• বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছে আহমেদ ফারুকের নতুন উপন্যাস 'ভালোবাসা আহমেদ' 

  সাহিত্য ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২১, ০১:৩৬
উপন্যাস 'ভালোবাসা আহমেদ' এর প্রচ্ছদ এবং লেখক আহমেদ ফারুক(বা থেকে)
উপন্যাস 'ভালোবাসা আহমেদ' এর প্রচ্ছদ এবং লেখক আহমেদ ফারুক(বা থেকে)

এক ঝড়ের রাতে ঢাবির হলে থাকা নুপুর নামের এক মেয়ে হঠাৎ-ই ফেঁসে যায় পুলিশের কাছে। এই ঘটনায় কাউকে দোষ দেয়া যায় না। এমনকি পুলিশকেও। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই একদল অসহায় মানুষের ছুটে চলা। যেখানে নাজমুল পারে না নুপুরের সঙ্গী হতে। কিংবা প্রচন্ড ভালোবেসেও মুসলেম পারে না মহুয়াকে ফিরিয়ে আনতে। তাই তো সে খুন করে বসে এক উকিলকে। তবে অবাক করা ব্যাপার, জীবনের হিসেব মেলাতে না পারা বাঁকা আঙ্কেলও জীবনের হিসেব মিলিয়ে দেয় তার নিয়তি। তাঁর বিয়ে হয় ঘটনাক্রমে এক কাজের মেয়ের সাথে। মানুষের মুখরোচক গল্প থেমে যায় একসময়। কিন্তু কিছু গল্পে কোনো পাখা থাকে না। মানুষ সেসব গল্প নিয়ে মাথাও ঘামায় না। নিয়তি দূরে ঠেলে দেয় নামজুল ও নুপুরকে। তারা অনেক দূরে থেকেই কাটিয়ে দেয় জীবন। ভালোাসা এমনই, কোনো নিয়মের জালে ধরা দেয় না।

উপরের গল্প আহমেদ ফারুক এর নতুন উপন্যাস 'ভালোবাসা আহমেদ' বইয়ের সারাংশ। বইটি প্রকাশিত হয়েছে প্রিয়মুখ প্রকাশন থেকে। বইটি অমর একুশে বইমেলার প্রিয়মুখ প্রকাশনের ৩৩-৩৫ নাম্বার স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। এবং রকমারিসহ অন্যান্য অনলাইন বুকশপগুলতেও পাওয়া যাচ্ছে উপন্যাসটি। জানা যায় উপন্যাসটি ইতোমধ্যেই পাঠকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

আহমেদ ফারুক। নিজেকে সুখী মানুষ ভাবতে ভালোবাসেন। লেখেন ইচ্ছে হলে, ইচ্ছে না হলে কিছুই লেখেন না। সাংবাদিকতা দিয়ে পেশা জীবনের সূচনা। এরপর পেশা বদল করেছেন বেশ কয়েকবার। বেশ কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। সবছেড়ে বর্তমানে তিনি নিজস্ব প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘প্রিয়মুখ’ নিয়ে ব্যস্ত। জন্ম ২৮ র্ফেরুয়ারি ১৯৭৮। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন ২০০১ সালে। ভালোবাসেন গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ঘুরে বেড়াতে। ছোট-বড় মিলে বই লিখেছেন ২৬টি। ছোটগল্প লিখেছেন সবচেয়ে বেশি। ‘কাক’ তাঁর লেখা জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ। এছাড়াও লিখেছেন টিভি নাটক ও সিনেমার চিত্রনাট্য। লেখালেখিতে বেশ কয়েকটি সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি। এছাড়াও নয়াদিল্লি থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার ‘A Blue Butterfly’। বাবা মরহুম সামছুল হক চিলেন কৃষিবিদ। মা ফাতেমা খাতুন, স্ত্রী জেবা, মেয়ে নাবা এবং ছেলে অবনীলকে নিয়েই তাঁর জাপিত জীবন।

বইটি সম্পর্কে লেখক এবং একই সংগে বইটির প্রকাশক আহমেদ ফারুক বলেন, 'এ আমার একটা ব্যক্তিগত ধারণা, যাদের নামের আগে-পিছে ‘আহমেদ’ শব্দটা আছে, তাদের ভালোবাসা একটু তিতা তিতা হয়। তাদের জন্যই এই বিষতিতা ভালোবাসার গল্প। পড়ার আগে গাঢ় লিকারের এক কাপ তিতা চা খেয়ে নিতে পারেন। এতে নুপুরের জন্য আপনার মন খারাপ ভাবটা একটু হলেও কমবে। কারণ, গল্পটা সত্যি ঘটনা অবলম্বনে লেখা। বাস্তবের কিছু গল্পের কষ্ট, কল্পনার কষ্টকেও হার মানায়। গল্পের সুবিধার জন্য মেয়েটার নাম বদলে নুপুর রাখলাম। এমনিতেই মেয়েটা অনেক যন্ত্রণা সয়েছে। আমি জানি, আমার এই গল্প মেয়েটা পড়লে তার মধ্যে কোনো অনুভূতির জন্ম নেবে না। কারণ তার ভালোবাসা, তার উচ্ছ্বাস, তার আবেগ অনেক আগেই মরে গেছে। অনেক আগেই সে জীবন্ত লাশ হয়ে গিয়েছে। গল্পের কারণে কিছু অংশে কল্পনার আশ্রয় নিতেও হয়েছে। সবাইকে তিতা ভালোবাসা মোবারক।'

এই উপন্যাসটা দ্রুতই সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাবে বলে জানা যায়।

উপন্যাসটি পেতে রকমারির লিংক : ভালোবাসা আহমেদ

নবীন- প্রবীন লেখীয়োদের প্রতি আহ্বান: সাহিত্য সুহৃদ মানুষের কাছে ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট গল্প, রম্য রচনা সহ সাহিত্য নির্ভর আপনার যেকোন লেখা পৌঁছে দিতে আমাদেরকে ই-মেইল করুন [email protected]
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড