• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

লোকসভা নির্বাচনে বুথফেরত সমীক্ষায় 'বিজেপি'র জয়গান

আবারও ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ মে ২০১৯, ২০:৩৪
লোকসভা নির্বাচন
বুথফেরত জরিপে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি; (ছবি ; সংগৃহীত)

ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ধাপের ভোট শেষে বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম। বুথ ফেরত সমীক্ষার হিসাব মতে, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে 'বিজেপি' আগামী ৫ বছরের জন্য ভারতের সরকার গঠন করার সম্ভাবনা রয়েছে। 'এনডিটিভি'

রিপাব্লিক সি-ভোটারের ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৩০০টির বেশি আসন পাবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)।

টাইমস নাউ-ভিএমআরের ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) ৩০০টির অধিক আসন পাবে। আর প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন (ইউপিএ) পেতে পারে ১২৮ টি আসন। 

লোকসভা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের বুথফেরত সমীক্ষা ( ছবি ; আনন্দবাজার)

এনডিএর প্রবক্তা অটলবিহারী বাজপেয়ী। ১৯৯৬ সালে প্রাক্তন এই প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে গড়ে উঠেছিল এই জোট। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রিত্বে এই জোটের সরকার ছিল। তারপর ২০১৪ সালে অর্থাৎ গত লোকসভা ভোটে ফের সরকার গঠন করে এই জোট। তবে গত পাঁচ বছরে অন্যতম বড় শরিক অন্ধ্রপ্রদেশে তেলুগু দেশম পার্টি জোট ছেড়েছে। বর্তমানে এই জোটের শরিক মহারাষ্ট্রের শিবসেনা, তামিলনাড়ুর এডিএমকে, বিহার-ঝাড়খণ্ডে নীতীশ কুমারের জেডিইউ এবং রামবিলাস পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টির পাশাপাশি পাঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দলও রয়েছে।

অন্যদিকে ইউপিএ জোট শুরু হয় ২০০৪ সালে। তৎকালীন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বে ওই বছর লোকসভা ভোটের আগেই অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এই জোট। সেই জোটের নেতৃত্বেই পর পর দুইবার ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রে সরকার গঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হন মনমোহন সিংহ। বর্তমানে এই জোটে রয়েছে মহারাষ্ট্রে শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, বিহার-ঝাড়খণ্ডে লালুপ্রসাদ যাদবের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরজেডি), কর্নাটকের জনতা দল সেকুলার এবং জম্মু কাশ্মীরে ফারুক আবদুল্লার নেতৃত্বে ন্যাশনাল কনফারেন্স। কর্নাটকে এই জোটের সরকার রয়েছে। পাশাপাশি কয়েক মাস আগেই মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে কংগ্রেসকে সমর্থন করেছে বহুজন সমাজ পার্টি এবং সমাজবাদী পার্টি। ফলে ভোটের ফল ঘোষণার পর আরও কয়েকটি দল তাদের জোটে শামিল হবেন বলে আশা এই জোটের নেতৃত্বের।

তবে এই সমীক্ষার হিসাব ভুলও হতে পারে। কারণ ২০০৯ সালে সমীক্ষার হিসাবে বলা হয়েছিল, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) পাবে ১৮৬টি আসন আর কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন (ইউপিএ) পাবে ১৯৭টি আসন। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেছে এনডিএ পেয়েছে ১৬০টি আসন আর ইউপিএ পেয়েছে ২৬০টি আসন।

আবার ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সমীক্ষার হিসাবে বলা হয়েছিল জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ) পাবে ২৮৮টি আসন আর কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন (ইউপিএ) পাবে ১০২টি আসন। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে এনডিএ পেয়েছে ৩৩৬টি আসন আর ইউপিএ পেয়েছে মাত্র ৫৯টি আসন।

তাই আগামী ৫ বছরের জন্য কোন দল ভারতের সরকার গঠন করবে তা নির্ধারণ করতে অপেক্ষা করতে হতে ২৩ মে পর্যন্ত। আগামী ২৩ মে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। 

ওডি/কেএম
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড