• বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২১ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ উপেক্ষা করেই সোহরাওয়ার্দীতে শ্রমিকদের ঢল 

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৫৭
শ্রমিক লীগের সম্মেলন
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিছিল নিয়ে আসছেন শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা (ছবি : সংগৃহীত)

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের’ প্রভাবে রাজধানীতে সকাল থেকেই হচ্ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। তবে প্রতিকূল এই আবহাওয়া উপেক্ষা করেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢল নেমেছে শ্রমিকদের। আর কিছুক্ষণ বাদেই শুরু হবে শ্রমিক লীগের বহুল প্রতীক্ষিত ১২তম জাতীয় সম্মেলন।  

এই উপলক্ষে শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল থেকেই স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা। দলে দলে নেতাকর্মীরা যোগ দিচ্ছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কেউ কেউ বিভিন্ন প্রার্থীর সৌজন্যে দেওয়া টি-শার্ট পরে মিছিল-শোডাউন নিয়ে উদ্যানে প্রবেশের গেট ধরে আসছেন। ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে পছন্দের প্রার্থীর নামে স্লোগানও ধরছেন।

সম্মেলনে আগত নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা এবারে তাদের প্রত্যাশার কথা জানান। তারা বলছেন, এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে শ্রমিক লীগে যোগ্য ও সত্য নেতৃত্ব চান। যারা কিনা দেশের সকল শ্রমিকদের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করবেন। রাজধানীর পুরান ঢাকা থেকে আগত শ্রমিক লীগ নেতা রাজু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে শুদ্ধিকরণ অভিযান শুরু হয়েছে। আমরাও চাই আজকের এই সম্মেলনের মাধ্যমে শ্রমিক লীগে শুদ্ধিকরণ হবে। যারা কিনা ন্যায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের জন্য কাজ করবেন।

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন সংগঠনের সাংগঠনিক নেত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ১১টায় তিনি সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। 

জানা গেছে, সকালে প্রথম অধিবেশনে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন, শোক প্রস্তাব পাঠসহ প্রধান ও বিশেষ অতিথির বক্তব্য শেষে দেওয়া হবে দুপুরের বিরতি। পরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দ্বিতীয় (কাউন্সিল) অধিবেশনে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি নেতৃত্ব আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৯ সালের অক্টোবরের ১২ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় শ্রমিক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর অনেক ভাঙাগড়ার মধ্যে দিয়ে গেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশের স্থপতির হত্যাকাণ্ডের পর দলের একাংশ (মিজান) শ্রমিক লীগের মূল নেতাদের নিয়ে আলাদা সংগঠন করে। পরে ৮০ এর দশকে শ্রমিক লীগ আবার বাকশালের দখলে চলে যায়। শুরু থেকেই এটি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে থাকলেও বর্তমানে ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসেবে কাজ করছে।

প্রায় সাত বছর আগে ২০১২ সালের জুলাইয়ের ১৯ তারিখে সংগঠনের সর্বশেষ সম্মেলনে শ্রমিক নেতা শুক্কুর মাহামুদ সভাপতি, ফজলুল হক মন্টু কার্যকরী সভাপতি এবং মো. সিরাজুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ওডি/এআর 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড