• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০, ৪ কার্তিক ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ভারতীয় গরুর বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে যায় জঙ্গিদের অস্ত্র!

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৮:৫০
গোরু পাচার

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গরু পাচার প্রতিদিনের ঘটনা। পাচারকারীদের সাথে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) আঁতাতের অভিযোগও নতুন নয়। তবে ভারতীয় এক বাংলা পত্রিকার খবর মতে, ভারতের গোয়েন্দাদের হাতে চমকপ্রদ নিউজ, গরুর বদলে কাঁটাতার টপকে যায় অস্ত্র। সহজেই পৌঁছে যায় সে দেশের জঙ্গিদের হাতে। রমরমিয়ে চলে হাওলা বা হুন্ডি ব্যবসা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তার প্রমাণও পেয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে তারা কলকাতা, শিলিগুড়ি ও মুর্শিদাবাদ সহ ১৫টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে বিএসএফের এক কমান্ডান্টের নামে এফআইআর দায়ের করেছে এই তদন্তকারী সংস্থা।

এই বিএসএফ কর্মকর্তার নাম সতীশ কুমার। তিনি বর্তমানে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে কর্মরত। এফআইআরে চমকে দেওয়ার মতো সব তথ্য রয়েছে। বলা হয়েছে, তদন্তে স্পষ্ট—বিএসএফ ও কাস্টমসের সঙ্গে আঁতাত ছিল মালদহ, মুর্শিদাবাদের স্থানীয় ব্যবসায়ী এনামুল হক, আনারুল শেখ এবং গুলাম মুস্তাফার। বিএসএফ এবং কাস্টমসের একজন করে অফিসারের নামও উঠে এসেছে তদন্তে।

আরও পড়ুন- ভারতে নিষিদ্ধ হচ্ছে পিস টিভি মোবাইল অ্যাপও

পাচারকারী-বিএসএফ আঁতাতের মূল কেন্দ্র ছিল বাজেয়াপ্ত গরুর নিলামের দুর্নীতি। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার গরু বাজেয়াপ্ত করে বিএসএফ। চোরাপথে মুর্শিদাবাদ-মালদহ দিয়ে বাংলাদেশ পাচারের চেষ্টা রোখা হলেও পাচারকারীর উল্লেখই থাকত না তাদের রিপোর্টে। এরপর কলমের আঁচড়ে গরু হয়ে যেত ‘বাছুর’। ফলে নিলামে দামও যেত কমে। গরু প্রতি বিএসএফের অফিসারদের দেওয়া হতো ২ হাজার টাকা করে। কাস্টমসের লোকজন পেত ৫০০ টাকা। নিলামের মোট টাকার ১০ শতাংশ দিতে হত বিএসএফ এবং কাস্টমসকে।

কম দামে সেই ‘বাছুর’ কিনে নিত এনামুল ও তার সহযোগীরা। সেগুলো ফের সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে যেত বাংলাদেশে। সাহায্য করত সতীশ ও তার এক সহযোগী। পত্রিকাটির খবরে বলা হয়, গরুর বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে যেত অস্ত্র। এভাবেই রসদ পৌঁছে যেত জঙ্গিদের হাতে। এনআইএ-র রেডারেও রয়েছে এই এনামুল। জঙ্গিদের তহবিল জোগানো, জাল নোটের ব্যবসায় তার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ।

ভারতীয় গোয়েন্দাদের তদন্তে উদ্ধার হওয়া নথি ঘেঁটে একাধিক ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক নেতার নাম পায় সিবিআই। এই ব্যবসার জন্য উত্তরপ্রদেশের এক রাজনৈতিক নেতাকে কোটি কোটি টাকা মাসোহারা দেওয়ার কথাও জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। ঐ নেতা এক শাগরেদের মাধ্যমে এই টাকা উত্তরপ্রদেশ দিল্লি ও বিদেশে বিনিয়োগ করেছে।

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: +8801703790747, +8801721978664, 02-9110584 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড