• শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আখাউড়ায় নাজু হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি

  সাদ্দাম হোসেন, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

২০ মার্চ ২০২১, ১৩:৫৯
চাঞ্চল্যকর নাজু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
চাঞ্চল্যকর নাজু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন। (ছবি : দৈনিক অধিকার)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় চাঞ্চল্যকর নাজু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২০ মার্চ) সকালে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের শেখ মার্কেট এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

নিহত নাজুর পিতা মোহাম্মদ আবুল হোসেন ও মা আমেনা জানান, তাদের ছেলে নাজুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আনোয়ার, খোকন, রাসেল ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। রাসেল গ্রেপ্তার হলেও হত্যা মামলার অন্য দুই পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেন ও খোকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার আইনের আওতায় এনে ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানান তারা।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৪ জুলাই দুপুরে আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মিনারকুট গ্রামের ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মো. নাজু মিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রথমে আখাউড়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে নিহত নাজুর বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পিবিআইকে তদন্তের আদেশ দেন। পিবিআইয়ের এসআই মিজানুর রহমান আট মাসের তদন্তে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেন।

আরও জানা যায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসানের আদালতে সোপর্দ করা হলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানায়, নাজু মিয়াকে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাদক ক্রয় ও পরিবহনের কাজে ব্যবহার করতো রাসেল মিয়াসহ স্থানীয় একটি মাদক চোরাচালান চক্র। ঘটনার কিছুদিন আগে নাজু মিয়া অগ্রিম টাকা নিয়ে মাদক সরবরাহ করেনি। সে মাদক চোরাচালানের তথ্য পুলিশের কাছে ফাঁস করে দিতে পারে এ সন্দেহে রাসেল মিয়া ও তার সহযোগীরা নাজু মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে ভারতীয় সীমান্তের কাছে নিয়ে হত্যা করে। পরে নাজুর লাশ ফেলে দিয়ে মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল মিয়া নাজুকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। নিহত নাজুর বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ওডি/জেআই

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড