• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

  পাবনা প্রতিনিধি

১৩ জুন ২০১৯, ১০:২৫
ধর্ষণ
ছবি : প্রতীকী

পাবনায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী (১২) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপে ধামাচাপা দিতে গিয়ে বুধবার (১২ জুন) ঘটনাটি জানাজানি হয়। 

ছাত্রীর বাবা ও চাচা জানান, ছাত্রীটি একদন্ত হাইস্কুলের পাশে ওই স্কুলের খণ্ডকালীন (পার্ট টাইম) শিক্ষক আরিফুল ইসলাম আরিফের পরিচালিত কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার সময়ে একদন্ত হাইস্কুলের সামনের কসমেটিকসের দোকানদার ও একদন্তের নরজান গ্রামের আব্দুল্লাহের ছেলে আকাশ (২২) ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক একদন্ত কলেজের অদূরে ফাঁকা সড়কে একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। 

এ সময় চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় মেয়েটি। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে এ সময় আকাশ পালিয়ে যায়। মেয়েটির অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

একদন্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আকাশ নামের ছেলেটির বিরুদ্ধে এর আগেও একই ধরনের কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া দরকার।

একদন্ত হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, মেয়েটি আমার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র আকাশ মেয়েটির উপর নির্যাতন করেছে এমনটি লোকমুখে শুনেছি। ঘটনাটি সত্য হলে চূড়ান্ত শাস্তি দাবি করি। 

কোচিংয়ের পরিচালক আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। ঘটনার পর থেকে মেয়েটি কোচিংয়ে আসেনি। তবে এলাকায় আকাশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। 

আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আকরাম আলী বলেন, ডাক্তারি রিপোর্ট বা মেয়েটির জবানবন্দি ছাড়া ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারছি না। মেয়েটির অভিভাবকেরা থানাতে বা আদালতে মামলা করলে আসামি গ্রেপ্তারসহ সকল ধরনের আইনগত সহায়তা প্রদান করা হবে। 

এদিকে মেয়ের চাচা বুধবার (১২ জুন) দুপুরে বলেন, গত সোমবার এই ঘটনা ঘটলেও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য চাপ ছিল। অভিযুক্ত আকাশের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের বিলম্ব হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, বুধবার (১২ জুন) আদালতের মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পাইনি।  

ওডি/এসজেএ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড