• রোববার, ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

একটি দুটি নয়, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে ৮ প্রজাতির করোনা ভাইরাস!

  স্বাস্থ্য ডেস্ক

০৪ এপ্রিল ২০২০, ১৭:০১
করোনা ভাইরাস
করোনা ভাইরাস (ফাইল ছবি)

চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে ভয়াবহ আগ্রাসন চালাচ্ছে করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯। মহামারিতে রূপ নেওয়া এই ভাইরাসের থাবায় সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, উহান থেকে ছড়ানো করোনা ভাইরাসের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য স্থানের করোনা ভাইরাসের মিল নেই।

তাদের দাবি, করোনা ভাইরাসের ৮টি প্রজাতি পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে। এসব ভাইরাস দ্রুত তাদের জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করছে। আর এজন্যই ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে ব্যাপক প্রাণহানি হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে এই ভাইরাস এখনো তেমন প্রভাব ফেলতে পড়েনি।

এ বিষয়ে ভারতের পদ্মভূষণ পুরস্কার জয়ী চিকিৎসক জি পি নাগেশ্বর রেড্ডি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, চীন ও ভারতে ভাইরাসটির জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করা হয়েছে। তবে ভারতে আগ্রাসন চালানো ভাইরাসটির জিনগত বৈশিষ্ট্যে তারতম্য রয়েছে। ভারতে যে করোনা ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, সেটির স্পাইক প্রোটিনে কিছু জিনগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

অন্যদিকে গবেষকরা বলেছেন, যেসব জায়গায় করোনা সব থেকে বেশি থাবা বসিয়েছে সেখানকার গড় তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৪ থেকে ৯ গ্রাম। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বাড়লে করোনা জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে বলে ধারণা করছেন তারা।

একই কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, যে কোনো ভাইরাসের ভেতরে ডিএনএ ও আরএনএর মতো বংশীয় নিউক্লিওটাইড থাকে। এটি প্রোটিনের আবরণে মোড়া অবস্থায় থাকে। কিছু প্রোটিন স্পাইক ভাইরাসের দেহ থেকে বেরিয়ে থাকে। তেমনি করোনা ভাইরাসের ভেতরে একটি ফিতার আকৃতির আরএনএ রয়েছে। আর ভাইরাসের গা থেকে বেরিয়ে রয়েছে এস-প্রোটিন নামে স্পাইক। এই আরএনএ ভাইরাস সবসময়ই জিনগত পরিবর্তন ঘটাতে থাকে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন : ৪৮ ঘণ্টায় মরবে করোনার জীবাণু!

সার্স, মার্স, সোয়াইন ফ্লু- যে কোনো ভাইরাসের বিস্তারেই আবহাওয়ার প্রভাব ছিল। করোনার ক্ষেত্রেও তাই। আবহাওয়ার তারতম্যে এই ভাইরাসের গতিবিধি ভিন্ন হয়। ভাইরাসের প্রাণঘাতী ক্ষমতাও নির্ভর করে আবহাওয়ার তারতম্যে। তাই বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, শ্বাসনালীতে প্রবেশের পরই করোনা কোষ দখল করে লাখ লাখ সংস্করণ তৈরি করছে। এজন্য উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার আগেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। ইতালিতে যে প্রজাতির করোনা সংক্রমণ চালিয়েছে সেটির ইআরএনএতে তিনটি নিউক্লিওটাইড পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে সেটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

ওডি

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড