• বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

তাওহিদ : পরিচিতি, গুরুত্ব ও তাৎপর্য

  ধর্ম ও জীবন ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪২
তাওহিদ
ছবি : প্রতীকী

০১. পরিচয়

تَوْحِيْد (তাওহিদ) শব্দটি আরবি। তাওহিদের শাব্দিক অর্থঃ একত্ববাদ। পারিভার্ষিক অর্থঃ আল্লাহ তায়ালাকে সত্তাগত ও গুণগত দিক দিয়ে একক জেনে তাঁরই ইবাদত করা।

০২. প্রকারভেদ

তাওহিদ তিন প্রকার। যথা : ২/১. توحيد الربوبية / তাওহিদুর রুবুবিয়্যাহ : আল্লাহকে তাঁর কর্মসমূহে একক হিসেবে মেনে নেয়া। যেমন সৃষ্টি করা, রিজিক দেয়া, জীবন-মৃত্যু দান করা ইত্যাদি। নবি করিম (সা.) এর আগমনের পূর্বে কাফেরগণ তাওহিদের এই প্রকারের স্বীকৃতি দিয়েছিল। আল্লাহ আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ

‘আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ্। বলুন, সকল প্রশংসাই আল্লাহর। বরং তাদের অধিকাংশই জ্ঞান রাখে না।’ [সুরা লুকমান : ২৫]

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ‘যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার জন্য, যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।’ [সুরা ফাতিহা : ০২]

اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ ثُمَّ رَزَقَكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ هَلْ مِنْ شُرَكَائِكُمْ مَنْ يَفْعَلُ مِنْ ذَلِكُمْ مِنْ شَيْءٍ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ

‘আল্লাহ্ই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, অত:পর রিযিক দিয়েছেন, এরপর তোমাদের মৃত্যু দেবেন, এরপর তোমাদের জীবিত করবেন। তোমাদের শরীকদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি, যে এসব কাজের মধ্যে কোন একটিও করতে পারবে? তারা যাকে শরিক করে, আল্লাহ তা থেকে পবিত্র ও মহান।’ [সুরা রুম : ৪০]

২/২. توحيد الألوهية / তাওহিদুল উলুহিয়্যাহ : ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহকে একক নির্ধারণ করা। যেমন : সালাত, নযর-মানত, দান-সদকা ইত্যাদি। যাবতীয় ইবাদত এককভাবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে করার জন্যই সমস্ত নবী-রাসুলগণকে প্রেরণ করা হয়েছে, আসমানি কিতাবসমূহ নাযিল করা হয়েছে। আল্লাহ আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئاً ‘‘আর ইবাদত কর আল্লাহর, শরিক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে’’। [সুরা নিসা : ৩৬]

وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلاَّ نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلاَّ أَنَا فَاعْبُدُونِ

‘‘আপনার পূর্বে আমি যে রাসুলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই এবাদত কর’’। [সুরা আম্বিয়া : ২৫]

وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولاً أَنْ اُعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ

‘‘আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসুল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাকো’’। [সুরা নাহল : ৩৬]

২/৩. توحيد الأسماء والصفاة / তাওহিদুল আসমা ওয়াস সিফাত : সমস্ত সুন্দর-সুন্দর নাম ও গুণাবলি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করেছেন সেগুলোকে কোন প্রকার পরিবর্তন, অস্বীকৃতি ও ধরন-গঠন নির্ধারণ ছাড়াই সাব্যস্ত করা ও মেনে নেয়া। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَلِلَّهِ الأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا ‘আল্লাহর অনেক সুন্দর-সুন্দর নাম আছে, সেই নামের মাধ্যমে তোমরা তাকে ডাক।’ [সুরা আরাফ : ১৮০]

اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى

‘‘আল্লাহ্ তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য ইলাহ নেই। সব সৌন্দর্যমন্ডিত নাম তাঁরই।’ [সুরা ত্বহা : ০৮]

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ◌ اللَّهُ الصَّمَدُ ◌ لَمْ يَلِدْ ◌ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ ◌ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

‘বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক। আল্লাহ্ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি এবং তার সমতুল্য কেউ নেই’’। [সুরা ইখলাস : ০১ – ০৪]

০৩. তাওহিদের গুরুত্ব

মুসলিমদের জন্য তাওহিদ বা একত্ববাদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই তাওহিদের পরিশুদ্ধি ছাড়া কেউ মুসলিম হতে পারে না। প্রাণ ছাড়া দেহ যেমন অকার্যকর, তেমনি বিশুদ্ধ তাওহিদ ছাড়া আমলও অকার্যকর। তাই ইহ ও পরকালীন জীবনে মুক্তির জন্য তাওহিদের আকিদা পোষণ করা আমাদের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিম্নে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে আকাইদ ও তাওহিদের গুরুত্ব তুলে ধরা হলো।

৩/১. আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নবি-রাসুলগণকে পাঠিয়েছেন তাঁর একত্ববাদের দিকে আহবান করার জন্য। কুরআনের অধিকাংশ সুরায় তাওহিদের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যেমন, ইরশাদ হচ্ছে :

وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلاَّ نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلاَّ أَنَا فَاعْبُدُونِ

‘আপনার পূর্বে আমি যে রাসুলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই ইবাদত করো।’ [সুরা আম্বিয়া : ২৫]

৩/২. রাসুল (সা.) তের বছরের মাক্কি জীবনে একত্ববাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন,

قُلْ إِنِّي لَا أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا

‘হে নবি আপনি বলুন! আমি শধুমাত্র আমার রবকে ডাকি এবং তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরিক করি না।’ [সুরা জিন : ২০]

৩/৩. নবি করিম (সা:) তাঁর সাহাবিগণকে সর্বপ্রথম মানুষকে তাওহিদের প্রতি আহ্বান জানানোর শিক্ষা দেন। যেমন, মুয়ায (রা.)-কে ইয়ামেনের গভর্ণর করে পাঠানোর সময় রাসুল (সা.) বলেছিলেন :

ادْعُهُمْ إِلَى شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ قَدِ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةً فِي أَمْوَالِهِمْ، تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ وَتُرَدُّ عَلَى فُقَرَائِهِمْ

‘সেখানের অধিবাসীদেরকে আল্লাহ ব্যতিত কোন ইলাহ নেই এবং আমি (মুহাম্মদ) আল্লাহর রাসুল- এ কথার সাক্ষ্যদানের দাওয়াত দিবে। যদি তারা এ কথা মেনে নেয়, তাহলে তাদেরকে জানিয়ে দিবে, আল্লাহ তাদের উপর প্রতিদিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। তারা যদি এ কথা মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে, আল্লাহ তাদের সম্পদের উপর সাদকা (জাকাত) ফরজ করেছেন। তাদের মধ্যকার (নিসাব পরিমাণ) সম্পদশালীদের নিকট থেকে (জাকাত) উসুল করে তাদের দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হবে।’ [সহিহ বুখারি : ১৩১০ (ই.ফা)]

০৪. ফজিলত, উপকারিতা ও তাৎপর্য

মানবজীবনে তাওহিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার উপর ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ-অকল্যাণ, সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভরশীল। তাওহিদের উপর অটল ও অবিচল থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির উপর ফরয। তাওহিদের অনেক উপকারিতা রয়েছে। নিম্নে কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো :

৪/১. হিদায়াত ও নিরাপত্তা লাভ। আল্লাহ্ তায়ালা ইরশাদ করেন :

الَّذِينَ آَمَنُوا وَلَمْ يَلْبِسُوا إِيمَانَهُمْ بِظُلْمٍ أُولَئِكَ لَهُمُ الْأَمْنُ وَهُمْ مُهْتَدُونَ

‘যারা ঈমান এনেছে এবং শিরকের সাথে মিলায়নি, তাদের জন্য রয়েছে নিরাপত্তা এবং তারাই হিদায়াত প্রাপ্ত।’ [সুরা আনয়াম : ৮২]

৪/২. আখেরাতে চিরস্থায়ী সুখ ও জান্নাত লাভ।

عن عِتْبَانَ بنِ مالكٍ رضي الله عنه "قال، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : فَإِنَّ اللَّه قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ يَبْتَغِي بِذَلِكَ وَجْهِ اللَّهِ

ইতবান ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন।’ [সহিহ বুখারি : ৪২৫, সহিহ মুসলিম : ৩৩]

৪/৩. ক্ষমা লাভ।

عَنْ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ قَالَ اللَّهُ يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِي وَرَجَوْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ عَلَى مَا كَانَ فِيكَ وَلاَ أُبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ لَوْ بَلَغَتْ ذُنُوبُكَ عَنَانَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ وَلاَ أُبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ لَوْ أَتَيْتَنِي بِقُرَابِ الأَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتَنِي لاَ تُشْرِكُ بِي شَيْئًا لأَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ বরকতময় আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এতে কোন পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহের পরিমাণ যদি আসমানের কিনারা বা মেঘমালা পর্যন্তও পৌছে যায়, তারপরও তুমি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, এতে আমি পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি সম্পূর্ণ পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়েও আমার নিকট আস এবং আমার সঙ্গে কাউকে অংশীদার না করে থাক, তাহলে তোমার কাছে আমিও পৃথিবী পূর্ণ ক্ষমা নিয়ে হাজির হব।’ [সহিহ তিরমিজি : ৩৫৪০, সহিহাহ : ১২৭ ও ১২৮]

৪/৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ।

জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন :

عَنْ جَابِرٍ قَالَ : أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْمُوجِبَتَانِ ؟ فَقَالَ : مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ ، وَمَنْ مَاتَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ النَّارَ

‘যে আল্লাহর সাথে কোন প্রকার শিরক করা ব্যতীত (তাওহিদের উপর) মৃত্যুবরণ করবে, অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে শিরকের উপর মৃত্যুবরণ করবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ [সহিহ মুসলিম : ৯৩]

৫. উপসংহার

দুনিয়ার সুখ, শান্তি ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র সোপান হলো বিশুদ্ধ আকিদাহ। তাই আসুন আমরা সকলেই আকিদাহ সহিস করার চেষ্ট করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফিক দান করুন, আমিন।

লেখক, আব্দুস সালাম হুসাইন আলী শিক্ষক, ইনসাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, উত্তরা, ঢাকা।

প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ব্যখ্যা, সমাজের কোন অমীমাংসিত বিষয়ে ধর্মতত্ত্ব, হাদিস, কোরআনের আয়াতের তাৎপর্য কিংবা অন্য যেকোন ধর্মের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সর্বপরি মানব জীবনের সকল দিকে ধর্মের গুরুত্ব নিয়ে লিখুন আপনিও- [email protected]
jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড