• শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯, ৯ চৈত্র ১৪২৫  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

অস্ত্র আইন সংশোধন করছে নিউজিল্যান্ড

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক ১৬ মার্চ ২০১৯, ১০:৩৬

নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডান। (ছবি : সম্পাদিত)

নিউজিল্যান্ডে বন্দুক আইনে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। শুক্রবার (১৫ মার্চ) দেশটির ক্রাইস্টচার্চে জুমার নামাজের সময় পৃথক মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় ৪৯ মুসল্লি নিহতের পর এমনই আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডান। 

নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে নৃশংসতম এ হামলার প্রেক্ষিতে একদিন পর শনিবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী দফতরের পক্ষ থেকে এই বন্দুক আইনে পরিবর্তন আনার আভাস দেওয়া হলো। খবর সিএনএনের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৫০ লাখ লোকের বসবাস এই নিউজিল্যান্ডে। যেখানে অন্তত ১২ লাখ মানুষের হাতে আছে বন্দুকের লাইসেন্স। এর আগে ২০০৯ সালে দেশটিতে একসঙ্গে ৯ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। মূলত সে ঘটনার পর এই বন্দুকের লাইসেন্স সংক্রান্ত আইনে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

এদিকে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘যেহেতু এ ধরনের ঘটনা একের পর ঘটেই যাচ্ছে এবং এগুলো লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়েই হচ্ছে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই মুহূর্তে আপনাদেরকে বলতে পারি.. খুব শিগগিরি আমাদের বন্দুক আইনে এক বিরাট পরিবর্তন আসবে।’

নিউজিল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘হামলাকারীর কাছে পাঁচটি বন্দুক ও একটি লাইসেন্স পাওয়া গেছে। লাইসেন্সটি ২০১৭ সালের নভেম্বরে দেয়া হয়েছিল। তার কাছে পাওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে দুইটি সেমি-অটোমেটিক, দুটি শটগান ও লিভার অ্যাকশন ফায়ার আর্ম।’

যদিও পরদিন শনিবার হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে ব্রেন্টন ট্যারান্টকে আদালতে তোলা হয়েছে। যেখানে আগামী ৫ এপ্রিল পর্যন্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। 

তবে আদালতে ওঠার সময় তাকে সাংবাদিকদের দিকে চেয়ে মুচকি হাসি দিতেও দেখা যায়। এ সময় তার চোখে বিন্দুমাত্র অনুতাপ দেখা যায়নি বলেও জানায় ব্রিটেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ক্রাইস্টচার্চে ব্যাপক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একইসঙ্গে গোটা দেশ জুড়ে সকল মসজিদসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া জানিয়েছে যে, নিহতদের মধ্যে তাদের দেশের নাগরিকও রয়েছেন।

যাদের মধ্যে তিন বাংলাদেশিও আছেন। এর মধ্যে ড. আব্দুস সামাদ নামে একজন অধ্যাপক রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত হামলার শিকার ‘মসজিদে নুর’-এর মোয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড