• সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ পম্পেওর

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০ জানুয়ারি ২০২১, ১৫:৩৪
চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ পম্পেওর
বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও (ছবি : সিএনএন)

শাসনকালের শেষ দিনেও বিতর্ক তৈরি করল ট্রাম্প প্রশাসন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনলেন। তার বক্তব্য, চীন উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যা করছে। বাইডেনের টিম অবশ্য বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

ট্রাম্পের আমলে বেইজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) পম্পেওর মন্তব্য সেই কফিনে শেষ পেরেক বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।

এর আগেও উইঘুর মুসলিমদের উপর চীনের অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছে অ্যামেরিকা। শিনজিয়াং প্রদেশের বেশ কিছু প্রশাসনিক ব্যক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবেন না। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পর্যন্ত উইঘুর মুসলিমদের উপর চীনের অত্যাচারের প্রসঙ্গ একাধিকবার সামনে এনেছে। তবে এই প্রথম 'গণহত্যা' শব্দটি ব্যবহার করা হলো।

পম্পেও বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন, ২০১৭ সাল থেকে শিনজিয়াং প্রদেশে লাগাতার গণহত্যা চালাচ্ছে চীন। লাখ লাখ মানুষকে বন্দি করা হচ্ছে। তাদের ধর্মাচরণ করতে দেওয়া হচ্ছে না। জন্মনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুধু উইঘুর নয়, আরও বেশকিছু ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সঙ্গে একই আচরণ করা হচ্ছে। নাম না করলেও তিনি যে তিব্বতে বৌদ্ধদের সঙ্গে চীনের আচরণের কথা বলতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট।

আরও পড়ুন : এক নজরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামল

করোনাকালে চীনের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পর্ক সবচেয়ে খারাপ হয়। ট্রাম্প-পম্পেওর চীনবিরোধী নীতি ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিচ্ছিল। অনেকরই ধারণা, বাইডেন ট্রাম্পের মতো কঠিন অবস্থান নেবেন না। তবে ট্রাম্পের নীতি থেকে তিনি একেবারে সরেও আসতে পারবেন না। চীন বিষয়ে যে কোনো অবস্থান নেওয়া সময়েই ট্রাম্পের নীতিগুলি সামনে চলে আসবে।

বস্তুত, সে কারণেই পম্পেও সরকারি ভাবে চীনের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ নথিভুক্ত করে রাখলেন বলে কোনো কোনো মহল মনে করছে। চীন নিয়ে বাইডেন নরম অবস্থান নিতে গেলে এই নথিটি সামনে চলে আসবে।

আরও পড়ুন : অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন জ্যাক মা

চীন অবশ্য পম্পেওর বিবৃতি নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অতীতে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেলের প্রশ্নের মুখে এ বিষয়ে মুখ খুলেছিল চীন। জানিয়েছিল, উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হয়, তা ঠিক নয়। যদিও চীন থেকে পালানো উইঘুর মুসলিমদের অনেকেই অত্যাচারের কথা বর্ণনা করেছেন।

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড