• শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পারিবারিক কলহের জেরে অভিনেত্রী শিমুকে হত্যা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৬:০৫
অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু
অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু (ছবি: সংগৃহীত)

অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু হত্যাকাণ্ডে স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল ও নোবেলের বাল্যবন্ধু এস এম ওয়াই আব্দুল্লাহ ফরহাদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। মূলত পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে স্বামী নোবেলের সাথে দাম্পত্য কলহ চলছিল শিমুর। এর প্রেক্ষিতেই এই অভিনেত্রীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ সেখানে নিয়ে ফেলে আসা হয়।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, গতকাল সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশে ঝোপের ভেতর থেকে রাইমা ইসলাম শিমুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৪১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী সপরিবারে রাজধানীর গ্রিন রোড এলাকায় বসবাস করতেন। লাশটি শনাক্তের পরপরই হত্যা রহস্য উদঘাটনে কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ তৎপরতা শুরু করে।

পরিকল্পিতভাবে এই চিত্রনায়িকাকে হত্যার পর খুনিরা লাশটি কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন হযরতপুরে ফেলে যায় বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলেও তারা (খুনি) কিছু চিহ্ন রেখে যায়। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আলমতগুলো জব্দ করি এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভিকটিম চিত্রনায়িকা শিমুর স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল (৪৮) ও তার বাল্যবন্ধু এস এম ওয়াই আব্দুল্লাহ ফরহাদকে ( ৪৭ ) আটক করি।

রাতেই আটক দুজনকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যাকাণ্ডে তাদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামীর সাথে দাম্পত্য কলহ ছিল শিমুর। দাম্পত্য কলহের জেরে গত ১৬ জানুয়ারি সকাল ৭টা-৮টার মধ্যে যেকোনও সময় খুন হন। পরে লাশটি যে গাড়িতে করে নিয়ে গিয়ে সেখানে ফেলে রেখে আসা হয়, আমরা ইতোমধ্যে সেই গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়েছি এবং অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করেছি।

আরও পড়ুন: বদির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ

নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু ফরহাদ বর্তমানে থানা হেফাজতে আছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ওডি/আজীম

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড