• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৯ আশ্বিন ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

শিক্ষিকাকে মারধর, ভিডিও ভাইরাল

  শিক্ষা ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:৫৭
প্রকাশ্যে মারধর
জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে প্রকাশ্যে মারধর করেছেন অপর এক জুনিয়র শিক্ষক (ছবি : সম্পাদিত)

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী এক শিক্ষিকাকে প্রকাশ্যে মারধর করেছেন অপর এক জুনিয়র শিক্ষিকা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বরিশালের মুলাদী থানার কাজিরচর ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর পশ্চিম কমিশনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সামনে শিক্ষিকাকে মারধরের বিষয়টি নৈতিকতার অবক্ষয় বলে মনে করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় তারা বিচার দাবি করেছেন। এ দিকে উপজেলা শিক্ষা কার্যালয়ে বিষয়টি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

ওই ঘটনার তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দোষী ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল লতিফ মজুমদার।

জানা গেছে, মুলাদী থানার কাজিরচর ইউনিয়নের ৯৩ নম্বর পশ্চিম কমিশনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে সহকারী জ্যেষ্ঠ এক শিক্ষিকার সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় অপর এক জুনিয়র শিক্ষিকার। এর এক পর্যায়ে শ্রেণি কক্ষের দরজা বন্ধ করে হঠাৎ করেই শিক্ষিকাকে মারধর শুরু করেন জুনিয়র ওই শিক্ষিকা।

চিৎকার শুনে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকসহ আশপাশের লোকজন জড়ো হন। এ সময় পুনরায় সবার সামনে শিক্ষিকাকে মারধর করেন ওই শিক্ষিকা।

ঘটনাটি স্থানীয় এক ব্যক্তি মুঠোফোনে ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন। এতে দেখা যায় ওই শিক্ষিকা জ্যেষ্ঠ শিক্ষিকাকে উপুড় করে একের পর এক থাপ্পড় দিচ্ছেন। এ সময় অন্য এক নারী এসে তাদের ছারানোর চেষ্টা করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ দৃশ্য দাঁড়িয়ে দেখছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান জানান, মারধরের ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত শিক্ষিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে তিনিও হাসপাতালে যান এবং বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেন। তিনি সহকারী শিক্ষা অফিসারকে পাঠিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছেন।

এ দিকে আহত শিক্ষিকা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সহকারী জুনিয়র ওই শিক্ষিকা চলতি বছরের মার্চে বিদ্যালয়ে আসেন। তার বাড়ি মুলাদীতে হলেও থাকেন বরিশালে। তিনি বিদ্যালয়ে বিলম্ব করে আসেন। ইচ্ছে মতো চলার কারণে শিক্ষা অফিসকে এর আগেও জানানো হয়েছিল। এসব বিষয়ে তাকে কিছু বললে তিনি রেগে যান এবং কারও সঙ্গে সন্তোষজনক আচরণ করেন না। এমনকি এর আগে আমার বিরুদ্ধেও তিনি বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেছেন। যার তদন্তও শিক্ষা অফিস করেছে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা বলেন, ‘বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষিকার অপরাধের বিষয়ে তিনি শিক্ষা অফিসে অভিযোগ করেছেন।’

ওডি/জেআই

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড