• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

এখনও ব্যাংকপাড়ায় কাটেনি ঈদের আমেজ

  অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক

০৯ জুন ২০১৯, ১৩:৩০
শুভেচ্ছা বিনিময়
কর্মকর্তারা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন (ছবি: সংগৃহীত)

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পাঁচদিন বন্ধ শেষে রবিবার (৯ জুন) কর্মস্থলে যোগদান করেছে ব্যাংকের কর্মকর্তারা। তাই অফিস শুরু হলেও ব্যাংকারদের মাঝে ঈদের আমেজ রয়ে গেছে। তাছাড়া এখনও ব্যাংকপাড়ায় জনসাধারণ ও গ্রাহকদের তেমন উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। তবে সরকারি ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয়পত্রের উপকারভোগীদের কিছুটা ভিড় লক্ষ করা গেছে।   

রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও অন্যান্য শাখা অফিস ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।  

ব্যাংকগুলো ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে গ্রাহক-কর্মকর্তাদের উপস্থিতি অনেক কম। বাংলাদেশ ব্যাংকেও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিও সেভাবে দেখা যায়নি। এছাড়া অধিকাংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শাখাগুলোতে কর্মকর্তাদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে।

আর যারা অফিসে এসেছেন, তাদের একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটির পর প্রথম সরকারি কার্যদিবস হওয়ায় উপস্থিতি কম। 

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের স্থানীয় শাখায় গিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ ব্যাংকিংয়ের জন্য গ্রাহকদের তেমন কোনো ভিড় নেই। তবে সঞ্চয়পত্রের উপকারভোগীরা লম্বা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। 

অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ছুটির কারণে সঞ্চয়পত্রের সুদের টাকা তুলতে পারিনি। ঈদের পরে ব্যাংক খোলায় মুনাফার টাকা নিতে এসেছি। 

মতিঝিলে এছাড়া রূপালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংকের স্থানীয় শাখা ঘুরে সঞ্চয়পত্রের সুদ, বিদ্যুৎ বিল, ট্র্যাভেল ট্যাক্স প্রদানকারীদের দুই-একজন কাউন্টারে উপস্থিত হতে দেখা গেছে। তবে নগদ জমা ও উত্তোলনের কাউন্টারগুলোকে কোনো গ্রাহকের দেখা মেলেনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের পর রবিবার প্রথম কার্যদিবস হওয়ায় ঈদের আমেজ এখনো পুরোপুরি কাটে নি। এছাড়া ঘরমুখী মানুষ এখনও ঢাকায় ফিরে আসছেন। এ সপ্তাহে ব্যাংকগুলোতে লেনদেন অনেকটা ঢিলেঢালা ভাবে চলবে। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম আবার জমে উঠবে। 
সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখার মহাব্যবস্থাপক মো. সাহজাহান বলেন, ঈদের ছুটিতে অনেকেই গ্রামে চলে গেছেন। তারা ফিরে আসার পরে হয়তো ব্যাংকপাড়া জমজমাট হবে।

এছাড়া মতিঝিলে অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলোতেও গ্রাহকের উপস্থিতি ও লেনদেন তেমন চোখে পড়ে নি।সোনালী-রূপালী ও অগ্রণী ব্যাংকের স্থানীয় শাখায় কিছু গ্রাহককে লেনদেন করতে দেখা গেছে। আর বেসরকারি দু-একটি ব্যাংকে আমদানি-রপ্তানির এলসি খোলা হয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা। 

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড