• বৃহস্পতিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

‘ফেসবুক সমাজের পঞ্চম স্তম্ভ’

  প্রযুক্তি ডেস্ক

১৯ অক্টোবর ২০১৯, ১৬:৪৩
জাকারবার্গ
মার্ক জাকারবার্গ (ছবি : সংগৃহীত)

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে সমাজের পঞ্চম স্তম্ভ বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বাকস্বাধীনতা বিষয়ে এক বিবৃতিতে এমন দাবি করেন ফেসবুক প্রধান।

মার্কিন রাজনীতিবিদরা ফেসবুক ভেঙে ফেলার কথা বলছেন। এর জবাব দিতেই জাকারবার্গ মুখ খুলেছেন। মার্ক জাকারবার্গের মতে, মানুষের মুক্তভাবে কথা বলার ক্ষমতা দিয়েছে ফেসবুক। এমন মন্তব্যও করেছেন তিনি।

জাকারবার্গ বলেন, ‘ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে মানুষ তার নিজের মতামত প্রকাশের ক্ষমতা রাখেন। সমাজের অন্যান্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পাশাপাশি ফেসবুক এখন একটি সমাজের পঞ্চম স্তম্ভ। সোশ্যাল মিডিয়া ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে সরাসরি মানুষের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। তাই মানুষকে এখন আর গতানুগতিক রাজনৈতিকদের দেখানো মিডিয়ার ওপর নির্ভর করতে হবে না।’

তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতার একক কেন্দ্রীকরণের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এখানে বাকস্বাধীনতা, আইন, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তির সংমিশ্রণের একটি ভিন্নধর্মী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

ফেসবুক প্রধান বলেন, এখানে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি রয়েছে তা হচ্ছে এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে প্রতিটি মানুষকে তার মত প্রকাশের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। খবর গ্যাজেটস নাও

মার্কিন সিনেটর এবং আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (২০২০) পদপ্রার্থী এলিজাবেথ ওয়ারেন ও কমলা হ্যারিসসহ একাধিক আইনপ্রণেতা ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে।

সম্প্রতি এলিজাবেথ ওয়ারেন ও কমলা হ্যারিস রাজনৈতিক প্রচারণায় ফেসবুকের অবস্থানসহ তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে ফেসবুক প্ল্যাটফর্মকে ভেঙে ফেলার আহ্বান জানান তারা।

ওডি/টিএএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড