• রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইরাকে মার্কিন ঘাঁটির কাছে ১৭টি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:০০
মার্কিন সেনাঘাঁটি
ইরাকে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি (ছবিসূত্র : রয়টার্স)

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির কাছে অন্তত ১৭টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ভয়াবহ এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত না ঘটলেও বেশকিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

শনিবার (৯ নভেম্বর) দেশটির সশস্ত্রবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, উত্তর ইরাকের নেইনাভা প্রদেশের কাইয়ারা শহরে মার্কিন ঘাঁটিটির অবস্থান। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দিনগত রাতে ঘাঁটিটিকে লক্ষ্য করে রকেট হামলাটি চালানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি কিংবা সংগঠন ভয়াবহ এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

এ দিকে বিশ্লেষকদের মতে, ২০০১ সালে মার্কিনবাহিনী কথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান দখল করে নেয়। মূলত এর প্রায় দুই বছর পর ২০০৩ সালে বাহিনীটি প্রতিবেশী ইরাকের দখলও নিয়ে নেয়। বর্তমানে মার্কিনবাহিনীর উপস্থিতির কারণে রাষ্ট্র দুটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতি ঘটেছে। ফলে সেখানকার জনগণের মধ্যে ব্যাপক মার্কিনবিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে।

অপর দিকে ২০১৪ সালে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন আগ্রাসনের ফল স্বরূপ ইরাকে সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) কিংবা দায়েশের আবির্ভাব ঘটে। পরবর্তীকালে আইএস দমনের অজুহাতে পুনরায় ইরাকে সেনা পাঠাতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। তখন আইএস সৃষ্টির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের আঁতাত রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ফের ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ইরাকি জনগণ।

আরও পড়ুন :- রাশিয়ার বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন ট্রাম্প

সে বছর কাইয়ারা শহরটি সম্পূর্ণভাবে আইএসের দখলে চলে গেলেও ২০১৬ সালে ইরাকি সেনাবাহিনী তা পুনরুদ্ধার করে। যদিও আইএসবিরোধী অভিযানের নামে সে সময় থেকেই মার্কিনবাহিনী কাইয়ারা শহরে একের পর এক হামলা চালাতে শুরু করে। এতে নির্বিচারে শতাধিক বেসামরিককে হত্যা করা হয়। মূলত তখন থেকে সেখানে মার্কিন সেনাঘাঁটির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে উঠে, যা এখনো অব্যাহত আছে।

ওডি/কেএইচআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড