• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

খুলনার বিপক্ষে তাণ্ডব চালিয়ে ২১৪ রান তুলল চিটাগং

চিটাগং ভাইকিংস-মুশফিকুর রহীম
মুশফিকুর রহীম তুলে নিলেন এবারের আসরে নিজের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি (ছবি : সংগৃহীত)

তাণ্ডবের শুরুটা করেছিলেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ শেহজাদ। এরপর ইনিংসের মাঝপথে জোড়া হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ঝড়ো ব্যাটিং বজায় রাখেন দেশের ইয়াসির আলী ও মুশফিকুর রহীম। আর শেষভাগে খুলনা টাইটান্সের বোলারদের ওপর চড়াও হন শ্রীলঙ্কার দাসুন শানাকা ও আরেক আফগান নাজিবউল্লাহ জাদরান। তাতে চলতি বিপিএলের প্রথম দুইশ ছাড়ানো স্কোর গড়ল চিটাগং ভাইকিংস।

শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রান উৎসব করল চিটাগং ভাইকিংস। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২১৪ রানের পাহাড় দাঁড় করাল তারা। দলের পক্ষে ইয়াসির ৩৬ বলে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন। অধিনায়ক মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ বলে ৫২ রান। ওপেনার শেহজাদ করেন ১৭ বলে ৩৩ রান। শানাকা ১৭ বলে ৪২ ও জাদরান ৫ বলে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

বিপিএলের চলতি আসরে দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ল মুশফিকের চিটাগং। পাশপাশি প্রতিযোগিতার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর এটি। চিটাগংয়ের উপরে আছে কেবল ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স। ২০১৩ সালের আসরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে তারা করেছিল ৪ উইকেটে ২১৭ রান। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা বদলে যাওয়ায় ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স আর খেলছে না বিপিএলে।

দলীয় ১৭ রানে ক্যামেরন ডেলপোর্টের বিদায়ের পর চারটি অসাধারণ জুটি পায় চিটাগং। দ্বিতীয় উইকেটে শেহজাদ-ইয়াসির যোগ করেন ১৫ বলে ৩৯ রান। এরপর ইয়াসির-মুশফিকের তৃতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৫০ বলে ৮৩ রান। তরুণ ইয়াসিরের বিদায়ের পর শানাকাকে নিয়ে ২০ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন মুশি। আর শানাকা-জাদরানের অবিচ্ছিন্ন ৪৪ রানের জুটি আসে মাত্র ১৪ বলে।

৩৪ বলে ফিফটি পূরণ করেন ইয়াসির। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছয়। এরপর মাত্র ২৯ বলে এবারের আসরে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ফিফটির দেখা পান মুশফিক। তিনি মারেন ৮টি চার ও ১টি ছয়। দলের স্কোর দুইশতে পৌঁছে দেওয়া শানাকা মারেন ৩টি চার ও ৪টি ছয়। সবমিলিয়ে চিটাগংয়ের ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ১২টি ছয়।

প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেটে ৮৩ রান তোলা চিটাগং পরের ১০ ওভারে খুলনার বোলারদের কচুকাটা করে যোগ করে আরও ১৩১ রান। এর মধ্যে শেষ ৫ ওভারেই আসে ৭২ রান।

আগের ৬ ম্যাচের ৫টিতে হেরে ধুঁকতে থাকা খুলনার বোলাররা চিটাগংয়ের ব্যাটারদের সামনে ছিলেন অসহায়। এক ডেভিড ভিসে ছাড়া সবাই ছিলেন খরুচে। দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেস অলরাউন্ডার ৪ ওভারে ২৬ রানে নেন ২ উইকেট। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ৪৫ ও পেসার শরিফুল ইসলাম ৪৭ রানে পান ১টি করে উইকেট।

শ্রীলঙ্কার তারকা লাসিথ মালিঙ্গা দেন ৪৪ রান। থাকেন উইকেটশূন্য। প্রথম ৩ ওভারে মোটে ১৫ রান দেওয়া শুভাশীষ ইনিংসের শেষ ওভারে দেন ২৩ রান। স্পেল শেষ করেন বিনা উইকেটে ৩৮ রানে। খুলনার দলনেতা মাহমুদউল্লাহ ১ ওভারে খরচ করেন ১৩ রান।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড