• সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬  |   ২২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

গিগ অর্থনীতির সূচকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম 

  প্রযুক্তি ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৩৮
ফ্রিল্যান্সিং
(ছবি: সংগৃহীত)

ফ্রিল্যান্সারদের অর্থ লেনদেনের জনপ্রিয় অনলাইন মাধ্যম পেওনিয়ার চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক,অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন মাসে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বৈশ্বিক ধারা (ট্রেন্ড) প্রকাশ করেছে। প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানটি বৈশ্বিক গিগ অর্থনীতির সূচক প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের স্থান অষ্টম। 

গিগ অর্থনীতির সংজ্ঞায় বলা হচ্ছে, এটি এমন একটি পরিবেশ, যেখানে অস্থায়ী চাকরি বেশি থাকবে আর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে স্বতন্ত্র কর্মীদের (ইনডিপেনডেন্ট ওয়ার্কার্স) নিয়োগ দেবে। তারা পূর্ণকালীন কর্মীর চেয়ে মুক্ত পেশাজীবী ফ্রিল্যান্সারদের গুরুত্ব বেশি দেবে। 

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বিশ্বব্যাপী তাদের নেটওয়ার্কে থাকা তিন লাখের বেশি ফ্রিল্যান্সার, সেবাদাতা ও আউটসোর্সিং পেশাজীবীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে ফ্রিল্যান্সিং অর্থনীতির সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। 

সূচকে দেখা গেছে, অন্য বয়সের কর্মীদের তুলনায় ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী সেবাদাতারা বেশি আয় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পেশাজীবীদের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং জীবনযাপনে আগ্রহ বাড়ায় গিগ অর্থনীতি বড় হচ্ছে ও অনলাইনে মার্কেটপ্লেসের আকার বাড়ছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়। চলতি বছরে গত বছরের তুলনায় এশিয়ার ফ্রিল্যান্সারদের আয় দ্বিগুণ বেড়েছে।  

শুধু তাই নয়, ইউক্রেনে প্রচুর শিক্ষিত তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী দেশটির আউটসোর্সিং পেশাকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন এবং সেখানকার অর্থনীতি আরও মজবুত হয়েছে। 

এখন একটু বাংলাদেশের অবস্থানের দিকে আসা যাক। পেওনিয়ারের প্রতিবেদনে আয় বৃদ্ধির দিক থেকে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৭ শতাংশ। ফলে বাংলাদেশ  অষ্টম স্থান দখল করে নিয়েছে। 

প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, ফ্রিল্যান্সিংয়ে গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যার পরিমাণ ৭৮ শতাংশ। ৫৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাজ্য। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলের প্রবৃদ্ধি ৪৮ শতাংশ। এছাড়া এক বছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে পাকিস্তান, ইউক্রেন ও ফিলিপাইনের। ২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে সপ্তম অবস্থানে বাংলাদেশের ঠিক ওপরে আছে ভারত। আর বাংলাদেশের পর ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে রাশিয়া ও ১৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে অবস্থান করছে সার্বিয়া।  

নতুন প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে গিগ অর্থনীতির  মতো বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে বলে অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান মনে করেন।

তিনি বলেন, গিগ অর্থনীতিতে কাজের বিষয়গুলো কতটা সংগতিপূর্ণ বা টেকসই হচ্ছে কি না, তা ভেবে দেখতে হবে। ফ্রিল্যান্সারদের হাত ধরে বাংলাদেশে গিগ ইকোনমির ধারাটি শুরু হয়েছে। এখন এটা কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটা গবেষণা জরুরি।

এদিকে বাংলাদেশে পেওনিয়ারের ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান বলেন, প্রতিবেদন অনুযায়ী বৈশ্বিক গিগ ইকনোমি সূচকে বাংলাদেশ শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে স্থান পেয়েছে। এছাড়া বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিশ্বের ফ্রিল্যান্সার হাব হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছে। এছাড়া অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বৈশ্বিক বাজারে পণ্য বিক্রি করছে। পেওনিয়ার তাদের কাজে সহযোগিতা করছে। 

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪, ০১৯০৭৪৮৪৮০০ 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড