• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

হাসপাতালে ‘ভাড়াটে ক্লিনার’ সেবায় দুর্দশা

  সুমন খান, লালমনিরহাট

১০ জুন ২০১৯, ১৬:৪৯
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বাস্থ্য সেবায় দুর্দশা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (ছবি- দৈনিক অধিকার)

হাসপাতালের অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ বিষিয়ে তুলছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের। রোগ সারাতে এসে উল্টো অসুখ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে তাদের। স্বাস্থ্য সেবায় এমন দুর্দশা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, হাসপাতালের পরিছন্নতার কাজে সরকারি ক্লিনার থাকলেও কাজ চলে ভাড়াটে ক্লিনার দিয়ে। আসল ক্লিনাররা শুধু সরকারি বেতন ভোগ করছে। বদলে একজন ভাড়াটে ক্লিনার দিয়ে চালানো হচ্ছে পরিচ্ছন্নতার কাজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের ভেতরে শিশুদের জন্য একটি আলাদা ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। এর পাশেই রয়েছে টয়লেট। দুর্গন্ধে কারণে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা যায়নি। একই চিত্র হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডের। বারান্দার ছড়ানো-ছিটানো ভাতসহ মেজে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। কয়েকটি বিড়ালকেও ওয়ার্ডের ভেতরে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। হাসপাতালের নিচতলার জরুরি বিভাগের পাশে কুকুর ঘুমাচ্ছে। জরুরি বিভাগেও সব সময় ডাক্তার পাওয়া যায় না। দ্বিতীয় তলায় দেখা যায়- মহিলা ওয়ার্ডের পাশে শৌচাগারসহ আশপাশে ময়লা ও পচা ভাতে ভরে আছে নর্দমা।

অভিযোগ রয়েছে, এসব দেখভাল করার দায়িত্ব আবাসিক মেডিকেল অফিসার নাঈম হাসান নয়ন থাকলেও তিনি সকালে ও রাতে একবার করে এসে শুধু রোগী দেখে চলে যান। দিনের বাকি সময় প্রাইভেটে রোগী দেখেন ও ভিবিন্ন ক্লিনিকে অপারেশনে ব্যস্ত থাকেন।

সফিয়ার রহমান নামের এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, এখানে এসেছি বাচ্চা সুস্থ করতে। উল্টো গন্ধে আর গুমোট আবহাওয়ায় মেয়ের জ্বর ও সর্দি বেঁধে গেছে। 

চিকিৎসাধীন এক রোগী বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছি। কিন্তু জানালা খুলে রাখার কোনো উপায় নেই। জানালা খুললেই প্রচুর দুর্গন্ধ আসে, গন্ধে বমি চলে আসে। এখানকার টয়লেটগুলো অপরিষ্কার আবার বাইরেও নোংরা।

হাসপাতালের অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ (ছবি- দৈনিক অধিকার)

রবিউল ইসলাম নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, আমরা তো এখানে সেবা নিতে আসি। চিকিৎসার মান যে রকমই হোক। এখানকার পরিবেশ আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আশা করেছিলাম। কিন্তু এখানে বাইরে-ভেতরে সব জায়গায়ই দুর্গন্ধে টেকা দায়। 

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: নাঈম হাসান নয়ন দৈনিক অধিকারকে বলেন, আমি ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে আছি। আমি আবাসিক মেডিকেল অফিসার বেতন সুবিধা পাই না। তাই বাইরে রোগী দেখতেই পারি। এটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। হাসপাতালে কিছুটা অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ আছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: রমজান আলী দৈনিক অধিকারকে বলেন, হাসপাতাল এমন একটি জায়গা, যেখানে একটু-আধটু দুর্গন্ধ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। জনবল সংকটের পাশাপাশি হাসপাতালে সংস্কারের কাজ চলছে। সংস্কারকাজ শেষ হলে এ রকম অবস্থা থাকবে না।

ওডি/এসএ 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড