• মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮  |   ২৫ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

বন্ধ হোক বর্বরতা, শুরু হোক সৃজনশীলতা

  রহমান মৃধা

০৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩২
বন্ধ হোক বর্বরতা, শুরু হোক সৃজনশীলতা
ফাইজারের প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের সাবেক পরিচালক রহমান মৃধা (ছবি : সংগৃহীত)

ফিল্ম, অশ্লীল রচনা বা পর্নফিল্মের ওপর আমরা কি আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত? সমাজের অনেকেই দুর্নীতি করে, নানা ধরনের কুকর্ম করে, ধর্ষণ করে। ধরা না পড়া পর্যন্ত সবাই খুব ভদ্র এবং ভালো মানুষ।

ভারতবর্ষে ব্রিটিশের আগমনের আগ পর্যন্ত রাজকীয় বিলাসিতা ও রোমান্টিক যৌনতার ওপর যে বন্যা বয়ে চলছিল সেই যৌনতার প্রতি সর্বজনের আকর্ষণ কেড়ে নিতে বিখ্যাত বিখ্যাত ও নামকরা পরিচিত বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের দেওয়ালে অ্যারোটিক আকারে খোদাই করে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা হয়, যা ইন্ডিয়া ভ্রমণে গেলে এখনো নিদর্শনস্বরূপ সকলের চোখে পড়ে।

জানা মতে, ব্রিটিশের আগমনের পর অ্যারোটিক যৌনতার বিলুপ্তি ঘটতে শুরু হয় যা আজকের যুগে শুধু নিষিদ্ধ নয়, মনে হচ্ছে সূর্য যেমন মেঘে ঢাকা পড়ে, ঠিক যুগের পরিবর্তনের সাথে যৌনতাও তেমনি করে ঢাকা পড়েছে, তাই শুধু ভারত নয় বাংলাদেশেও সেক্স বা যৌনতার ওপর কথা বা আলোচনা বন্ধ রয়েছে আজও।

সন্ধান করে জানা গেছে যে প্রতিদিন একজন পুরুষ যৌনতার ওপর চিন্তা করে ১-৩৮৮ বার এবং একজন নারী ১-১৪০ বার (www.Psychologytoday.com)।বিবাহিত বা অবিবাহিত বলে কথা নেই। পুরুষেরা নারীদের চেয়ে বেশি আকৃষ্ট দৈহিক সম্পর্কে জড়িত হবার জন্য। এই অপ্রিয় সত্য কথা কি স্বীকার করতে কেউ রাজি? অবাক হবার কিছু নেই যদি বলি খাবার, যৌনতা এবং ঘুম এই তিনটি জিনিস মানবজাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তবে যৌনতা মানুষের চিন্তায় প্রাধান্য পায় বেশি তবুও এ বিষয় কথা হয় সবচেয়ে কম। অশ্লীল যৌনতার চেতনা এতই ভয়ংকর যে ধর্মীয়ভাবে একে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নারীকে সম্পূর্ণভাবে পর্দার মধ্যে রাখা হয়েছে শুধুমাত্র পুরুষের চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। তারপরও ঘটছে সারা বিশ্বে নারীর উপর চলছে পুরুষের জুলুম।

একটি জিনিস বেশ পরিষ্কার তা হলো আরব দেশে নারীদের পোশাকের সঙ্গে পুরুষদের পোশাকের বেশ মিল রয়েছে। কিন্তু পৃথিবীর অনেক দেশ রয়েছে যেখানে শুধু নারীকে পর্দায় আটকে রাখা হয়।

জানি না সেক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের খোলামেলা দৈহিক চেহারার প্রতি কী পরিমাণে আসক্ত হয়! পাখির জগতে লক্ষণীয় যে পুরুষ পাখি তার সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করে মহিলা পাখিকে। মানুষের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী পরস্পরকে আকৃষ্ট করে। সেক্ষেত্রে এটা কি সঠিক শুধু নারীকে পর্দার আড়ালে রাখা? সর্বোপরি নারীদের পর্দার আড়ালে রাখা সত্ত্বেও অনেক সময় পুরুষের চারিত্রিক বিচ্যুতি দেখা যায় পৃথিবীর সর্বত্র।

প্রতিদিন যদি ১-৩৮৮ বার যৌনতার চিন্তা বা কল্পনায় পুরুষের সময় ব্যয় হয় তাহলে প্রশ্ন চরিত্র কি তাহলে কুকর্মে লিপ্ত থাকে বেশিরভাগ সময়? কুচিন্তা বা কু-কল্পনা যদি মনের পর্দায় সারাক্ষণ বসবাস করে, তাহলে যৌনতার সরাসরি সংস্পর্শ অথবা কল্পনায় যৌনসংগমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য আছে কি?

আরও পড়ুন : দেশের উন্নতি হলেও নদীর কোনো উন্নতি হয়নি

যৌনতা মানব জাতির একটি সাধারণ প্রতিক্রিয়া যা শরীরের অন্যান্য অর্গানের মতো এবং তা ন্যাচারাল পদ্ধতির মধ্যে থাকার কথা।

যদি কারো প্রতি কেউ তার মতের বিরুদ্ধে যৌনতায় আকৃষ্ট হয় সেখানে বাঁধা দেওয়া মানে শরীরে স্ট্রোকের মতো ভয়ঙ্কর কিছু ঘটনা ঘটা। যার কারণে মানুষ তার মনুষ্যত্বের ভারসাম্য হারিয়ে দানবে পরিণত হয়। অবশেষে ধর্ষণের মত জঘন্য কাজ করতে দ্বিধাবোধ করে না।

যৌবনের ঢেউয়ে অনেকে নিজের শরীরকে উলঙ্গ করে অন্যকে দেখিয়ে তৃপ্তি পায়। আবার অনেকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে নিজেদের যৌনতার দৃশ্য অন্যকে দেখিয়ে অর্থ উপার্জন করে।

যেহেতু সমাজে চাহিদা রয়েছে বিধায় এর ওপর দিব্যি কেনাবেচা চলছে। বর্তমানে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে চলছে এর বেচাকেনা সারা বিশ্বে কোনো সমস্যা ছাড়া।

অশ্লীল যৌবনের ঢেউ বইছে মানব জাতির মধ্যে, তাকে বাঁধা দিয়ে ঠেকানো যাবে না। বরং ভালোবাসা এবং যৌনতাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে হবে, দায়বদ্ধতার মধ্যদিয়ে। যেমন পারস্পরিক সমঝোতার মাঝে যদি যৌনতার মিলন ঘটে এবং নতুন জীবনের আবির্ভাব হয় তাহলে তার দায়ভার নিতে হবে। ইচ্ছে মতো দায়দায়িত্বহীনভাবে যা খুশি তাই করা চলবে না।

যেমন ট্রাফিকের রেড লাইট অমান্য করলে জরিমানা বা লাইসেন্স বাতিল হয় তেমনি অবৈধ যৌনতার কারণে, অশ্লীল যৌনতায় মগ্ন হলে বা ধর্ষণের মতো অঘটন ঘটালে, সর্বোপরি কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে যৌনতার প্রভাব বিস্তার করলে পুরুষের পুরুষত্ব বাতিল করা হতে পারে দুষ্কর্মের সমাধান। ফিল্ম বা চলচ্চিত্র দিতে পারে চলমান জীবনের কাহিনীর ওপর বর্ণনা। তুলে ধরতে পারে সৃজনশীল প্রেমের ঘটনা।

অশ্লীল রচনা বা পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে দেহের সর্বাঙ্গ শরীর পর্দায় দেখানো মানে যৌনতার লোভনীয় আকর্ষণকে আকৃষ্ট করা বা যৌনমিলনের দৃশ্য পর্দায় দেখিয়ে বিনোদন যোগানো অশ্লীল চলচ্চিত্রের একটি অংশ।

এতদিন এর সীমাবদ্ধতা যেমন পর্দায় ছিল এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে সবার কাছে প্রযুক্তির কারণে। যেহেতু মানব জীবনে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাই ধামাচাপা না দিয়ে সুশিক্ষার সমন্বয় ঘটানো আশু প্রয়োজন নতুন প্রজন্মের জন্য।

যৌনতার ওপর খোলামেলা আলোচনাই একমাত্র এর সমাধান হতে পারে। ইউরোপে যৌনতার ওপর খোলামেলা আলোচনা হয়ে থাকে অল্প বয়সে।

যৌনতাকে নিয়ে খারাপভাবে কিছু প্রশিক্ষণ দেয়া হয় না এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে; বিধায় যৌনতা বা উলঙ্গ দেহ দেখলে মানুষ অমানুষ হয়ে যায় না।

এরা জানে যৌনতার বিনোদন জোর করে হয় না। তা পারস্পরিক সমঝোতার এবং নির্ভরশীলতার ওপর হয়ে থাকে। ব্যতিক্রম হলে তা হয় ধর্ষণ, আর ধর্ষণের শাস্তি সমাজের পরিকাঠামো অনুযায়ী কঠিন হয়ে থাকে।

মানবজাতির বায়োলজিক্যাল অ্যাকটিভিটিসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাট্রাকশন বা বিনোদন হোল সেক্স এবং যা মানবজাতির মনের মধ্যে প্রতি মিনিটে জানতে বা অজান্তে বিরাজ করছে ভাবনায় কিন্তু তার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে শুধু অন্ধকারে নির্বিঘ্নে, নিরিবিলি ও নিরাময়ে। মনে হচ্ছে কথা কম কাজ বেশি তাইতো ঘরে ঘরে সংখ্যায় মানবজাতির বিস্তৃতি ঘটে চলেছে দিনের পর দিন।

আরও পড়ুন : হৃদয়ে এসেছে শরৎ

মজার ব্যাপার হোল পৃথিবীর কোনো কাজ নেই যা মানবজাতি প্রশিক্ষণ ছাড়া উন্নতির শীর্ষে উঠতে সক্ষম হয়েছে যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার, কৃষক যাই ধরি না কেন, এর পিছনে রয়েছে প্রশিক্ষণ কিন্তু সেক্সের ওপর কোনো ধরণের প্রশিক্ষণ বা আলাপ আলোচনা ছাড়াই চলছে সেক্স তার নিজের গতিতে। পাশাপাশি ডিজিটালের যুগে সেক্সের ওপর খুলেছে গুগোল সেক্স অ্যারোটিক বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে দেদারছে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীর আনাগোনা চলছে, কোনো শিক্ষক ছাড়া এবং এই শিক্ষাকে কাজে লাগাতে কেউ সমাজের নিয়মকানুন ভাঙছে আর কেউবা স্বপ্নের রাজ্যে রাজত্ব করছে।

আমাদের জন্মের শুরুতে আমরা সম্পূর্ণভাবে পরিপূর্ণতায় জন্মেছি এবং কোনো কাপড় ছাড়া মানে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায়। মৃত্যুর আগপর্যন্ত নতুন কিছুই শরীরে আসেনি শুধু চিন্তাধারার পরিবর্তন এবং হরমোনের আবির্ভাব ছাড়া এবং দৈহিক গঠনের পরিবর্তন যা ছোট ছিল তা সাইজে বড় হয়েছে মাত্র। আমরা ছোটবেলার মতো উলঙ্গ হয়ে চলাফেরা করিনে তাই কাপড় পরি, কিন্তু কাপড়ের নিচে আমরা সবাই উলঙ্গ এ বিষয় নিশ্চিত।

হঠাৎ কী হোল যার কারণে আমরা কাপড় পরতে শুরু করলাম? লজ্জা বা শরমের কারণে, নাকি ধর্মীয় কারণে? নাকি শরীরের সেই ছোট্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বড় হয়ে যৌনতার ওপর আমাদের মাইন্ডসেটের প্রভাব বিস্তার করেছে তার কারণে? কারণ যেটাই হোক না কেন সমস্যা নেই, সমস্যা একটাই তা হোল আমরা কেন এই যৌনতার আলোচনায় চুপ?

এত বড় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অথচ আমরা নীরব! শিশুর কৈশোরের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে সেক্সের ওপর শিক্ষা প্রশিক্ষণ খুবই দরকার বিশেষ করে গ্লোবাল ডিজিটালের যুগে এবং ছোট-বড় সবার জন্য। যেভাবে সেক্সের ওপর অশ্লীল চলচ্চিত্র তৈরি করে গুগোলের যুগে ডিজিটালের মাধ্যমে সেক্সের প্রচলন চলছে তা শুধু সেক্সের ওপর নোংরামির পরিচয় ছাড়া অন্য কিছু শিখতে বা জানতে সাহায্য করছে না বিধায় স্বর্গীয় ভালোবাসা বা রোমান্সের যে সম্পর্ক তৈরি হবার কথা তা হচ্ছে না, যার কারণে নর-নারীর ভালোবাসায় ভাঙ্গনের সাথে যুক্ত হতে শুরু হয়েছে ঘৃণা।

এর থেকে রেহাই পেতে হলে দরকার সঠিক প্রশিক্ষণ। সমস্যা হোল, যে সব শিক্ষক রয়েছে বর্তমান তারা নিজেরাই তো জানে না কী শিক্ষা? এবং কীভাবে শিক্ষা? এর জন্য দরকার বিশেষায়িত শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান যেখানে যৌনতার ওপর আলোচনা হতে পারে।

ভাঙতে হবে কুসংস্কার, করতে হবে মন পরিষ্কার, তবেই হবে মনুষ্যত্বের পরিবর্তন।

পাশ্চাত্যে বিশেষ করে সুইডেনে সেক্সের ওপর ডিজিটালের আবির্ভাবের সাথে সাথে প্রশিক্ষণ শুরু হওয়ায় এখানে সেক্সকে যেমনটি করে ভাবা হচ্ছে অনেক দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে তেমনটি করে ভাবা হচ্ছে না। যার কারণে অনেক সময় অনেকে বলে, জানো সুইডেনে সেক্স ফ্রি? আমরা কি জানি কী মিন করা হয়েছে এতে? সুইডেনে সেক্সের কেনাবেচা নিষিদ্ধ। কেউ এমনটি করলে বা ধরা খেলে কঠিন সাজার ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে সেক্সের সমন্বয় ঘটে ভালোবাসা বা পছন্দের বিনিময়ে, টাকা, প্রেসার বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। যদি এমনটি ঘটে তখন নিয়ম অমান্যের কারণে শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

সুইডেনের প্রশিক্ষণে ক্লাস ওয়ান থেকে নাইন পর্যন্ত সময়কে প্রাইমারি স্কুল বলা হয় এবং এই পাইমারি স্কুলের তিনটি স্তর রয়েছে তা হোল লোগ, (লো) মেলান (মিডিয়াম) এ তথ্যবং হোগ (হাই) লেভেল। সেক্সের ওপর এখানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় প্রাইমারির মিডিয়াম এবং হাই লেভেলে, কারণ একটাই তা হোল শিশুর শারীরিক পরিবর্তনের সাথে মানসিক পরিবর্তনের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে তাকে মানসিকভাবে তৈরি করা।

এখানের স্কুলে এবং বাড়িতে শিক্ষার্থীকে জানানো হয়, মেন্সট্রেশনের কারণ, সেক্সের সমন্বয় এবং দৈহিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা (হাইজিন), সর্বোপরি সতর্কতা, এবং ওপেনলি বা খোলামেলাভাবে আলোচনা করা হয় সেক্স কী? কেন সেক্স? কোন বয়সে সেক্স? ইত্যাদি ইত্যাদি।

বাংলাদেশের বাবা-মা এবং স্কুলের শিক্ষকদের এবিষয়টির ওপর বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া দরকার। টিন এজের এ সময় নানা ধরণের জটিলতা দেখা দেয় যা কেউ জানে না, অনেকে ডেপ্রিশনে ভোগে, অনেকে নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে শুরু করে এমনকি আত্মহত্যার মতো ভয়াবহ কারণ ঘটে থাকে।

বাবা-মা চিন্তায় ঘুম হারাম করতে শুরু করে অথচ কেউ সেক্স বা যৌনতার বিষয় কথা বলে না। সেক্স মানব জাতির জন্য স্বর্গীয় আশীর্বাদ এবং ভালোবাসার ফল এবং এ বিষয়ে সেইভাবে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে, সাথে সুশিক্ষার সমন্বয়ে মানবজাতির চরিত্রের পরিবর্তন আনতে হবে।

আরও পড়ুন : দেখা হয়েছিল পূর্ণিমা রাতে

মনের কলুষতা দূর করতে হলে এ বিষয়ের ওপর খোলামেলা আলোচনা হতে হবে, তা নাহলে আমাদের মুরাল ভ্যালুর পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে না। মনে রাখতে হবে, সেক্স বা যৌনতা এ অভিশাপ নয় এ মানবজাতির জন্য স্বর্গীয় আশীর্বাদ।

লেখক : রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন।

[email protected]

ওডি/কেএইচআর

চলমান আলোচিত ঘটনা বা দৃষ্টি আকর্ষণযোগ্য সমসাময়িক বিষয়ে আপনার মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইলকরুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড