• সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬  |   ২৩ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ওয়ানডেতে যত হ্যাট্রিক

  ক্রীড়া ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৯
হ্যাট্রিক
বাঁ থেকে জালাল উদ্দিন, চেতন শর্মা, কপিল দেব, আকিব জাবেদ, তাসকিন আহমদে, রুবেল হোসেন, শাহাদাত হোসেন ও ব্রেট লি (ছবি: সংগৃহীত)

৪৮ বছরের ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এ পর্যন্ত ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪১৬৯। ওয়ানডে ক্রিকেটের এ সুদীর্ঘ ইতিহাসে হ্যাট্রিক হয়েছে মাত্র ৪৮ বার। ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো ওয়ানডে খেলে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম হ্যাট্রিক উপভোগ করার জন্য ক্রিকেট বিশ্বকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১১ বছর। ১৯৮২ সালে প্রথমবার ওয়ানডে ক্রিকেটে হ্যাট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন পাকিস্তানি বোলার জালাল উদ্দিন।

ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি হ্যাট্রিক করার গৌরব অর্জন করেছে শ্রীলঙ্কান বোলাররা। লঙ্কান বোলাররা সর্বমোট ৯টি হ্যাট্রিক করেছে। ৮টি হ্যাট্রিক নিয়ে এরপরের অবস্থানেই রয়েছে পাকিস্তানি বোলাররা। আর বাংলাদেশের বোলাররা ৫টি হ্যাট্রিক করে রয়েছে তালিকার চতুর্থ স্থানে।

চলুন জেনে নিই ওয়ানডেতে হওয়া  ৪৮টি হ্যাট্রিকের ইতিহাস:

জালাল উদ্দিন: 
জালাল উদ্দিনের হাত ধরে প্রথমবার হ্যাট্রিকের সাক্ষী হয় ক্রিকেট সমর্থকরা। হায়দ্রাবাদের নিয়াজ স্টেডিয়ামে ১৫৮ নম্বর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এ গৌরব অর্জন করেন তিনি। হ্যাট্রিক করতে তিনি আউট করেন রড মার্শ, ব্রুস ইয়ার্ডেকে।

ব্রুস রিড:
৪ বছর পর দ্বিতীয় হ্যাট্রিক করেন অজি বোলার ব্রুস রিড। ১৯৮৬ সালে ৩৫৯ নম্বর ওয়ানডেতে তিনি হ্যাট্রিক গড়েন। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টানা তিন বলে নিউজিল্যান্ডের ব্রুস ব্লাইর, এরভিন ম্যাকসুইনে ও স্টু গিলেস্পিকে আউট করেন তিনি।  

চেতন শর্মা:
পরের বছর বিশ্বকাপে তৃতীয় হ্যাট্রিকটি করেন ভারতীয় বোলার চেতন শর্মা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম হ্যাট্রিক। নাগপুরে তিনি কেন রাদারফোর্ড, ইয়ান স্মিথ, ইয়েন চ্যাটফিল্ডকে আউট করেন তিনি। তিনজনকেই বোল্ড করেন এ বোলার। এটি ছিল ৪৭৪ নম্বর ওয়ানডে। 

ওয়াসিম আকরাম:
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেফ ডুজন, ম্যালকম মার্শাল ও কোর্টলি এমব্রোসকে আউট করে ওয়ানডে ইতিহাসের চতুর্থ হ্যাট্রিক করেন পাকিস্তানি বোলার ওয়াসিম আকরাম। ১৯৮৯ সালে ৫৭০ নম্বর ওয়ানডেতে শারজাহ স্টেডিয়ামে এ কীর্তি গড়েন তিনি। তিনজনকেই বোল্ড করেন তিনি।

ওয়াসিম আকরাম:
পরের বছর একই স্টেডিয়ামে আবারো হ্যাট্রিক করেন আকরাম। এবার তার শিকার অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ৬৩১ নম্বর ওয়ানডেতে এ কীর্তি গড়তে তিনি আউট করেন মার্ভ হিউজেস, কার্ল রেকেম্যান ও টেরি এল্ডারম্যানকে। এবারো তিনজনকেই বোল্ড করেন এ বোলার। এছাড়া প্রথম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হ্যাট্রিকের মালিক হন আকরাম।

কপিল দেব:
১৯৯১ সালে ৬৬১ নম্বর ওয়ানডেতে ষষ্ঠ হ্যাট্রিকটি করেন কপিল দেব। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে এ কীর্তি অর্জন করেন তিনি। কপিল দেব আউট করেন রোশান মাহানামা, রুমেশ রত্নায়েকে ও সনাথ জয়সুরিয়াকে। 

আকিব জাবেদ:
ভারতের বিপক্ষে ১৯৯১ সালে ৬৮৫ নম্বর ওয়ানডেতে সপ্তম হ্যাট্রিকটি করেন আকিব জাবেদ। শারজাহ স্টেডিয়ামে তিনি আউট করেন রবি শাস্ত্রী, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন ও শচীন টেন্ডুলকারকে। 

ড্যানি মরিসন:
৮ম হ্যাট্রিক দেখতে অপেক্ষা করতে হয় তিন বছর। ১৯৯৪ সালে নিউজিল্যান্ডের ড্যানি মরিসন ৮৯৬ নম্বর ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষে হ্যাট্রিকের দেখা পান। ন্যাপিয়ারে তার শিকার কপিল দেব, সালিল আনকোলা ও নায়ান মঙ্গিয়া। তিনজনকেই বোল্ড করেন মরিসন।

ওয়াকার ইউনুস:
৯৬৬ নম্বর ওয়ানডেতে নবম হ্যাট্রিকের দেখা পান ওয়াকার ইউনুস। ১৯৯৪ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি এ কীর্তি গড়েন। ইস্ট লন্ডনের বুফেলো পার্কে এ বোলার আউট করেন ক্রিস হ্যারিস, ক্রিস প্রিঙ্গল ও রিচার্ড ডি গ্রিওনকে। তিনজনই সরাসরি বোল্ড আউট হন।

সাকলাইন মুস্তাক:
দুই বছর পর ১৯৯৬ সালে হ্যাট্রিক করেন আরেক পাকিস্তানি বোলার শাকলাইন মুস্তাক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পেশওয়ারে তিনি এ কীর্তি গড়েন। মুস্তাক আউট করেন গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, জন রেনি ও অ্যান্ডি হুইটলকে। এটি ছিল ১১৩৬ নম্বর ওয়ানডে।

এডু ব্রান্ডেস:
পরে বছর আবারো হ্যাট্রিক করেন জিম্বাবুয়ের এডু ব্রান্ডেস। ঘরের মাঠ হারারেতে ইংলিশ ব্যাটসম্যান নিক নাইট, জন ক্রাউলে ও নাসের হুসেইনকে পরপর তিন বলে আউট করেন তিনি। এটি ১১৫৮ নম্বর ওয়ানডে ছিল।

এন্থনি স্টুয়ার্ট:
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১১৬৪ নম্বর ওয়ানডেতে ১২তম হ্যাট্রিক করেন অজি বোলার স্টুয়ার্ট।  তিনি আউট করেন পাকিস্তানের  ইজাজ আহমেদ, মোহাম্মদ ওয়াসিম ও মঈন খানকে। ১৯৯৭ সালে তিনি এ কীর্তি গড়েন।

সাকলাইন মুস্তাক:
১৯৯৯ সালে লন্ডনে ১৪৭৯ নম্বর ওয়ানডেতে নিজের দ্বিতীয় হ্যাট্রিকটি করেন পাকিস্তানি বোলার সাকলাইন মুস্তাক। বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের হেনরি ওলঙ্গা, এডাম হ্যাকেল ও পমি এমবাঙ্গুয়াকে টানা তিন বলে আউট করেন তিনি। 

চামিন্দা ভাস:
দুই বছর পর ওয়ানডে ইতিহাসের ১৪তম হ্যাট্রিকটি করেন লঙ্কান বোলার চামিন্দা ভাস।  ২০০১ সালে ১৭৭৬ নম্বর ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি হ্যাট্রিক করেন। কলোম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে তিনি আউট করেন স্টুয়ার্ট কার্লিসলে, ক্রেইগ হুইশার্ট ও তাতেন্দা তাইবুকে।

মোহাম্মদ শামি:
২০০২ সালে ১৮০৮ নম্বর ওয়ানডেতে ১৫ নম্বর হ্যাট্রিকটি করেন মোহাম্মদ শামি। শারজাহ স্টেডিয়ামে উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান রিডলি জ্যাকবস, ক্যোরি কলিমোর ও ক্যামেরন কাফিকে আউট করে এ কীর্তি গড়েন তিনি।

চামিন্দা ভাস:
২০০৩ সালের বিশ্বকাপে ১৯৫০ নম্বর ওয়ানডেতে নিজের দ্বিতীয় হ্যাট্রিক করেন চামিন্দা ভাস। পিটারম্যারিটজবার্গে বাংলাদেশের বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েন ভাস। তিনি আউট করেন হান্নান সরকার, মোহাম্মদ আশরাফুল ও এহসানুল হককে।

ব্রেট লি:
২০০৩ বিশ্বকাপে আরও একটি হ্যাট্রিক করেন অজি বোলার ব্রেট লি। ১৯৯০ নম্বর ওয়ানডেতে কেনিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন তিনি। লি আউট করেন কেনেডি ওটিয়েনো, ব্রিজাল পাটেল ও ডেভিড ওবুয়াকে।

জেমস এন্ডারসন:
২০০৩ সালে আরও একটি হ্যাট্রিক দেখতে পায় ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ২০২৬ নম্বর ওয়ানডেতে ইংলিশ বোলার এন্ডারসন টানা তিন বলে আউট করেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান আবদুল রাজ্জাক, শোয়েব আখতার ও মোহাম্মদ শামিকে। লন্ডনের ওভালে এ বোলার হ্যাট্রিক করেন।

স্টিভ হার্মিসন:
২০০৪ সালে ২১৬৪ নম্বর ওয়ানডেতে আবারও ইংলিশ বোলার হ্যাট্রিক করেন। নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রীজে এ কীর্তি গড়তে স্টিভ হার্মিসন আউট করেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ কাইফ, লক্ষ্মীপতি বালাজি ও আশিস নেহরাকে।

শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট:
ওয়ানডের ২০তম হ্যাট্রিকটি আসে বাংলাদেশের বর্তমান পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টের হাত ধরে। ২০০৫ সালে বার্বাডোজে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিনি হ্যাট্রিক করেন। ২২৪৩ নম্বর ওয়ানডেতে তিনি আউট করেন ইয়ান বার্ডশ, ড্যারেন পাওয়েল ও ক্যোরি কলিমোরেকে। 

শাহাদাত হোসেন:
২৩৯৪ ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাট্রিকের দেখা পান কোনো বাংলাদেশি বোলার। ২০০৬ সালে হারারতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন। তিনি আউট করেন তাফাদযুয়া মুফাম্বিসি, এল্টন চিগাম্বুরা ও তাওয়ান্ডা মুপাইওয়াকে। এটি ছিল ওয়ানডে ইতিহাসের ২১তম হ্যাট্রিক।

জেরমি টেইলর:
২০০৬ সালে মুম্বাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিকের দেখা পান উইন্ডিজ বোলার জেরমি টেইলর। ২৪৩২তম ওয়ানডেতে তিনি এ কীর্তি গড়েন। টেইলর আউট করেন মাইকেল হাসি, ব্রেট লি ও ব্রাড হগকে।

শেন বন্ড:
হোবার্টের বেল্লেরিভ ওভালে হ্যাট্রিকের দেখা পান কিউই বোলার শেন বন্ড। ২০০৭ সালে ২৪৭৪ নম্বর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন তিনি। তার শিকার ক্যামেরন হোয়াইট, এন্ড্রু সাইমন্ডস ও নাথান ব্রাকেন।

লাসিথ মালিঙ্গা:
২০০৭ বিশ্বকাপে জর্জটাউনের প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টানা চার বলে চার উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েন লাসিথ মালিঙ্গা। তিনি আউট করেন শন পলক, এন্ড্র হল, জ্যাক ক্যালিস ও মাখায়া এন্টিনিকে। এটি ছিল ২৫৫৬ নম্বর ওয়ানডে।

এন্ড্রু ফ্লিনটফ:
সেন্ট লুসিয়াতে উন্ডিজদের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন এন্ড্রু ফ্লিনটফ। ২০০৯ সালে ২৮৩৩ নম্বর ওয়ানডেতে এ কীর্তি গড়েন তিনি। ফ্লিনটফ আউট করেন দীনেশ রামদিন, রবি রামপাল ও সুলেমান বেনকে। 

পারভেজ মাহরুফ:
২০১০ সালে ভারতের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন লঙ্কান বোলার পারভেজ মাহরুফ। ডাম্বুলায় ২৯৯৯ নম্বর ওয়ানডেতে হ্যাট্রিক করেন তিনি। মাহরুফ আউট করেন রবীন্দ্র জাদেজা, প্রবীণ কুমার ও জহির খানকে।

আব্দুর রাজ্জাক:
দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন আব্দুর রাজ্জাক। মিরপুরে ৩০৭৩ নম্বর ওয়ানডেতে রাজ্জাক টানা তিন বলে আউট করেন প্রসপার উতসেয়া, রেমন্ড প্রাইস ও ক্রিস্টোফার এম্পোফুকে।

কেমার রোচ:
৩১১২ নম্বর ওয়ানডেতে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন উইন্ডিজ বোলার কেমার রোচ। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে নয়া দিল্লীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে রোচ আউট করেন পিটার সিলার, বার্নার্ড লুটস ও ব্রেন্ড ওয়েস্টজীককে।

লাসিথ মালিঙ্গা:
রোচের পরের ম্যাচেই কেনিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন মালিঙ্গা। বিশ্বকাপে এটি মালিঙ্গার দ্বিতীয় হ্যাট্রিক। কলোম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মালিঙ্গার শিকার তন্ময় মিশ্রা, পিটার ওগন্দো ও শেম এনগোচে।

লাসিথ মালিঙ্গা:
২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করে তিন হ্যাট্রিক করা একমাত্র বোলার বনে যান মালিঙ্গা। ৩১৮৪ নম্বর ওয়ানডেতে কলোম্বোর প্রেমাদাসায় এবার মালিঙ্গার শিকার মিচেল জনসন, জন হ্যাস্টিংস ও জ্যাভিয়ার ডোহার্তিকে।

ড্যান ক্রিস্তিয়ান:
২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন অজি বোলার ড্যান ক্রিস্তিয়ান। মেলবোর্নে ৩২৫৩ নম্বর ওয়ানডেতে এ বোলার টান তিন বলে আউট করেন থিসারা পেরেরা, সাচিত্রা সেনানায়েকে ও নুয়ান কুলাসেকারাকে। 

থিসারা পেরেরা:
২০১২ সালে কলোম্বোতে পাকিস্তানের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন লঙ্কান বোলার পেরেরা। ৩২৭৫ নম্বর ওয়ানডেতে তিনি আউট করেন ইউনুস খান, শহিদ আফ্রিদি ও সরফরাজ আহমেদকে।

ক্লিন্ট ম্যাকে:
৩৪১৫ নম্বর ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন অজি বোলার ক্লিন্ট ম্যাকে। ২০১৩ সালে কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে এ কীর্তি গড়েন তিনি। তার শিকার কেভিন পিটারসন, জনাথন ট্রট ও জো রুট।

রুবেল হোসেন:
তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ২০১৩ সালে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন রুবেল। ৩৪২৩ নম্বর ওয়ানডেতে তার শিকার  ক্যোরি এন্ডারসন, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও জিমি নিশাম।

প্রসপার উতসেয়া:
২০১৪ সালে ৩৫১৮ নম্বর ওয়ানডেতে হ্যাট্রিক করেন জিম্বাবুয়ের বোলার প্রসপার উতসেয়া। হারারেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েন তিনি। উতসেয়া আউট করেন কুইন্টন ডি কক, রাইলি রুশো ও ডেভিড মিলারকে।

তাইজুল ইসলাম:
হ্যাট্রিক করা চতুর্থ বাংলাদেশি তাইজুল। মিরপুরে ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন তিনি। তার শিকার তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, জন নাইম্বু ও তেন্ডাই চাতারা। এটি ছিল ৩৫৫৯ নম্বর ওয়ানডে।

স্টিভেন ফিন:
২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন স্টিভেন ফিন। মেলবোর্নে ৩৬০০ নম্বর ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন তিনি। তার শিকার ব্রাড হাডিন, গেল ম্যাক্সওয়েল ও মিচেল জনসন।

জেপি ডুমিনি:
২০১৫ সালের বিশ্বকাপে সিডনিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন প্রোটিয়া বোলার জেপি ডুমিনি। ৩৬৪০ নম্বর ওয়ানডেতে তিনি আউট করেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, নুয়ান কুলাসেকারা ও থারিন্দু কুশালকে। 

কাগিসো রাবাদ:
পরের হ্যাট্রিকটিও একজন প্রোটিয়া বোলারের। ২০১৫ সালেই মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন রাবাদা। তিনি আউট করেন তামিম ইকবাল, লিটন দাস ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। এটি ছিল ৩৬৬৩ নম্বর ওয়ানডে।

জেমস ফকনার:
২০১৬ সালে কলোম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন অজি বোলার জেমস ফকনার। ৩৭৬৯ নম্বর ওয়ানডেতে ফকনারের শিকার কুশল পেরেরা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও থিসারা পেরেরা।

তাসকিন আহমেদ:
বাংলাদেশের হয়ে পঞ্চম ও সর্বশেষ হ্যাট্রিকটি করেন তাসকিন আহমেদ। শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলায় ২০১৭ সালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েন তিনি। তার টান তিন বলের শিকার আসলে গুনারত্নে, সুরাঙ্গা লাকমাল ও নুয়ান প্রদ্বীপ। এটি ছিল ৩৮৫৬ নম্বর ওয়ানডে।

ওয়ান্দু হাসরাঙ্গা:
২০১৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন লঙ্কান বোলার ওয়ান্দু হাসরাঙ্গা। গলেতে ম্যালকম ওয়ালার, ডোনাল্ড ট্রিপিয়ানো ও তেন্ডাই চাতারাকে আউট করে হ্যাট্রিক করেন তিনি। এ ম্যাচটি ছিল ৩৮৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

কুলদিপ যাদব
২০১৭ সালে ইডেন গার্ডেনে ৩৯১২ নম্বর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন ভারতীয় বোলার কুলদিপ যাদব। এ কীর্তি গড়তে টানা তিন বলে তিনি আউট করেন ম্যাথু ওয়েড, এস্টন অ্যাগার ও প্যাট কামিন্সকে। 

শিহান মাদুসঙ্কা:
মিরপুরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২০১৮ সালে হ্যাট্রিক করেন লঙ্কান বোলার শিহান মাদুসঙ্কা। ৩৯৬৭ নম্বর ওয়ানডেতে তিনি আউট করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, রুবেল হোসেন ও মাহমুদউল্লাহকে।

ইমরান তাহির:
২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন দক্ষিণ আফ্রিকান বোলার ইমরান তাহির। ব্লোয়েমফন্টেইনে তার টানা তিন বলের শিকার সেন উইলিয়ামস, পিতার মুর ও ব্রেন্ডন মাভুটা। এটি ছিল ৪০৫০ নম্বর ওয়ানডে।

ট্রেন্ট বোল্ট:
৪০৬৬ নম্বর ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন কিউই বোলার ট্রেন্ট বোল্ট। ২০১৮ সালে আবুধাবিতে তিনি আউট করেন ফখর জামান, বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজকে।

মোহাম্মদ শামি:
২০১৯ বিশ্বকাপের প্রথম হ্যাট্রিক করেছিলেন ভারতীয় বোলার মোহাম্মদ শামি। সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন তিনি। ৪১৬৯ নম্বর ওয়ানডেতে এ কীর্তি গড়েন তিনি। শামি আউট করেন মোহাম্মদ নবী, আফতাব আলম ও মুজিব-উর রহমানকে।

ট্রেন্ট বোল্ট:
২০১৯ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় হ্যাট্রিকটি করেন ট্রেন্ট বোলত। এটি এখন পর্যন্ত সর্বশেষ হ্যাট্রিক। লর্ডসে অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন তিনি। তার শিকার উসমান খাজা, মিচেল স্টার্ক ও বেহের্নড্রফ। এটি ছিল ৪১৭৮ নম্বর ওয়ানডে।

ওডি/এমএমএ 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪, ০১৯০৭৪৮৪৮০০ 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড