• রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬  |   ২৪ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য খুঁজবে এই টেলিস্কোপ

  প্রযুক্তি ডেস্ক

২০ জানুয়ারি ২০২০, ১০:৫৩
টেলিস্কোপ
ফাস্ট টেলিস্কোপ; (ছবি- সংগৃহীত)

ফাইভ-হান্ড্রেড-মিটার অ্যাপারচার স্ফেরিক্যাল টেলিস্কোপ নামের একটি টেলিস্কোপ বসানো হয়েছে চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি পাহাড়ের ওপর। সংক্ষিপ্তে ‘ফাস্ট’ নামে পরিচিত এই টেলিস্কোপটি বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ এবং শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপ। গত ১২ জানুয়ারি (রবিবার) আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়েছে।

চীন এই টেলিস্কোপের নাম দিয়েছে ‘স্কাই আই’ অর্থাৎ ‘আকাশ চোখ’। মহাবিশ্বের গভীরতম এবং অন্ধকারতম কোণে অনুসন্ধান করে বিশ্বের সৃষ্টি রহস্য খুঁজে বের করবে এই টেলিস্কোপটি। সে সঙ্গে জানাবে মহাবিশ্বের অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কি না।

নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে এই দূরবীনের ব্যাস ৫০০ মিটার বা আধা কিলোমিটার। এর আগে সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপের রেকর্ড ছিল পুয়ের্তো রিকোর আরিসিবো পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে থাকা টেলিস্কোপের। সেটির ব্যাস ৩০৫ মিটার। 

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেলিস্কোপের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এটি যে শুধু সবচেয়ে বড় যন্ত্র তা নয়, বর্তমানে সচল যে কোনো রেডিও টেলিস্কোপের চেয়ে এটি ২ দশমিক ৫ গুণ বেশি স্পর্শকাতর।

এই দূরবীন বা টেলিস্কোপ নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা শুরু হয় ১৯৯০ এর দশকে। তার পরিণতি পেতেই সময় লাগে প্রায় দুই দশক। ২০১৬ সালে প্রথমবার এই যন্ত্রের কার্যক্ষমতার পরীক্ষা করা হয়।

নির্মাতারা আশা করছেন যে, ফাস্ট রেডিও টেলিস্কোপটি যে সব সিগন্যাল ধরতে পারবে, তা থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং বিবর্তনের তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে। 

এই যন্ত্রের প্রধান কাজ হলো মহাকর্ষীয় তরঙ্গ অনুসন্ধান করা। সে সঙ্গে মহাজগতের অন্ধকার উপাদানগুলোর সমীক্ষার কাজ করবে এটি। অনুসন্ধান করবে মহাবিশ্বের অন্য কোথাও সভ্যতা আছে কি না তা নিয়ে। 

ফাস্ট টেলিস্কোপটির যে বৈশিষ্ট্যটি বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি উদ্দীপ্ত করছে তা হলো, মহাবিশ্বের তরঙ্গ বিস্ফোরণের (এফআরবি'স) তথ্য দ্রুত সনাক্ত করার ক্ষমতা। এ ধরণের তীব্র শক্তির বিস্ফোরণের স্থায়িত্বকাল হয় কেবল মিলি সেকেন্ড। 

আরও পড়ুন- সর্বোচ্চ উষ্ণতম ছিল গত দশক, অব্যাহত থাকার আভাস

এ ধরনের বিস্ফোরণের কারণ এখনো জ্যোতির্বিদদের কাছে একটি রহস্য। আর তাই এ ক্ষেত্রে পাওয়া নতুন যে কোনো তথ্য উপাত্ত বিজ্ঞানীরা আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করবেন।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক অধ্যাপক মিন ইয়ুন এ বিষয়ে বলছেন, মহাজাগতিক সংকেত অনুসন্ধান করার ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেবে ফাস্ট। এ ক্ষেত্রে আমাদের ক্ষমতা এখনো দুর্বল। 

সূত্র : বিবিসি বাংলা

ওডি/এনএম 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: 02-9110584, +8801907484800

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড