• বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বিপুল অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম, অভিযোগ খোদ বাফুফে সহসভাপতির!

  ক্রীড়া ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৩২
বাফুফে
বাফুফের লোগো ও সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি (ছবি: সংগৃহীত)

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বিরুদ্ধে প্রায়ই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ শোনা যায়। তবে এবার বাফুফের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুললেন খোদ বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি। 

বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভাকে সামনে রেখে তিন বছরের আর্থিক বিষয়ে হিসাব-নিকাশ উপস্থাপন করে এর ওপর সবার মতামত চাওয়া হয়েছিল। নিজের মতামত পর্যবেক্ষণ আকারে পাঠিয়েছেন মহিউদ্দিন আহমেদ। সেখানে তিনি সর্বমোট ১৭ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। 

নিজের অভিযোগের ব্যাপারে মহিউদ্দিন বলেন, ‘গত সভায় বিগত তিন বছরের অডিট রিপোর্ট অনুমোদনের অ্যাজেন্ডা ছিল। তখন এই রিপোর্টের ব্যাপারে আমার অবজারভেশনের (পর্যবেক্ষণ) কথা বলেছি। এখানে কিছু অনিয়ম চোখে পড়েছে, আমি এটাকে দুর্নীতি বলছি না। তবে এটার ব্যাখ্যা চেয়েছি। এ ব্যাপারে যেন বাফুফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়, যথাযথ তদন্ত করে।’

অভিযোগের ব্যাপারে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকে লিখিত দিয়েছেন তিনি। এছাড়া বাফুফেতে অনেক সময় খরচের জন্য সাদা কাগজের ভাউচার ব্যবহার হয় বলে উল্লেখ করেন মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘২০১৫ সালে এজিএমে কাউন্সিলরদের একটি দাবি ছিল, প্রতিবছরের জন্য একটি বাজেট নির্ধারণ করে তা ব্যয় করতে হবে। সেটা করা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে টাকা খরচ করা হয়েছে, দেখানো হয়েছে এর চেয়ে বেশি। তিন লাখ টাকা হয়তো খরচ হয়েছে, কিন্তু দেখানো হয়েছে ১২ লাখ। কিছু খরচ সাদা কাগজের ভাউচারে করা হয়েছে। সাদা কাগজে কোনো ভাউচার গ্রহণযোগ্য নয়।’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘২০১৬ সালের অডিট রিপোর্ট কীভাবে ফিফা-এএফসির কাছে পাঠানো হয়েছে? অথচ সেটা নির্বাহী কমিটির কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি। এজিএম তো দূরের কথা, ২০১৭ সালের বাফুফের অডিট রিপোর্টও নির্বাহী কমিটিতে পাঠানো হয়নি। ২০১৮ সালের রিপোর্ট তড়িঘড়ি করে করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেটা বাদ দিয়েই ফিফার কাছে পাঠানো হয়েছে, যেটা সম্পূর্ণ অনৈতিক, অবৈধ।’

অন্যদিকে বাফুফের সিনিয়র সভাপতি ও অর্থবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদী এসব অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, ‘বিষয়টা আমি শুনেছি। কিন্তু এখনো কোনো কাগজপত্র হাতে পাইনি। আগে কাগজপত্র দেখি, তারপর মন্তব্য করব।’

ওডি/এমএমএ
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড