• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

দৈনিক অধিকারে খবর প্রকাশের পর মামলা, গ্রেফতার ১

  শেরপুর প্রতিনিধি

১৩ জুন ২০১৯, ০৩:৪২
গ্রেফতার
ছবি : ফাইল ফটো

মঙ্গলবার (১১ জুন) ৮টা ৪৫ মিনিটে দৈনিক অধিকারে ‘অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন!’ এই শিরোনামে অনলাইনে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। আর এ প্রতিবেদন দেখার পর রাতেই নির্যাতিতার মামলা নিয়েছে পুলিশ। 

মামলায় নির্যাতিতা গৃহবধূর ভাসুর আবু সালেহ (৫২), নেছার উদ্দিন (৪৮) ও সলিমুল্লাহ (৪৪), জা লাখী আক্তার (৩৪), জা এর বড়বোন নাসিমা আক্তার (৩৯), পৌর কাউন্সিলর রূপালী বেগম (৩৫), তার স্বামী আমিরুল ইসলাম (৪৫), প্রতিবেশী তাফাজ্জল হোসেন (৪৪) তার ছেলে ইসমাইল হোসেনসহ (২০) নয়জনকে এবং আরও অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করে। 

এদের মধ্যে বুধবার (১২ জুন) সকালে নাসিমা আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে নকলা উপজেলার ভুরদি গ্রামের আব্দুল মোতালেবের মেয়ে এবং ভিকটিম ডলি খানমের জা।

নির্যাতিতা গৃহবধূর স্বামী শফিউল্লাহ জানান, শুনছি একজন গ্রেফতার হয়েছে। সব আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করেন তিনি।

শেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেন দৈনিক অধিকারকে বলেন, নির্যাতিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, নকলা পৌর শহরের কায়দা গ্রামের মৃত হাতেম আলীর ছেলে মো. শফিউল্লাহর সঙ্গে এক খন্ড জায়গা নিয়ে তার সহোদর বড় ভাই আবু সালেহ (৫২), নেছার উদ্দিন (৪৮) ও সলিম উল্লাহর (৪৪) বিরোধ ও দেওয়ানী মোকদ্দমা চলছিল। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১০ মে সকালে ওই এলাকার গোরস্থান সংলগ্ন শফিউল্লাহর দখলীয় জমির বোরো ধান আবু সালেহ ও তার লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে কাটতে গেলে শফিউল্লাহ বাধা দেয় বলে অভিযোগ নির্যাতিতার। পরে প্রতিপক্ষের ধাওয়া খেয়ে নির্যাতিতা সেখান থেকে চলে গেলে আবু সালেহর নেতৃত্বে একদল লোক ধান কাটতে শুরু করে। 

এ সময় শফিউল্লাহর তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ডলি খানম চিৎকার দিয়ে বাঁধা দিতে গেলে আবু সালেহর হুকুমে তার ছোট ভাই সলিমউল্লাহ, ভাইবউ লাখী আক্তারসহ অন্যান্যরা তাকে ঘেরাও করে ফেলে। 

এক পর্যায়ে তার চোখে মুখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে তাকে টানা-হেঁচড়া করে পাশের ক্ষেতের আইলের থাকা ইউক্যালিপটাস গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ফেলে। 

পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ডলি খানমকে উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত আবু সালেহ ও তার ছোট ভাই বউ লাখী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসার কথা বলে ডলি খানমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর পর হঠাৎ করেই ছাড়া পেয়ে যান আটক দুইজন। 

ওডি/এএসএল

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড