• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ইবিতে শহীদ মিনারে হট্টগোল! 

  ইবি প্রতিনিধি

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫:৫৩
ইবি
শহীদ মিনারে হট্টগোল (ছবি : দৈনিক অধিকার)

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর সময় বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও কর্মকর্তা সমিতির নেতৃবৃন্দের মধ্যে হট্টগোলের অভিযোগ উঠেছে। 

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে এ নিয়ে শহীদ মিনার জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কিছু সময়ের জন্য বিঘ্নিত হয়। 

কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি শামসুল ইসলাম জোহা ও সাধারণ সম্পাদক মীর মোর্শেদুল ইসলাম শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর নব গঠিত অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য আহ্বান জানান সঞ্চালক। এতে করে ক্ষিপ্ত হন জোহা-মোর্শেদ। 

প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন হট্টগোল থামিয়ে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার অনুরোধ জানান। প্রক্টরকে বুড়ো আঙুল দেখান কর্মকর্তারা। পরে উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের অনুরোধ জানালে তারা শহীদ বেদী ত্যাগ করে।                                               

কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, ‘এসব নোংরামি করার ফল কিন্তু ভাল হবে না।’ 

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে আরও জানান, ‘অনুষ্ঠান শেষ পরে হবে, আগে এটার সমাধান করুন।’

অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধি ব্যতীত নাম ঘোষণা হবে কেন। এগুলো করে ঝামেলা পাকানো হচ্ছে।’  

এছাড়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিনের বিরুদ্ধেও হট্টগোল পাকানোর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সিনিয়র অধ্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

এ সময় বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরেফিন, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের ড. শফিকুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের মতিয়ার রহমান মোল্লা এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
 
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বলেন, ‘এটা হচ্ছে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অফিসাররা দুটি সমিতি করে ফেলেছে। একটি অফিসার অ্যাসোসিয়েশন, তারা ফুল দেওয়ার আবেদন করেছে, তারা ফুল দিবে। এটি কাছে আছে।’

তিনি আরও জানান, ‘একুশে ফেব্রুয়ারিতে যে কেউ ফুল দিতে পারে। তারা একটি গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করেছিল, তারা সফল হয়নি। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সময় এমন ঘটনা ভাল দৃষ্টিতে দেখার কোনো সুযোগ নেই। 

এ ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে সুষ্ঠুভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষ হয়।
                        
এর আগে এ দিবস উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে শোক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে সমবেত হয়। এ সময় উপাচার্য, উপউপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

আরও পড়ুন : ভাষার মাসে অফিস আদেশে একাধিক ভুল

এছাড়া বিভিন্ন বিভাগ, শিক্ষক সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ছাত্র সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। পরে ১ মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। 

ওডি/এমআরকে

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড