• বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর মূলমন্ত্র জানালেন ইমন

  ক্রীড়া ডেস্ক

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৫৪
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল (ছবি : সংগৃহীত)

প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেই শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতে যুবা টাইগাররা। ফাইনালে ভারতের ক্রিকেটারদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে আকবর আলীর দলের।

পুরো শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ জুড়েই দুদলের ক্রিকেটাররা স্লেজিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। বিশ্বকাপ নিয়ে যুবা টাইগাররা দেশে ফেরার পর জানা গেল, ভারতের বিপক্ষে করা স্লেজিংগুলো ছিল পরিকল্পনার অংশ। যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে স্লেজিং না করেও স্লেজিংয়ের শিকার হয় বাংলাদেশ। সেখান থেকেই এসেছে এই পরিকল্পনা।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বকাপজয়ী দলের ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ক্রিকেট বিষয়ক একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘স্লেজিং অনবরত চলেছে। আর গালাগালি এগুলো ক্রিকেটেরই একটা অংশ। অনেক বাজে ব্যবহারও হয়েছে যেগুলো অনেক সময় নেওয়ার মতো না। ক্যাপ্টেন ছিল, তিনি সব বুঝিয়েছে। ওইগুলো সহজে নিতে পেরেছি। আমরা শুধু আগ্রাসী খেলাটার চেষ্টা করেছি।’

গেল বছর যুবা এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে শিরোপা খোয়ায় বাংলাদেশ দল। আর সে ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়েছে যুবা টাইগাররা। ইমন বলেন, ‌‘এশিয়া কাপ থেকেই শিক্ষা নিয়েছি আমরা আগ্রাসী না খেললেও ওইসময় ওরা অনেক আগ্রাসী খেলেছে ওইখান থেকেই আমরা দেখেছি। আমাদেরকে বলেছে তোমাদেরও কঠোর হতে হবে। ওরা যেমন করেছে আমরাও এমন করেছি। যার কারণে মাঠে একটু সমস্যা হয়েছিল।’

ম্যাচ শেষে রীতিমতো হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে বাংলাদেশ-ভারত যুবাদের লড়াই। এই ঘটনায় অবশ্য শাস্তি পেয়েছেন বাংলাদেশের তিন ও ভারতের দুই যুবা ক্রিকেটার। ম্যাচের আগে স্লেজিং করার পক্ষে ছিল যুবাদের টিম ম্যানেজমেন্টও।

শুধু এশিয়া কাপ নয়, গত বছর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালেও ভারতীয় ক্রিকেটারদের স্লেজিংয়ের শিকার হয় বাংলাদেশ। দুই দফা চুপ থাকলেও বিশ্বকাপের ফাইনালে স্লেজিংকেই সাফল্যের মন্ত্র বানায় ক্ষুদে টাইগাররা।

বাংলাদেশ যুবা দলের ডানহাতি পেসার তানজিম হাসান সাকিব বলেন, ‘আমরা দুইবার ভারতের বিপক্ষে হেরেছি। একবার ইংল্যান্ডে, একবার এশিয়া কাপে। ওই হিসেবে একটা জিনিস শিখতে পেরেছি, ওদের সঙ্গে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে। ওদের যদি ডমিনেট না করি ওরা বোলারদের চড়াও হয়ে খেলতে যাবে। দলের পরিকল্পনা এটাই ছিল যে ওদের আমরা চড়াও হতে দেব না। প্রথম থেকেই ওদের আমরা ধরে রাখব। ওদের যত সুযোগ দেব ওরা আমাদের পেয়ে বসবে। এই জিনিসগুলোই শিখতে পেরেছি। ওদের সঙ্গে আগ্রাসী ক্রিকেটটাই খেলতে হবে।’

ওডি/এসএম

jachai
nite
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
jachai

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড