• সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

কাপাসিয়ায় খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা

  শরিফ সিকদার, কাপাসিয়া (গাজীপুর)

১৬ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:২১
কাপাসিয়া
খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা (ছবি : অধিকার)

শীত ক্রমেই জেঁকে বসেছে। শীতের আগমনের সাথে সাথে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য খেজুর রস সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন গাছিরা। রস সংগ্রহ করে গাছিদের তৈরি করা সুস্বাদু গুড় বাজারেও দেখা যাচ্ছে।

কাপাসিয়া উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে খেজুর রস সংগ্রহের জন্য এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা। গাছ থেকে রস সংগ্রহ, গুড় তৈরি, গুড়ের নানা রকম শীতকালীন পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে পুরো উপজেলা জুড়ে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টোক, রায়েদ, সিংহশ্রী, বারিষাব, চাঁদপুর এলাকার সড়কের পাশে খেতের আইলে ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় অধিকাংশ গাছ থেকেই আহরণ করা হচ্ছে খেজুরের রস। গাছ মালিকদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছে গাছিরা। সন্ধ্যা হলেই গাছে গাছে বাঁধা হয় মাটির হাঁড়ি। ভোরবেলার কুয়াশা ভেদ করে গাছিরা বাড়ি বাড়ি হাঁক ডাক দেন খেজুরের রস নিয়ে। যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি মিষ্টি রস পাওয়া যাবে বলে জানান তারা।

ভাকোয়াদী গ্রামের গাছি আনিসুর রহমান বলেন, দশ বছর ধরে রস সংগ্রহ করছি। দিনে দিনে গাছ কমছে। কমছে রসও। চলতি বছরে ৫০টি গাছ বেঁধেছি। গাছ মালিকদের দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই মণ রস থেকে গুড় তৈরি করি। ৩০০ টাকা কেজি দরে বাজারে খেজুরের গুড় বিক্রি হয়। এখন কয়েকদিন ধরে শীত বেশি তাই রসও বেশি পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে রসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

আরও পড়ুন : ইঞ্জিনিয়ার হয়েও একজন সফল উদ্যোক্তা জয়পুরহাটের তৌহিদ

কাপাসিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার বসাক বলেন, সঠিক পরিচর্যার অভাবে খেজুর গাছ কমছে। রস ও পাটালির চাহিদা এখনো রয়েছে। আবাদি জমির আইলে খেজুর গাছ রোপণ করা যেতে পারে। এছাড়া সড়ক, পুকুরপাড় ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় খেজুর গাছ রোপণ করে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পারি। নয়তো একসময় তা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

ওডি/এফই

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড