• শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

ডেঙ্গু : সচেতনতা থেকে শুরু করে প্রতিরোধের উপায়

  মতামত ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০১৯, ১৩:৪২
ডেঙ্গু
ছবি : প্রতীকী

প্রথম কথা হলো, ডেঙ্গু খুব সাধারণ জ্বর, যা এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে! এক সিজনে এক রোগে এত অধিক সংখ্যক রোগী আক্রান্ত ও মৃত্যু হলে তা মহামারী হিসেবে ঘোষিত হয়। আফসোস আমাদের। সরকার, প্রশাসন, দায়িত্বরত মানুষদের অবহেলায় অবস্থা আরও সঙ্কটে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে আমাদের। 

সাধারণ এই রোগে এত এত তরতাজা প্রাণ ও শিশু মৃত্যু দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত। 

প্রতিরোধ, প্রতিকারের উপায় তাই খুঁজতেই হবে। তাই, সঙ্গত কারণেই এই অবস্থার জটিল পরিপ্রেক্ষিতে দেশের একজন সচেতন নাগরিক ও চিকিৎসক হিসেবে সাধারণ বিবেচনা বোধ থেকে এই লেখা। আশা করি যারা পড়বেন উপকৃত হবেন।

সচেতনতা-

● যিনি ডেঙ্গু রোগী, তার চিকিৎসা করবেন ডাক্তাররা। তিনি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে চলবেন। জ্বর ভালো হয়ে গেলেও ফলোআপে থাকা উচিত।

● যার ডেঙ্গু হয়নি, কিন্তু জ্বর আছে কয়েকদিনের, সাথে অন্য কিছু লক্ষণ, তিনি ঘরে বসে না থেকে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাবেন, টেস্ট করে শিওর হবেন। (জ্বর যেকোনো কারণেই হতে পারে, ডেঙ্গু নাও হতে পারে, কিন্তু এই ডায়াগনোসিস আপনি নিজে করবেন না! যার কাজ তাকে করতে দিন। অল্প জ্বর হলেও বসে থেকে হেলাফেলা করবেন না)

● বাড়িতে একজনের ডেঙ্গু হলে বাকিরাও ঝুঁকিমুক্ত নন। কারণ অবশ্যই মশা চারপাশে আছে, এবং তা এডিস ভাইরাসে আক্রান্ত। মশা নিধন করার দায়িত্ব আপনার। নিজ ঘর ও চারপাশ ক্লিন করা, মশার বংশ ধ্বংস করা, নিজেদের সুরক্ষায় রাখার দায়িত্ব বাড়ির প্রত্যেকের নিজের।

● বাড়িতে কারো ডেঙ্গু হয়নি, কিন্তু তবুও আপনারা ঝুঁকিতে আছেন। কারণ আক্রান্ত মশা ধনী, গরীব, বস্তি, উঁচু বিল্ডিং বুঝে চলে না। আপনি বাড়ির বাইরেও যাচ্ছেন, তাই একই প্রতিরোধ সবাইকেই নিতে হবে।

● মশা মারতে সিটি করপোরেশন কেন কিছুই করছে না, এই নিয়ে আমরা দিনরাত আলাপচারিতা করতে পারি কিন্তু এতে কাজের কাজ কিছুই হবে না। আমরা সকলেই এখন জানি, এডিস মশার জন্ম, বংশবিস্তার কীভাবে হয়। নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করতে হবে কারণ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে!

আপনার যা করণীয়- 

● বাড়ির ভেতরে কিংবা বারান্দায় রাখা ফুলের টব, প্ল্যান্ট, ঝোপঝাড়, ছাদ বাগানে জমা পানি প্রতিদিন পরিষ্কার করা।

● বাড়ির বাইরে চারপাশে বাগান, ঝোপঝাড়, নালা, ডোবা কিংবা রাস্তায় জমা পানি থাকলে নিজ পাড়া-মহল্লার উদ্যোগে নিজেরা সেগুলো পরিষ্কার করার দায়িত্ব নেওয়া।

● নিজ ও আশেপাশের বাসস্থান সুরক্ষিত করে এবার চোখ দিন আপনার বাড়িতে কাজ করতে আসা মহিলার দিকে। তারা গলি ঘুপচিতে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকে। এই রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি তাদেরই বেশি। তারা সচেতন নয়। সচেতন করবার দায়িত্ব আপনার। বুঝিয়ে বলুন কীভাবে চলতে হবে। দরকার হলে নিজের টাকায় কিছু মশার কয়েল, স্প্রে, ক্রিম কিনে দিন। তারা সুস্থ থাকলে আপনিও থাকবেন। 

● পাড়া-মহল্লা-গ্রামবাসীরা মিলিতভাবে তরুণ সমাজকে কাজে লাগাতে পারেন। তারা নিম্নবিত্ত/ বস্তি/ সুবিধাবঞ্চিত জনগনকে সচেতন করতে পারে। করণীয়, প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা কর‍তে পারে।

● মসজিদের ইমাম সাহেব প্রতি নামাজের পর এ বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করতে পারেন। পাড়া মহল্লায় মাইকিং করে করে প্রতি ঘরে এই জনসচেতনতা সৃষ্টি করা যায়।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের সবচেয়ে বেশি?

● ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে শিশু, কিশোর ও বয়স্ক মানুষ। কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, সচেতনতা কম, রোগের লক্ষণ বুঝিয়ে বলার ক্ষমতাও কম। খুব দ্রুত তারা আক্রান্ত হয়, অনেক ক্ষেত্রে ডায়াগনোসিস হবার আগেই আকস্মিক মৃত্যু হয়। কিংবা হঠাৎ করে জটিল অবস্থায় চলে যায়। তাই, পরিবারের এই সদস্যদের প্রতি বেশি খেয়াল রাখুন।

● স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হোস্টেল, হল, হসপিটাল, ক্লিনিক, অফিস, জনসভা, শপিং মল, কাঁচাবাজার, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হল, বাস, ট্রেন, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি জায়গা যেখানে প্রতিদিন একসাথে বহু মানুষ একত্র হয়, এক জায়গায় পড়াশোনা, কাজ করে সেখানে এই রোগ ছড়াবার ঝুঁকি বেশি।

কীভাবে? 

● স্কুল কলেজগুলোর পরিবেশ দেখার কেউ নেই। এডমিনিস্ট্রেশন যদি দায়িত্ব না নেয়, তাহলে সেখান থেকে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে।

● অফিস ও পাবলিক প্লেসগুলোতেও একই অবস্থা। নিজের বাড়ি নয়, তাই সাফাই এর দায়িত্বও কারও নেই!

● রেস্টুরেন্ট, শপিং মল, বাজার, সিনেমা হলগুলোতে মশা নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা খুব কমই দেখা যায়! তাই এসব জায়গায় নিজ দায়িত্বে বুঝেশুনেই এখন যাওয়া উচিত।

● হোস্টেল ও হলগুলোতে একসাথে এক রুমে ৪-১০ জন ছেলে মেয়ে একসাথে থাকে। এসব জায়গায় একজন আক্রান্ত হলে বাকিদের ঝুঁকি অনেক বেশি।  

এবার আসুন সবচেয়ে ভয়াবহ জায়গা হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনোস্টিক সেন্টারগুলোতে!

প্রতিদিন প্রায় হাজার খানেক মানুষ এখন উপচে পড়ছে টেস্ট করার জন্য কিংবা রোগী হয়ে। এক রোগী সবার সাথেই থাকছে। ডাক্তার, নার্স, আয়া, ল্যাব টেকনিশিয়ানসহ হাসপাতালের সব স্টাফ রেগুলার এসব জায়গায় কাজ করে যাচ্ছেন। মশা তো চারপাশে ঘুরছেই! জীবনের ঝুঁকি তাই এদের সবচেয়ে বেশি!

তারা কাজ করছেন, অন্যের সেবা দিচ্ছেন, নিজেদের কেয়ার করছেন না, আক্রান্ত হচ্ছেন, পাত্তা দিচ্ছেন না। জটিলতায় মারা যাচ্ছেন! (এ পর্যন্ত প্রায় ১০ জন ডাক্তারের মৃত্যু সংবাদ দেখেছি, কষ্টদায়ক। কারণ হয়তো এসবই)

ভুল ধারণা- 

● ডেঙ্গু ছোঁয়াচে রোগ নয়। আক্রান্ত রোগীর সাথে থাকলে, শোয়া বসা, খাবার শেয়ার করলে অন্য কারো হবে না। কিন্তু একই ঘরে মশা নিয়ন্ত্রণ না করলে রোগীর থেকে ভাইরাস আপনার শরীরেও আসবে।

● ডেঙ্গু রোগ বারবার হতে পারে। আগে ভিন্ন লক্ষণ থাকলে এখন লক্ষণ আগের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে। কারণ ডেঙ্গুর ৪ ধরনের টাইপ আছে।

● স্তন দান কিংবা রক্তদানে ডেঙ্গু রোগ ছড়ায় না। ব্রেস্ট ফিডিং করাতে পারবেন আক্রান্ত মায়েরা। তবে শিশুকে মশার কামড় থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার। রক্ত দেওয়া নেওয়াতেও কোনো বিধিনিষেধ নেই।

● ডেঙ্গু ভাইরাস জ্বর। এতে এন্টিবায়োটিক এর কোনো ভূমিকা নেই। তবে এর সাথে আপনার অন্য কোনো ইনফেকশন, রোগ থাকলে ডাক্তার এন্টিবায়োটিক দিতে পারেন। এটা নিয়ে সাধারণ জনতার চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই।

● ডেঙ্গু রোগে রক্তের প্লাটিলেট পরিমাণ কমে যায় (এটা স্বাভাবিক)। রোগ ভালো হওয়ার সাথে সাথে এই পরিমাণ আবার স্বাভাবিক রেঞ্জে ফিরে আসে। তাই, ডেঙ্গু হলেই ব্লাড দিতে হবে এটা জরুরি নয়। ব্লাডের ডোনার রেডি রাখা ভালো। নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ হলে অবশ্যই ডোনার রাখা উচিত। কখন ব্লাড লাগবে, সেটা ডাক্তার নিজে বুঝে বলে দেবেন। অযথা প্যানিকড হওয়ার কারণ নেই।

● অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগ স্বাভাবিকভাবে ভালো হয়ে যায়। এটা সাধারণ ভাইরাস জ্বর। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সাজেশন, নিয়ম মেনে চলা ও ফলোআপ করালেই অনেক জটিলতা মুক্ত থাকা যায়। এবং, সঠিক পরামর্শ নিয়ে নিজের বাসাতেও চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া যায়।

● ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার (যেখানে শরীরে রক্তের চাকা দেখা দেয়, রক্তপাত বেশি হয়, প্ল্যাটিলেট কাউন্ট কমে যায়) এটা একটি জটিল ও ইমার্জেন্সি অবস্থা। সঠিক সময়ে ডায়াগনোসিস না হওয়া, রোগের গুরুত্ব না দেওয়া, ফলোআপ না করা ইত্যাদি কারণে এই অবস্থা হতে পারে। এই জটিলতায় রোগীর মৃত্যু হতে পারে।

● ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম (রোগী অল্প জ্বরে, বমি হয়, শরীরে পানিশূন্যতা হয়, অন্যান্য সমস্যাও থাকে, হঠাৎ করে অবস্থা জটিল হয়ে মারা যেতে পারে)। এটাও একটি জটিল অবস্থা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব রোগী ছোটখাটো লক্ষণকে গুরুত্ব দেয় না এবং ডায়াগনোসিস হবার আগেই মারা যেতে পারে (এবারের সিজনে এ ধরনের মৃত্যু বেশি দেখা গেছে)।

গুজব- 

● প্রতিদিন শ-হাজার খানেক রোগীর রোগ ডায়াগনোসিস হচ্ছে, চিকিৎসা নিচ্ছে হাসপাতালে, ভালো হয়ে ফিরেও যাচ্ছে। জটিল হয় কম সংখ্যক রোগী। মারা যায় তার চেয়েও কম। 

● আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা "মারা গেলো কতজন" রিপোর্ট করার চেয়ে "কতশত জন সুস্থ হচ্ছে, অক্লান্ত সেবা দিচ্ছে ডাক্তারগণ” সেসব নিয়ে লিখলে মানুষের মাঝে কিছু স্বস্তি আসত। 

● মানুষ সচেতন বেশি, তাই অল্প লক্ষণেই পরীক্ষা করাচ্ছে। এটা ভালো। কিন্তু প্যানিকড হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।

● পেঁপে পাতা খেলে প্লাটিলেট পরিমাণ বাড়বে- এসব কথার প্রমাণ মেলেনি। 

● এডিস মশা সারা শরীরে যখন তখন কামড়াতে পারে, নারিকেল তেল দিয়ে তা রক্ষা করা যায় না। 

রোগী হিসেবে আপনার করণীয়- 

প্রতিকার ও প্রতিরোধের ব্যাপারে আগেই বলা হয়েছে। নতুন কথা একটাই,

● আপনি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে বাইরে ঘোরাঘুরি কম করুন। ঘরের সবাইকে সচেতন করুন।

● আক্রান্ত রোগী ঈদে বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা ত্যাগ করুন! আপনি একাই পুরো বাদ, ট্রেন, লঞ্চ, নিজ গ্রাম, পাড়া, পরিবারের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারেন।

● কোরবানির পর নিজ পাড়া পরিষ্কারের দায়িত্ব নিন।

● অবশ্যই অল্প লক্ষণকেও গুরুত্ব দিন। টেস্ট করান (যা এখন সরকার পুরো দেশে ফিক্সড রেট করে দিয়েছে, ৫০০/- টাকায় যে কেউ করাতে পারে)।

চিকিৎসা নিন।

যা করবেন না- 

● জ্বর হলে টেস্ট করাবেন কিন্তু কখন কী টেস্ট করতে হবে, কী চিকিৎসা লাগবে তা নিয়ে চিকিৎসকের চেয়ে বেশি বুঝবেন না, বাড়াবাড়ি করবেন না। 

● হয়তো আপনার চেয়েও জটিল রোগীর চিকিৎসা হচ্ছে, তাই ডাক্তার ব্যস্ত কিংবা হাসপাতালে জায়গা সঙ্কট। অহেতুক ক্ষমতা কিংবা টাকার জোর, বাড়াবাড়ি, অশোভন আচরণ দেখাবেন না। কারণ এসব করে ক্ষতির চেয়ে লাভ কিছু হয় না। ধৈর্য রাখতে শিখুন।

● যারা সেবা/সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন অর্থাৎ ডাক্তার, নার্স, আয়া, স্টাফ, ল্যাব টেকনিশিয়ান তাদের প্রতি মানবিক হোন। তারা রোবট নন। ২৪/৭ রোগীর মাঝে থেকে তারাও মেজাজ হারাতে পারেন। আপনার সুন্দর আচরণ ও সহযোগিতা তাদের প্রাপ্য।

● ওপরের লেখার বিপদ চিহ্ন যেকোনো একটা থাকলেই রোগীকে ঘরে বসিয়ে রাখবেন না। কিংবা বড় প্রফেসরের সিরিয়ালের আশায় সময় নষ্ট করবেন না। এতে নিজের রোগীর খারাপ নিজেই ডেকে আনবেন! 

● রোগ ডায়াগনোসিস হওয়া মাত্র চিকিৎসা শুরু করবেন। হাসপাতাল ভালো না, নোংরা, বেডে জায়গা নেই ইত্যাদি ন্যাকামি ঢং করে সময় নষ্ট করে রোগীর মৃত্যু আপনি নিজেই ডেকে আনবেন! (এভাবে প্রচুর মৃত্যু ঘটেছে)

● গুজবে নিজে কান দেবেন না, ছড়াবেনও না।

শেষ কথা- 

ডেঙ্গু এপিডেমিক (মহামারি) হয়েছে বহুদিন থেকেই। সরকার ঘোষণা দিক কিংবা এড়িয়ে চলুক, আমরা ডাক্তাররা সত্য জানি। প্রতি বছর এদেশে ডেঙ্গু হয়, কখনো এত গণহারে আক্রান্ত হয়নি। এত রোগী মারা যায়নি।

প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সরকার দায়সারা, একে তাকে দোষারোপ করে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু ভুক্তভোগী আমরা, মরছি আমরা। দায় তো আমরা এড়াতে পারি না!

একজন সচেতন নাগরিক ও সাধারণ চিকিৎসক হিসেবে আমার দায়িত্ব আমি পালন করলাম। আপনাদের দায়িত্ব আপনারা করুন। নিজ নিজ ডাক্তারকে ধন্যবাদ দিন। ভালো, সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন।

লেখক- ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলমগীর, নারী স্বাস্থ্য, গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন। 

ওডি/এনএম

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড