• সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির অভাব মেটাচ্ছে সিঙ্গাপুর

  প্রযুক্তি ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:০১
পানি
পানির গ্লাস (ছবি : সংগৃহীত)

প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে জনসংখ্যা। বৈশ্বিক তাপমাত্রাও বাড়ছে। বিশুদ্ধ পানির প্রাকৃতিক উৎসও কমে যাচ্ছে। দিনে দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে এই রকম পরিস্থিতিতে ভয়াবহ পানি সংকটের আশঙ্কায় আগে থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করছে সিঙ্গাপুর। প্রযুক্তি ব্যবহার করার মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করছে সিঙ্গাপুর।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রতিদিন ৪৩০ মিলিয়ন গ্যালন পানি প্রয়োজন হয় সিঙ্গাপুরে। আগামী চার দশকে এই পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে!

এ কারণে খরচের হিসাব দেশটি ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ৫ মিলিয়নের বেশি মানুষের বাসভূমি সিঙ্গাপুর ঝরনা দিয়ে বেষ্টিত হলেও বিশুদ্ধ পানির জন্য তাদের নিজস্ব তেমন কোনো উৎস নেই। তারা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির উৎস ব্যবহার করে থাকে।

স্নাইডার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সিঙ্গাপুরের পানির সমস্যা মেটাতে কাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষকেরা বলছেন, আমরা নির্ভরযোগ্য পানি ব্যবহার করে আসছি, এটা দ্রুত পাল্টে যেতে পারে। তাই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। আগে থেকে অবকাঠামো নিয়ে ভাবতে হবে।

বিশুদ্ধ পানির সমস্যা মেটাতে প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে গবেষকেরা বলছে, পানির স্বাধীনতার জন্য বিশাল প্রস্তুতি নিতে হবে। আর এ জন্য প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতার বিকল্প নেই।

ইতোমধ্যে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। পানি চাহিদা পূরণে তারা ছোট এবং কালো স্পঞ্জ জাতীয় কার্বন ফাইবার অ্যারোজেল তৈরি করেছে। জানা যায়, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে অপচয় পানি বিশুদ্ধ করা যাবে।

সিঙ্গাপুরের স্টার্টআপ কোম্পানি ইকোওর্থ টেকনোলজি এরই মধ্যে উপাদানটি ব্যবসায়ীকভাবে ব্যবহার উপযোগী করতে কাজ শুরু করে দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির সিইও আন্দ্রে স্টল্টজ জানান, সিঙ্গাপুরের বর্জ্য পানির বাজারে তারাই প্রথম প্রবেশ করবেন। বৈশ্বিকভাবে যাতে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা যায় সেই চেষ্টাও করছেন তারা। তিনি আরও বলেন, এই সম্ভাব্য প্রভাব বড় কিছু উপহার দেবে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা মানুষের ব্যবহৃত পানিকে বিশুদ্ধতায় ভরে দিতে পারব।

অপরদিকে, সিঙ্গাপুরের ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়েটরোয়াম নামের আরেকটি কম্পানি ইতোমধ্যে তাদের আবিষ্কার পৌঁছে দিতে শুরু করেছে অন্য সব দেশে।

এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, পাতলা এবং সহজে বহনযোগ্য একটি পরিস্রাবণ ডিভাইস তৈরি করেছেন তারা। যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ৭৫ হাজার মানুষ পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে ব্যবহার করছে। এই ডিভাইসটি বাইসাইকেল পাম্পের মতো। তাদের তৈরি ডিভাইসটি দিয়ে দুই বছর পর্যন্ত কোনো গ্রামের ১০০ মানুষকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সম্ভব বলে জানায় ওয়েটরোয়াম কর্তৃপক্ষ।

ওডি/টিএএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪, ০১৯০৭৪৮৪৮০০ 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড