই ঋণ শোধ করতে ত্রিশ বছর পর আবারও পা ফেললেন ভারতের মাটিতে। সঙ্গে নিয়ে এসেছেন তার স্ত্রী মিশেলকেও। দেখা করলেন সেই দোকানদার কাশীনাথের সাথে।

গত ৮ জুলাই বিপদে পাশে দাঁড়ানো সেই দোকানদারের সাথে দেখা করেন রিচার্ড টোঙ্গি। পুরনো স্মৃতি মনে পড়াতে দুজনেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কাশীনাথের বয়স অনেক হয়ে গেছে। বর্ষীয়ান এই মানুষটি জানান, 'সুদূর কেনিয়া থেকে ফোন পাওয়ার পর কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারিনি। এটি সত্যিই একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা।'

১৯৮৫ থেকে ১৯৮৯ সাল অবধি ভারতে পড়ালেখা করেন কেনিয়ার এই সংসদ সদস্য। স্থানীয় একটি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়ালেখা করেন তিনি। পুরনো স্মৃতি ঘাটতে গিয়ে তিনি বলেন, 'একটা সময় আমার আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তখন এই পরিবারটি আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল। নয়তো আমি সেখানেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারতাম। তখন থেকেই আমার মনে গেঁথে ছিল একদিন এ ঋণ আমাকে শোধ করতেই হবে।'

কেনিয়ান এই সংসদ সদস্যকে হোটেলে আতিথেয়তা দিতে চাইলেও তিনি কাশীনাথের বাড়িতেই থাকতে চেয়েছেন। ঘরোয়া পরিবেশে তিনি এখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। নিজ দেশে যাবার আগে কাশীনাথকে কেনিয়ায় আমন্ত্রণ করে যান দেশটির এই সংসদ সদস্য।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

ওডি/এসএম 

আপনার চোখে পড়া অথবা জানা অন্যরকম অথবা ভিন্ন স্বাদের খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড