• মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ৪ পৌষ ১৪২৬  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

শিরোনাম :

থেরেসা মে : ব্রেক্সিট ইস্যুতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভোট জানুয়ারিতে||'নির্বাচনে জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপ আহ্বান'||রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রস্তাব আলোচনা বর্জন করেছে চীন ও রাশিয়া||৩০০ কোটি টাকায় দুটি রুশ হেলিকপ্টার কিনছে বিজিবি||বরখাস্ত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কোচ হোসে মরিনহো||সু চি’কে দেওয়া পুরস্কার প্রত্যাহার করল দক্ষিণ কোরিয়া||নির্বাচনি পরিবেশ স্বাভাবিক, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডও বিদ্যমান : সিইসি||জামায়াতের ২২ নেতার ‘ধানের শীষ’ বাতিলে আদালতে রুল||যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিএনপি   ||প্রতিশোধের রাজনীতি বন্ধের অঙ্গীকার করল বিএনপি 

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি  

হেলমেট পজিটিভ বিষয়, তবে সুযোগ নিচ্ছে একটি দল : শোভন 

আয়াজ উর রাহমান  
১৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৬:৩৬

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন
ছবি : বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনী আমেজের মধ্যেই হেলমেট রাজনীতি নিয়ে চলছে দেশের বৃহৎ দুই জোটের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই দলের ভাতৃপ্রতিম অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং বাংলাদেশ ছাত্রদলকে সামনে রেখে একে অপরকে দোষারোপ করে চলেছে। যা চলমান রাজনীতিতে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। দেশের চলমান এই হেলমেট রাজনীতি বিষয়ে দৈনিক অধিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। একই প্রসঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সারাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতারা। কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতারাও।       

সাক্ষাৎকারে : বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কাজেই এই ছাত্র সংগঠন কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। 

দেশের চলমান হেলমেট রাজনীতি প্রসঙ্গে শোভন বলেন, দেশে বর্তমানে যারা বাইক চালায় সকলেই কিন্তু হেলমেট পড়ে চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার এই বিষয়ে কঠোর আইন চালু করে দিয়েছে। এটা কিন্তু পজিটিভ বিষয়, নেগেটিভ কিছু না। তবে এর সুযোগ নিচ্ছে একটি দল। 

তিনি এ বিষয়ে আরও বলেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্ম তো খুবই চালাক। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে, তারা নিজেদের অপরাধ ঢাকতে মূলত হেলমেটের আশ্রয় নিচ্ছে। তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে ছাত্রলীগের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।  

নয়াপল্টনের ঘটনা সম্পর্কে শোভন বলেন, হেলমেট পড়ে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা কিন্তু বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঘটেছে। তাদের মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রমের মধ্যে ছাত্রলীগের যাওয়ার তো কোনো প্রশ্নই আসে না। 

বিএনপির আনা অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ড সবই ছাত্রদলের কাজ। এ ধরনের কাজের সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। 

ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন শিক্ষক মানুষ, ওনাকে আমরা শ্রদ্ধা করি। বিএনপিতে যদি কোনো ভালো মানুষ থেকে থাকেন তার মধ্যে ওনাকে অত্যন্ত ঠান্ডা মস্তিষ্কের একজন মানুষ ভাবি। তবে উনি যে ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন, আসলে তা আমাদের বোধগম্য নয়। ওনার মুখে এ ধরনের কথা আসলে মানায় না। এগুলো হাস্যকর কথা ছাড়া আর কিছুই না।  

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে ছাত্রলীগের এই নেতা আরও বলেন, বিএনপি দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। আর সে দলের একজন মহাসচিব হিসেবে আপনি এ ধরনের কথা বলতে পারেন না। 

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আমরা বলতে চাই, দেশের রাজনীতি এবং দেশের ভবিষ্যৎ তাহলে কোন দিকে যাচ্ছে? দেশের সম্পদ নষ্ট করার মতো কাজ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কখনোই করেনি এবং করবেও না। ছাত্রলীগ রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে। কাজেই রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট করার মতো কর্মকাণ্ড ছাত্রলীগ কখনোই করবে না। 

হেলমেটের উদ্যোক্তা কারা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেখুন এই হেলমেট পড়ে কারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, এই বিষয়টি বের করার দায়িত্ব আমাদের না। এটা আইনশৃংখলা বাহিনীর কাজ। আপনারা সাংবাদিক ভাইরা যারা আছেন, আপনারা বিভিন্ন বিষয় ভালো করে দেখলেই বুঝবেন আসলে কারা এ কাজগুলো করছে। 

তবে আবারও বলতে চাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ উশৃঙ্খল কোনো ছাত্র সংগঠন না, যে পুলিশের গাড়ির ওপর লাফ দেওয়ার মতো উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড করবে বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি। 

সবশেষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম এই ছাত্র সংগঠনের প্রধান বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করি। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দলই বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকুক এবং দেশকে নেতৃত্ব দিক সেটাই আমরা চাই। এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মানে দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, সেগুলো যেন আগামীতে সফল করতে পারেন সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাব বলে জানান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি।  

‘হেলমেট রাজনীতি’ যা বলছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন, জালাও-পোড়াও-ভাঙচুর এগুলো বিএনপি ও ছাত্রদলের নতুন কোনো কাজ নয়, তারা শুরু হতেই এগুলো করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের সম্পদ নষ্ট করছে। তারা নিজেরা হামলা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে দোষ দিচ্ছে। 

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি যে তিনি একজন দালাল মানুষ। তিনি নয়াপল্টনের হামলা সম্পর্কে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে দায়ী করছেন ঠিক, কিন্তু এর সম্পর্কে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেন নি। কিন্তু এইদিকে ছাত্রদলের বিপক্ষে আমাদের অনেক প্রমাণ আছে। যে ছেলে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে হামলার মূল হোতা ছিল সে কলা বাগান ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন।

বিএনপিকে গুজব বাদী দল আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তারা সব সময় গুজব সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। মূলত এই হামলাগুলো বিএনপির পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। 

একই প্রসঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বিএনপি দিশেহারা, ওদের নেত্রী দুর্নীতির দায়ে কারারুদ্ধ, যার কারণে পূর্বের ন্যায় এবারও নির্বাচন বানচাল করতে তারা জ্বালাও পোড়াও করছে। নয়া পল্টনের যে হামলা এতে ছাত্রলীগ কোনোভাবেই জড়িত নয় এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার যে আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার সাথে আমরাও একাত্মতা প্রকাশ করছি। 

এ বিষয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত হামলাকারীদের ছবি দেখে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় এটা ছাত্রদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ও দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিএনপি তাদের পেটুয়া বাহিনীকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছে।  

একই কথা বলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা। তিনিও ছাত্রদল এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ তুলে বলেন, বিএনপি ও ছাত্রদল নিজেরা এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে ছাত্রলীগের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চল বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা যে নাশকতা চালিয়েছে এবং পুলিশের ভ্যানে আগুন দিয়েছে, এটা তাদের ঐতিহ্যগত চরিত্র। গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তারা এর আগেও একই কাজ করেছে। যারা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করবে জাবি ছাত্রলীগ তাদের শক্ত হাতে দমন করবে।’   

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলমগীর টিপু বলেন, আমরা বিএনপির এহেন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে তারিখ ঘোষণা হয়েছে। সবার প্রত্যাশা সব দলকে নিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কিন্তু সেই পরিবেশ নষ্ট করার লক্ষে নয়া পল্টনে বিএনপি সে দিন তাণ্ডব চালিয়েছে। যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়।

পাশাপাশি এ নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্যেরও নিন্দা জানান টিপু। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তা ইতোমধ্যে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তিনি ক্ষমা বা দুঃখ প্রকাশ করেননি। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যে নির্দেশনা দিবে আমরা সে কর্মসূচি পালনে প্রস্তুত। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার হাতে গড়া সংগঠন। আমাদের আদর্শে এমন জ্বালাও পোড়াও নেই। এর সঙ্গে বিএনপি বা তাদের অঙ্গসংগঠনের লোকজন জড়িত। সেটা বিভিন্ন সময় প্রমাণিত হয়েছে। তারা জ্বালাও পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাসী। নির্বাচনকে প্রতিহত করার জন্য তারা চক্রান্ত করছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনেও তারা এ কাজগুলো করেছিল। এখন আবার নির্বাচনকে সামনে রেখে এমনটা শুরু করেছে।’ 

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘এ কর্মকাণ্ডের সাথে যারা যুক্ত তারা হলো ছাত্রদল। অলরেডি এটার প্রমাণও পাওয়া গেছে, এর সাথে জড়িত অনেককে চিহ্নিতও করা গেছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে তারা ছাত্রদলের।’ 

‘হেলমেট রাজনীতি’ যা বলছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় না তাই তারা বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে সেই দিন পরিকল্পিতভাবে পুলিশ দিয়ে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও পরবর্তী সময়ে তাদের এজেন্ট দিয়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে এটা জাতির কাছে স্পষ্ট। 

মিথ্যাচার আওয়ামী লীগের রাজনীতি, বিএনপি'র নয় তাই মহাসচিব এর বক্তব্য প্রত্যাহার নয় বরং ছাত্রলীগ তাদের এ অমূলক দাবি প্রত্যাহার না করলে ছাত্রদল এদেশের আপামর জনগণকে সাথে নিয়ে অচিরেই এর সমুচিত জবাব দেবে। 

অন্যদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ছাত্রলীগকে হেলমেট পরিয়ে হামলা করে ছাত্রদলের নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে। নির্বাচনমুখী দল বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য বর্তমান অগণতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের নীল নকশা এটি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন বলেন, হেলমেট বাহিনী নিয়ে দেশের মানুষের স্পষ্ট ধারণা আছে যে, এরা এই অবৈধ সরকার সমর্থিত সন্ত্রাসী গ্রুপ। অতীতেও আমরা দেখেছি কীভাবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর এই হেলমেট বাহিনী কীভাবে হামলা করে। সুতরাং এটা আজ পরিষ্কার।  

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের প্রতিক্রিয়া যাই হোক, যারা জড়িত তাদেরকে সনাক্ত করে পরিচয় প্রকাশ করা হোক। আমাদের তো দাবি হলো যে, অপু বিশ্বাস মানতার সে হলো ছাত্রলীগের একজন প্রচার সম্পাদক, সে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এখানে ছাত্রলীগকর্মী অনুপ্রবেশ করেছিল তা আমরা শতভাগ নিশ্চিত। পুলিশকে এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, আহ্বান করা হয়েছে আপনারা তাদের পরিচয় প্রকাশ করেন, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন। আমাদের দাবি অপরাধীকে বিচারের আওতায় এবং শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হোক।’  

তবে হেলমেট রাজনীতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।   

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড