• বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

রোজা রেখে খেলছেন বাংলাদেশ লিগের ফুটবলাররা

  ক্রীড়া ডেস্ক

০৮ মে ২০২১, ১৬:০২
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় লেগ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় লেগ। (ছবি: সংগৃহীত)

রমজান মাসে চলছে ইউরোপের ঘরোয়া ফুটবল লিগের পাশাপাশি আকর্ষণীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এই সকল ম্যাচে অনেক তারকা ফুটবলার রোজা রেখেই খেলছেন। ম্যাচ চলাকালীন সময় সাইড লাইনে গিয়ে পগবার পানি পান করে রোজা ভাঙার দৃশ্যটি সারা বিশ্বে আলোচিত ও সমাদৃত হয়েছে। চেলসির ফরাসি ফুটবলার এনগোলো কান্তেও রোজা রেখে ম্যাচ খেলেছেন।

রমজানের মধ্যেই ৩০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় লেগ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দিনে তিনটি করে ম্যাচ চলছে। তীব্র গরম এবং ম্যাচের চাপের জন্য অনেকে রোজা রাখতে পারছেন না। আবার এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও রোজা রাখছেন অনেক দেশি ও বিদেশি ফুটবলার। রেলিগেশন জোনে অবস্থান ব্রাদার্স ইউনিয়নের। দ্বিতীয় লেগে দ্বিতীয় ম্যাচটি ব্রাদার্সের ছিল বিকেল চারটায় ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচে ব্রাদার্সের উজবেক ফুটবলার ফোরকাত ও গাম্বিয়ান ফুটবলার মামুদু বাহ রোজা রেখেই খেলেছেন।

উজবেক ফুটবলার ফোরকাত রোজা রেখে খেলায় কোনো সমস্যা বোধ করেননি বলে জানান, ‘একজন মুসলিম হিসেবে রোজা পালন করা আমাদের দায়িত্ব। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে খেলাও দায়িত্ব। আমি দুইটি দায়িত্ব ভালো মতো পালন করছি।’

তার সতীর্থ মামুদু বাহ বাংলাদেশে খেলছেন কয়েক বছর যাবৎ। বাংলাদেশের ফুটবলে মাঝে মধ্যে রোজায় খেলা পড়ে। তার রোজার মধ্যে খেলার অভ্যাস রয়েছে, ‘আমি এর আগেও বাংলাদেশে রোজা রেখে খেলেছি। এবারও খেলেছি।’

ব্রাদার্সের দ্বিতীয় লেগের দুইটি ম্যাচ রাত নয়টায় ছিল। রোজা পালনের পর ইফতার শেষে ক্লান্তি ভর করে। ইফতারের পর রাত নয়টায় খেলতে কোনো সমস্যা মনে করেন না বাহ, ‘ইফতারের পর দুই ম্যাচ খেলেছি। পারফরম্যান্সে কোনো সমস্যা হয়নি।’

মোহামেডানে চার বিদেশির মধ্যে তিন জন মুসলিম। মালিয়ান সুলেমান দিয়েবাতে ম্যাচের দিন রোজা রাখতে পারছেন না। দ্বিতীয় লেগে মোহামেডানের তিনটি ম্যাচেই বিকেল চারটায় এটি রোজা রাখার অন্তরায় মনে করছেন তিনি, ‘ইউরোপের ফুটবলারদের অনেকে রাখতে পারছেন কারণ সেখানে আবহাওয়া এখানকার মতো গরম না। এই গরমে বিকেল চারটায় রোজা রেখে ম্যাচ খেলা খুবই কঠিন।’

ম্যাচের দিন রোজা রাখতে না পারলেও ম্যাচের পরের দিন ঠিকই রোজা রাখছেন তারা। মোহামেডানের ক্যামেরুনের ইয়াসেন বলেন, ‘আমরা তিনজন ম্যাচের পরের দিন রোজা রাখি। কোচের নির্দেশে ম্যাচের দিন ও আগের দিন রোজা রাখি না যাতে পানিশূন্যতা না হয়।’

মোহামেডানের ম্যাচ রাত নয়টায় হলে রোজা রাখতে পারতেন বলে মনে করেন সুলেমান, ‘আমাদের তিনটি ম্যাচই বিকেলে পড়েছে। এজন্য কঠিন হয়েছে রোজা রাখাটা। সন্ধ্যা সাতটায় বা রাত নয়টায় ম্যাচ হলে ওই দিন আমি রোজা রাখতাম।’

৩০ এপ্রিল লিগ পুনরায় শুরু হয়েছে। লিগ শুরুর আগে ঢাকা আবাহনীর অধিকাংশ ফুটবলার রোজা ছিলেন বলে জানান ম্যানেজার সত্যজিত দাস রুপু, ‘৩০ এপ্রিল লিগ শুরু হওয়ার দুই তিন আগ পর্যন্ত আমাদের প্রায় ১৫ জনের মতো ফুটবলার রোজা রেখেই অনুশীলন করেছে। এখন অবশ্য রোজা রাখতে পারছে না অনেকে।’

সাইফ স্পোর্টিংয়ের এশিয়ান কোটার ফুটবলার সিরোজুদ্দিন রহমাতুলেভ রোজা রেখে দুই ম্যাচ খেলেছেন। অনেক ক্লাবের ফুটবলার ম্যাচের দিন রোজা রাখতে না পারলেও অনুশীলনের দিনগুলোতে রাখেন অনেকেই। ঈদের আগে ১১ মে সর্বশেষ দিনে মাঠে নামবেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলাররা।

ওডি/জেআই

jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড