• বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আনোয়ারায় খুলে দেওয়া হলো ১২০টি আশ্রয়কেন্দ্র

  আনোয়ারা প্রতিনিধি

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:৪৯
আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদ
আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমদ (ছবি : দৈনিক অধিকার)

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ প্রবল বেগে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় চট্টগ্রামের আনোয়ারায় উপকূলের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অবস্থায় উপকূলবাসীর জন্য উপজেলার ১২০টি আশ্রয়কেন্দ্রের সব কয়টি খুলে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস থেকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের প্রচারিত হলে এ উপকূলবাসীর মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আনোয়ারার উপকূলীয় এলাকা রায়পুর, গহিরা, সরেঙ্গা, দক্ষিণ গহিরা, চুন্নাপাড়া, জুঁইদন্ডি, খুরইশকুল, পারকি ও বারশত এলাকার মানুষ ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। অনেকই বাড়িঘর ছেড়ে নিকটাত্মীয় ও নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছে। এলাকার লোকজনের চেয়ে আশ্রয়স্থল কম ও টেকসই বেড়ি বাঁধ না হওয়ায় মানুষ দিনের বেলাতেই নিরাপদস্থলে চলে যেতে শুরু করে।  

এ দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র ঝুঁকি এড়াতে আনোয়ারা উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও ঘূর্ণিঝড় অফিস। ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি এড়াতে কন্ট্রোল রুম ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আনোয়ারার রায়পুর,বারশত ও জুঁইদন্ড ইউনিয়নকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নত করে এসব এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে সিপিপি'র ১ হাজার ৪শ স্বেচ্ছাসেবক কর্মী মাঠে রয়েছে। সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জোবায়ের আহমদ রায়পুর বারশত, জুঁইদন্ডি, বরুমচড়াসহ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। উপজেলার ১২০টি আশ্রয়কেন্দ্রের সব কয়েকটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

রায়পুর ইউনিয়নের রেড ক্রিসেন্ট কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল সোহান জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল সম্পর্কে সচেতন করতে আমরা মাইকিং করে নিরাপদে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করলেও  এখন পর্যন্ত অনেক মানুষ বাড়ি ঘর ছেড়ে যেতে চাচ্ছে না। 

রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানে আলম জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় মানুষকে সচেতন করতে সকাল থেকেই মাইকিং করা হচ্ছে। দুপুরে পরিষদের মেম্বার ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিয়ে সচেতনতামূলক পরামর্শ ও মাইকের মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। পরিষদের পক্ষ থেকে ১শ জন কর্মী মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জোবায়ের আহমদ জানান, চট্টগ্রামে সবচেয়ে ঝুঁকিতে আনোয়ারা উপকূল। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে, সব মসজিদের মাইকে প্রচার, প্রতিটি ইউনিয়নে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে মেডিকেল টিম, বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার প্রস্তত রাখা হয়েছে।

ওডি/ এফইউ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড