• মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

ফৌজদারি অভিযোগ তুলে হুয়াওয়ের বিরদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়ে
হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের অভিযোগে হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ তুলে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। ফলে নতুন করে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের আলোচনায় বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন বিচার বিভাগ হুয়াওয়ে ও এর প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুর বিরুদ্ধে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা ও তথ্য লুকিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছে। 

আরেকটি অভিযোগে তারা আরও জানিয়েছে, চীনা এ টেলিকম জায়ান্ট মার্কিন টি-মোবাইল কোম্পানির কাছ থেকে রোবোটিকবিষয়ক প্রযুক্তি চুরি করেছে। 

তবে হুয়াওয়ে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, টি-মোবাইলের সঙ্গে ২০১৭ সালেই তাদের এ বিষয়ক দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে।

বর্তমানে হুয়াওয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিকস সেলুলার টাওয়ার নির্মাতা ও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অত্যাধুনিক মোবাইল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান। 

দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল- তারা গোপনে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করছে। আলাদা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে রয়টার্স ২০১২ ও ২০১৩ সালে এ বিষয়ে সন্দেহ উসকে দিয়েছিল।

কানাডার কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে এর আগে হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফেইয়ের মেয়ে মেং ওয়ানঝুকে ১ ডিসেম্বর বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে। মেং হুয়াওয়ের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও ডেপুটি চেয়ারম্যান। 
 
পরে মেংকে জামিনে মুক্ত দেওয়া হয়। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সুপ্রিমকোর্টে মঙ্গলবার ফের তার হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে। কানাডার বিচার মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাকে তাদের কাছে হস্তান্তরে আনুষ্ঠানিক আবেদনও জানিয়েছে।

এ দিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, মেংয়ের গ্রেফতারের ‘বদলা হিসেবে’ চীনা নিরাপত্তারক্ষীরাও এরই মধ্যে অন্তত দুজন কানাডীয় নাগরিককে আটক করেছে। 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড