• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৮ আশ্বিন ১৪২৭  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আষাঢ়ের দিন গুলো

  হাসানুজ্জামান হাসান

২৭ জুন ২০২০, ২০:৪০
বর্ষাকাল
ছবি : সংগৃহীত

আষাঢ় শ্রাবণ এই দুই মাস বর্ষাকাল অর্থাৎ বর্ষা ঋতু। এ ঋতুর প্রধান বৈশিষ্ট্য বৃষ্টি ঝড়া আকাশ, কর্দমাক্ত মাঠ, নদ-নদী, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা পানিতে পরিপূর্ণ হওয়া, গাছপালার সতেজ রূপ, গরম আবহাওয়া ইত্যাদি।আষাঢ়ের বৃষ্টি, দিনভর বিরতিহীন চলছে।

আর আমি জানালার ধারে বসে শুনছি_

‘‘এই মেঘলা দিনে একলা

ঘরে থাকে নাতো মন

কাছে যাবো কবে পাবো

ওগো তোমার নিমন্ত্রণ?’’

বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত প্রাকৃতিক নিয়মেই হয়। বাতাসে মৌসুমি বায়ুর উপস্থিতি বেশি থাকার কারণে বৃষ্টিপাত বেশি হয়ে থাকে। সমুদ্র এলাকায় মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকে। বর্ষাকালে এই মৌসুম বায়ু আস্তে আস্তে সারা দেশে প্রভাব বিস্তার করে। মৌসুমি বায়ুর আগমনে জ্যৈষ্ঠের গুমোট গরমের ভাবটা কেটে গিয়ে প্রশান্তির একটা হাওয়া বয়ে যায়। আষাঢ়ে-শ্রাবণে অঝোর বর্ষণ গোটা পরিবেশটাকেই আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।বর্ষার সুশীতল বর্ষণ প্রকৃতির সকল চাওয়া পাওয়াকে তৃপ্ত করে।

শুকনো ফাটা ফাটা ফসলের খেত পরিপূর্ণ হয় পানিতে। খাল বিল সব তলিয়ে কানায় কানায় পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। নদীগুলোর দুই পাড় পানিতে ভসে যায়। অনেক সময় উপচে পড়ে বন্যাও দেখা দেয়। বন্যা হয় আমাদের ক্ষতির কারণ। শ্রাবণ মাস যখন আসে তখন আমাদের দেশের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। গ্রামীণ জনপদ বর্ষার পানিতে টইটম্বুর হয়ে ওঠে, বাড়িগুলো সব বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন : গোয়েন্দা সিরিজ ‘মাসুদ রানা’ বন্ধের নির্দেশ

এরপরও ক্রমাগত বৃষ্টি আর নদীর পানির স্রোতধারা আমাদেরকে ভিন্ন একটি আমেজ এনে দেয়। বৃষ্টিতে ভিজতে শিশু কিশোরদের মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। বৃষ্টি আমাদের প্রকৃতিকে যেমন ফলে ফসলে ভরিয়ে দেয় তেমনি আমাদের মন-মানসকেও স্পর্শ করে। এ যেন বর্ষা ঋতুর এক অফুরন্ত লীলা বৈচিত্র্য।

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষির উপর নির্ভর করে বেঁচে আছে এ দেশের অধিকাংশ মানুষ। বর্ষায় আমন ধানসহ অন্যান্য ধান ও বিভিন্ন ধরনের ফসলের করা হয় বৃষ্টির পানিতে পাট গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। বর্ষার পানি পেয়ে পাটের আবাদ ভালো হয়। এ ছাড়াও এ ঋতুতেই এসব অর্থকরী ফসল ফলাতে হয়।

তাই বর্ষা অতি প্রয়োজনীয় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঋতু। বর্ষার আমনের খেত কৃষকের মুখে হাসি ফোটায়, নিয়ে আসে সুখ, শান্তি ও প্রগতি। বর্ষা যেমন আনন্দ বয়ে আনে তেমনি দুঃখ-কষ্টও বয়ে আনে।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801721978664

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড