• বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭  |   ৩৩ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পাইলটের ভুলেই পাকিস্তানের বিমান দুর্ঘটনা  

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৪ জুন ২০২০, ২১:৩৩
করোনা
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের করাচিতে যাত্রীবাহী বিমান বিধবস্ত হয়ে ৯৭ জন যাত্রী নিহত হয়। পাইলট, ক্রুসহ যাত্রীদের প্রায় সবার প্রাণহানি হলেও বেঁচে যায় দুজন যাত্রী। প্রায় ১২ দিন পর পাকিস্তান বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাইলট ট্রাফিক নির্দেশ অমান্য করেছিলেন বলেই ভয়াবহ এই দূর্ঘটনা ঘটে।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার (পিআইএ) এ–৩২০ মডেলের এয়ারবাসটি ৯১ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রু নিয়ে লাহোর থেকে করাচি যাচ্ছিল। জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই অবতরণের কথা ছিল এটির। বিমানটি দুই দফায় রানওয়েতে নামার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়।

জিন্না গার্ডেনের কাছে ভেঙ্গে পড়ার আগে বিমানটির কন্ট্রোলারের কথা অনুযায়ী বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করছিল। কিন্তু অবতরণের জন্য যে গতি প্রয়োজন তার থেকে বেশি গতি ছিল বিমানটির। তার ফলে অগ্নিসংযোগ এবং শেষে জনবহুল এলাকাতেই ভেঙে পড়ে বিমানটি।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার (পিআইএ) কাছে পাঠানো চিঠিতে এমন কথাই লিখেছিলেন পাক বিমান কর্তৃপক্ষ। তবে পিআইএর পক্ষ থেকে আবদুল্লাহ হাফিজ খান এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে পাক বিমান কর্তৃপক্ষ পাইলটের নির্দেশ না মানার প্রতিবেদন পেশ করেছে।

দেশটির বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী গুলাম সরকার জানিয়েছেন, ‘বিমান দূর্ঘটনার কারণ পার্লামেন্টে ফেশ হবে ২২ জুন। অনেক কারণেই বিমান দূর্ঘটনা হতে পারে। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখতে হবে। এত তাড়াতাড়ি কিছু বলা সম্ভব নয়।’

এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ এর আগে জানায়, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) ওই বিমানটি করাচি বিমানবন্দরের কাছে যাওয়ার সময় উভয় ইঞ্জিন অকেজো হওয়ার পর আবাসিক এলাকার একটি রাস্তায় বিধ্বস্ত হয়। এর পাখা ছিটকে পড়ে, আগুন ও ধোঁয়ায় ভরে যায়। রাত পর্যন্ত চলে উদ্ধারকাজ।

ওডি/ 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড