• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আমরা সবাই মানুষ তারপরও বিশাল পার্থক্য

  রহমান মৃধা

৩১ জুলাই ২০২১, ১৪:৫৩
আমরা সবাই মানুষ তারপরও বিশাল পার্থক্য
ফাইজারের প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের সাবেক পরিচালক রহমান মৃধা (ছবি : সংগৃহীত)

ছোটবেলায় মার সঙ্গে বেশ সময় কেটেছে আমার। মা বিভিন্ন বিষয়ে বেশ তথ্যমূলক গল্প বলতেন। তখন তো আর ফেসবুক ছিল না যে সারাদিন সেখানে সময় পার করব। মা বই পড়তেন খুব, যার ফলে গল্পের ছলে বেশ সুন্দর করে অনেক ঘটনা বলতেন। মা নড়াইল জেলার মেয়ে, তার গ্রামে এক ব্যক্তির তিনটি মেয়ে ছিল, সময়ের সাথে মেয়ে তিনটির বিয়ে হয়ে যায়। দুই মেয়ের বিয়ে হয় খুব বড়লোকের পরিবারে, তবে একটির বিয়ে হয় দরিদ্র পরিবারে। বাংলাদেশে আর যাই হোক জামাইদের কিন্তু বেশ যত্ন করা হয়, তারা যখন শ্বশুর বাড়ি আসে।

সেদিন বড়লোক দুই জামাই এসেছে, চাচার বাড়িতে রান্নাবান্নার ধুম পড়েছে। বিশাল পার্টি, দুই জামাই মনের আনন্দে খাওয়াদাওয়া করছে। সন্ধ্যায় তিন নম্বর গরিব জামাই এসেছে। তার সঙ্গে কেউ তেমন মিশছে না, বেচারা একা একা বসে আছে। রাতে তাকে আলাদা খাবার দিয়েছে, অন্য দিকে রুই-কাতলা, মুরগী আরো কত কী রান্না করা হয়েছে বাকি দুই জামাই-এর জন্য। গরিব জামাইয়ের ভাগ্যে শুধু ডাল-ভাত জুটেছে। খাবার দেখে গরিব জামাই বলছে ধনীতে ধনীতে উলামেলা, রুই কাতলে করছে খেলা, ওরে ডাল আমি এলাম হেটে, তুই এলি কিসে? দুঃখের বিষয় গরিব জামাই বাবু সেদিন বাড়ি থেকে ডালভাত খেয়ে শ্বশুর বাড়ি এসেছিলেন।

বহু বছর আগের গল্পটা মনে পড়ে গেল, গত কয়েকদিন আগের একটি নিউজ দেখে। বাংলাদেশ থেকে বেশকিছু লোক ভাগ্যের উপর জীবন বাজি রেখে (প্রায় ৩০০) দালালের মাধ্যমে সাগরের পরে মহাসাগর পাড়ি দিয়েছে, ইউরোপে বসবাস করার স্বপ্নে। ভূমধ্যসাগরে তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড একটি কাঠের নৌকা থেকে বাংলাদেশিদের উদ্ধার করে। তাদের সাময়িক ঠাই হয়েছে তিউনিসিয়ার জার্জিস শহরে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আশ্রয়কেন্দ্রে। উদ্ধার হওয়া তরুণদের অনেকেই লিবিয়া হয়ে ইতালি আসার চেষ্টায়, পথে ধরা পড়েছে। এর কিছুদিন আগেও কিছু বাংলাদেশি সমুদ্রে তলিয়ে গিয়েছে। এবার অনেকেই কোনো রকমে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচেছে। তবু কেউ দেশে ফিরতে চান না। কেননা, ইতালি যাওয়ার টাকা জোগাড় করতে অনেক ঋণ করেছেন। দেশে ফিরলে ঋণ শোধ করতে পারবেন না। তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড ২২ দিনে প্রায় ৫০০ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে বাংলাদেশ থেকে গেছেন ২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি।

প্রতিনিয়ত সতর্কবাণী সত্ত্বেও হাজার হাজার তরুণ বিদেশে চাকরির জন্য গিয়ে সমুদ্রে ডুবে যান, মরুভূমি ও গভীর সমুদ্রে হারিয়ে যান, এর পেছনে আছে অসহনীয় বেকারত্ব।

দেশের ভেতরে ন্যূনতম কিছু করার থাকলে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে যেতেন না। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা চাকরি না করে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু কিছু করার উদ্যোগ নেওয়ার পরিবেশ দেশে কতটা আছে? বিদেশে চাকরির বাজার সংকুচিত। দেড় বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হতে পারেনি করোনার কারণে। ফলে তারা দেড়-দুই বছর পিছিয়ে গেছে। শিগগিরই করোনা পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষণ দেখাও যাচ্ছে না।

এ অবস্থায় সরকারকে চাকরির বয়সসীমা নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন। ২০২০ সালের শুরুতে যাদের বয়স ছিল ৩০ বছর, সরকারি নিয়মানুযায়ী সেটাই ছিল চাকরির দরখাস্ত করার শেষ সময়। এখন আর তারা দরখাস্ত করতে পারছেন না। কিন্তু করোনার কারণে যাদের জীবন থেকে দেড়-দুই বছর অপচয় হলো, তাদের চাকরির পরীক্ষায় বসার সুযোগটি তো দিতে হবে, এমনটি অনেকে ভাবছেন।

আরও পড়ুন : বিশাল ঘটনা

এই প্রেক্ষাপটে চাকরি প্রত্যাশী তরুণেরা যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানোর দাবি করেছেন, তা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। তারা এ দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করছেন, কিন্তু কী হবে কেউ কিছু জানে না!

সব মিলে দেশের পরিকাঠামো দেখলে হতাশ হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করার আছে? তারপরও তরুণ সমাজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ছাড়ছে। জাহাজ সাগরে ডুবে যাবার ফলে ভাসমান অবস্থায় ধরা খেয়ে আফ্রিকায় আটকে আছে, কী হবে শেষ পর্যন্ত কেউ তা জানে না। তারা কি শেষ পর্যন্ত পারবে তাদের সেই স্বপ্নের দেশে পৌঁছতে!

অথচ প্রতিদিন নানা ভাবে জানছি যেমন ফিনল্যান্ড, পর্তুগাল যোগ্য এবং দক্ষ লোক খুঁজছে তাদের দরকারে। আমাদের দেশি ভাষায় বলে, তেলো মাথায় সবাই তেল দিতে চায় কিন্তু যার মাথায় তেল নাই তাকে কেউ তেল দেয় না। জাতি হিসেবে এটা আমাদের চরিত্রের একটি বিশেষ সনদপত্র। বিশ্ব যোগ্য এবং দক্ষ লোক খুঁজছে অথচ যেসব লোক নিজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাত সাগর আর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে আসছে তাদের ঢুকতে দিচ্ছে না। কেউ কি একবার ভাবছে না এদের যোগ্যতা নিয়ে?

এতবড় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা নতুন জীবনের সন্ধানে— মা, বাবা, ভাই, বোন এবং মাতৃভূমি ত্যাগ করেছে তাদের চেয়ে দক্ষ এবং যোগ্য ব্যক্তি অন্য কেউ কীভাবে হতে পারে? হয়তো এই সব ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জীবনে পুঁথিগত বিদ্যার উপর সনদপত্র নেই কিন্তু যে মনোবল এবং কঠিন পরিশ্রম তাদের দৈনিক শিক্ষায় রয়েছে সেটা কি যথেষ্ট নয়, বিশ্বকে ভালো কিছু দেওয়ার জন্য? অবশ্যই আছে। তাহলে এসব আত্মত্যাগী পরিশ্রমী মানুষের জন্য সরকার সুপারিশ করছে না কেন বিশ্বকে, যে এদেরকে তোমরা কাজে লাগাও। পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে? গোটা বিশ্ব তো জেনে গেছে এরা বাংলাদেশি, জেনে যখন গেছেই তাহলে কেন সেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতগুলো এদের হয়ে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছে না, আর কেনই বা সরকার রাষ্ট্রদূতগোলোকে নির্দেশ দিচ্ছে না এদের জীবনের নিশ্চয়তার জন্য কাজ করতে?

আমি একটি জিনিস বেশ লক্ষ করছি, বিশ্বে পুঁথিগত শিক্ষিত লোকের অভাব নেই তবে যোগ্য ব্যক্তির বড্ড অভাব। যার ফলে ফিনল্যান্ড বা পর্তুগালের মতো অনেক দেশ হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে তাদের নিজ দেশকে ম্যানেজ করতে। যেসব কাজের জন্য এসব দেশ সাহায্য আশা করছে তার সব কাজই বাংলার মানুষ করতে পারবে, শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে আমি বলতে পারি। শুধু দরকার স্বল্প সময়ে কিছু অল্প শিক্ষা সেটা হলো ভাষাগত দুর্বলতা আর ম্যানার যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সহায়তায় সম্পন্ন করা সম্ভব।

যেসব তরুণ সমাজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ছেড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য তাদেরকে সে সুযোগ পেতে সকল স্তরের মানুষের প্রতি আহবান করছি।

এতক্ষণ বাংলাদেশ এবং সে দেশের মানুষের কথা শুনলেন। এখন জানাব সুইডেনের একটি ছোট্ট শহরের কথা, যে শহর স্টকহোম সিটি থেকে মাত্র ১৫ মিনিট দূরে এবং খুবই ছোট্ট একটি শহর। অথচ সারা বিশ্বের লোকের বসবাস সেখানে। শুধুমাত্র ১৯৩টি দেশের নয়, তারও বেশি দেশের মানুষের ছোঁয়া রয়েছে এই শহরে। শহরের নাম রিনকেবি।

আজ এসেছি শহরটিতে, হঠাৎ দেখি অনেক তরুণ, এরা সবাই আফগানিস্তানের। তারা তাদের দেশ ছেড়েছে দেশে অশান্তির কারণে। তাদের লাইফস্টাইল দেখে মনে হলো না তারা আফগান, কিন্তু সুইডিশ ভাষাটাও ঠিক মতো বলতে পারে না, যদিও বসবাস করছে বহু বছর ধরে। তাদের ফ্যাশনে সমস্যা নেই।

আরও পড়ুন : কোন ধরনের রাগ করা ভালো?

জাতিসংঘের স্বীকৃতি প্রাপ্ত দেশের সংখ্যা ১৯৩টি। এ ছাড়াও রয়েছ অনেক দেশ যারা সংগ্রাম করে চলছে স্বাধীনতা অর্জন করার জন্য। মানবজাতি হাজারও বাধা বিঘ্ন সত্ত্বেও ছড়িয়ে রয়েছে পৃথিবীর সর্বত্র কোন রকম ধর্ম, বর্ণের ভেদাভেদ ছাড়া। যার ফলে ইদানীং আমরা যেমন সুইডেনে বিভিন্ন দেশের লোক দেখতে পাই। আমি মাঝে মধ্যে রিনকেবিতে আসি বাংলা খাবার কিনতে তবে আজ এসেছিলাম এখানে আমার গাড়ি ওয়াস করাতে।

সারা জীবন মেসিন দিয়ে গাড়ি ওয়াস করি। হঠাৎ এক বন্ধু বলল যে রিনকেবিতে গাড়ি ওয়াস করে ভিতরে ও বাইরে মাত্র ৩০০ ক্রোনারে যা মেশিনে ওয়াস করলে ১৫০০ ক্রোনার সঙ্গে গাড়ি রেখে আসতে হবে এবং পরের দিন আনতে হবে। এখানে বুকিং ছাড়াই চলে গেলাম। ঢুকতেই তারা আমার গাড়ি নিয়ে গেল এবং চার জনে মিলে ধোওয়া-মোছার কাজ শুরু করল। চারজনের মধ্যে রয়েছে আফগান, মেক্সিকান, আফ্রিকান ও উজবেক। বেশ কৌতুহলী হয়ে পড়লাম!

এত বছর স্টকহোমে আছি, অথচ দেখা বা জানা হয়নি এমন একটি ঘটনা চক্ষু মেলিয়া। কী জাদু রয়েছে এই রিনকেবিতে যে সব দেশের লোকের বসবাস এখানে? এখানে খাদ্য দ্রব্য থেকে শুরু করে সব কিছু তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং ঘর-বাড়ির অবস্থা খুব একটা আধুনিক নয়, তবে ইদানীং দেখা যাচ্ছে নতুন নতুন বাড়ি। এখানে বিভিন্ন দেশের দোকানপাট রয়েছে, যেমন বাংলাদেশি শাকসবজি বা ফ্রোজেন মাছ এখানে পাওয়া যায়।

শত দেশের মানুষের বসবাস, তারপর ধর্ম, বর্ণ, ভাষার বিশাল ব্যবধান থাকা স্বত্বেও সবাই একসঙ্গে বসবাস করে চলছে কোনো রকম সমস্যা ছাড়া। এখানকার সবাই রিনকেবি সুইডিস ভাষায় কথা বলে। ১০০% সুইডিস এক্সেন্ট নয়। প্রচুর পরিমাণ বিদেশির মিশ্রণ এর জন্য দায়ী। হঠাৎ নজরে পড়ে গেল এক মজার দৃশ্য! স্কুল বাস এসে হাজির, ছেলেরা আগে বাসে উঠল পরে মেয়েরা এবং শুধু কি তাই মেয়েরা বাসের পিছনে গিয়ে বসল। আমি তো অবাক!

জিজ্ঞেস করতেই তারা বলল, এখানে স্পেশাল স্কুল রয়েছে যেখানে ধর্মীয় কারণে আলাদা আলাদাভাবে শিক্ষা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। এখানে প্রত্যেকেই যার যার ধর্ম ও সংস্কৃতি শক্ত করে ধরে রাখতে চেষ্টা করছে, যার কারণে সবাই অতি কাছে বসবাস করা সত্ত্বেও একে অপরের থেকে দুরে বসবাস করছে মনের রাজ্যে।

ছোট্ট একটি শহর রিনকেবি যেখানে কমপক্ষে দুইশরও বেশি দেশের লোকের বাস সত্ত্বেও মনে হলো দুশোটি ভিন্ন ভিন্ন দেশ। নানা কারণে এসব লোক তাদের নিজেদের স্বদেশ ছেড়ে পাড়ি দিয়েছে সুইডেনে। মনে হচ্ছে সবাই অর্থের কারণে এখানে পাড়ি জমিয়েছে। এরা এখানে না করছে ভোগ তাদের নিজেদের দেশের সবকিছু, না সুইডেনের। তবে অর্থনৈতিকভাবে সব সুযোগ সুবিধে আছে তাদের। টাকা পয়সা রোজগার করতে করতে হঠাৎ জীবনের সময় শেষ হয়ে যাবে। দেখে মনে হলো অর্থের বড়লোক হতে পারে তারা, তবে জানিনে মনের বড়লোক কতখানি এরা! সব দেখে মনে হলো -আশা আছে, ভাষা নেই, সুখ আছে,শান্তি নেই, - ওয়ানস এ ফরেনার অলওয়েজ এ ফরেনার।

দেখেছি এমনটি লন্ডনের মত শহরে, নিউইয়র্কে, মধ্যপ্রাচ্যে, ইটালিতে, প্যারিসে, স্পেনে আরো অনেক শহরে।

আমার ভাবনা থেকে একটি কথাই বলতে ইচ্ছে হয়েছে সেটা হলো জীবনের মূল্য কী? কিসের জন্য বেঁচে থাকা? কেনই বা সব ছেড়ে এই দূরপরবাসে নির্জনতায় ঘর বাধা? আমাদের নিশ্বাস নিতে যদি অন্ন,বস্ত্র, বাসস্থানের মত সংগ্রাম করতে হতো, তাহলে কি হতো আমাদের জীবনের? হতো কি সামর্থ্য তখন এমনটি করে বেঁচে থাকার? সামান্য অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের সংগ্রামে ভালোবাসার স্বদেশ বিসর্জন দিয়ে আজ এত দূরে, বহু দূরে!

স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ মানব জাতির জন্মে এবং মৃত্যুতে নেই কোনো ভেদাভেদ, কারণ সবাই মায়ের গর্ভ থেকে জন্মগ্রহণ করছি এবং মৃত্যুর পর পৃথিবী থেকে চির তরে বিলীন হচ্ছি। অথচ মাঝখানের সময়ের মধ্যে এত ব্যবধান? আর কবেই বা হবে এর সমাধান!

যাইহোক অনেক কথাই লিখলাম তবে এ পর্যন্ত খুব কম বাংলাদেশিকে দেখেছি যার হয়তো আফগানদের মতো ফ্যাশন নেই তবে সে বেকার হয়ে ঘুরছে না, কোথাও না কোথাও কাজ করছে কম পক্ষে সেভেন ইলেভেন সময়ে। এতটুকু গর্ব অনুভব করি যখন দেখি দূরপরবাসী বাংলাদেশি তার দেশের কথা ভাবে এবং তার দেশকে ভালোবাসে।

আরও পড়ুন : দেখা হয়েছিল পূর্ণিমা রাতে

কারণ বাঙালির রক্তে বইছে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লিখা (বনলতা সেনের মনের কথা)— ভায়ের মায়ের এত স্নেহ, কোথায় গেলে পাবে কেহ, ও মা তোমার চরণ দুটি বক্ষে আমার ধরি, আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি।

লেখক : রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট) ফাইজার, সুইডেন থেকে।

[email protected]

ওডি/কেএইচআর

চলমান আলোচিত ঘটনা বা দৃষ্টি আকর্ষণযোগ্য সমসাময়িক বিষয়ে আপনার মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইলকরুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

সহযোগী সম্পাদক: গোলাম যাকারিয়া

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড