• সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

নার্সিং ও টেকনোলজি কোর্স কারিগরি বোর্ডের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন 

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৪০
অধিকার
ছবি : সংগৃহীত

মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং শিক্ষাদানের আলাদা বোর্ড গঠন না করা পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বোর্ড এ্যাফিলিয়েটেড সোসাইটি ফর মেডিকেল টেকলজী।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে তারা জানান, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও নার্সিং কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত সনদ আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণ না করায় ২০০৫ সালে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং শিক্ষাক্রম চালু হয়। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গুরুত্বপূর্ণ এই কোর্স দুটি স্বাস্থ্য বিষয়ক। তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে সুস্পষ্ট আইনের আওতায় পরিচালিত হবে। যদিও চিকিৎসা বিজ্ঞানের স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

এমবিবিএস, বিএসসি, বিএসসি মেডিকেল টেকনোলজি, বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি ইত্যাদি সনদ বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে থাকে। যেহেতু বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও নার্সিং ও ফার্মেসী কাউন্সিল কোন স্বীকৃত বোর্ড নয়, তাই বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স দয়ের সনদ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকগ্রহণ যোগ্যতা পেয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা উক্ত বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন।

তারা আরও জানান, আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভার কারিগরি বোর্ডকে এই শিক্ষাক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করে এই মর্মে যে, যতদিন মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং শিক্ষাদানের আলাদা বোর্ড না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। পরবর্তীতে উক্ত শিক্ষার্থীদের মাঠ প্রশিক্ষণে সকল সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গুলোতে অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে আপত্তি করে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও নার্সিং কাউন্সিল আদালতে শরণাপন্ন হয়। নার্সিং লাইসেন্স প্রদান করা, শিক্ষা সনদ প্রদান করা নয়। আদালতের প্রতিটি বিচার ব্যবস্থায় কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠান গুলো জয়লাভ করে এবং শেষ নির্দেশনায় উল্লেখ থাকে যে, ওয়ান আমব্রেলা কনসেপ্ট বাস্তবায়ন করা। যথা : শিক্ষা সনদ প্রদান করবে বোর্ড তদারকি করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়/নার্সিং ও ফার্মেসী কাউন্সিল। ২০১৮ সালের উক্ত মেডিকেল টেকনোলজি শিক্ষা ও নার্সিং পরিচালনার জন্য কারিগরি শিক্ষার আওতায় আইন পাস হয়, যেটা মানব সম্পদ উন্নয়নে কল্যাণকর।

বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসলে নির্দেশনা হলো উভয় পক্ষকে সমন্বয় করার আদেশ। যথা ছাত্র-ছাত্রীদের চাকরি/লাইসেন্স প্রদান ও এক ছাতার নিচে এনে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গুলোকে পরিচালনা করা, পক্ষান্তরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে কারিগরি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি স্থগিত ও নতুন করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও নার্সিং কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ৪৫০টি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়ার প্রক্রিয়ার সামিল।

প্রতিষ্ঠান গুলোতে বর্তমানে ৩০ হাজার ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত সঙ্গে শিক্ষকবৃন্দ/কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। যা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলি রক্ষা করার আবেদন জানান তারা।

তাদের দাবি গুলো হলো:

১. অবিলম্বে প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা।

২. ওয়ান আমব্রেলা কনসেপ্ট বাস্তবায়ন (সনদ প্রদান বোর্ড ও তদারকি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়)।

৩. যতদিন একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং শিক্ষা বোর্ড না হয় তত দিন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় শিক্ষা ব্যবস্থা পূর্বের ন্যায় পরিচালনা করা, কারণ বোর্ড ছাড়া কেউ এইচএসসি সমমান সনদ দিতে পারে না। অন্য দিকে নার্সিং ও মেডিকেল টেকনোলজি এইচএসসি সমমান মর্যাদা প্রয়োজন (চাকুরীক্ষেত্রে)

৪. মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং শিক্ষা পরিচালনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আন্তর্জাতিক মানের বোর্ড তৈরি যাতে ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে লাভবান হতে পরে।

আপনার ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা, আয়োজন/ অসন্তোষ সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড