• শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮  |   ৩০ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

তাহলে সবই কি নারীরই কারণ?

  রহমান মৃধা

০৩ মে ২০২১, ১৫:৩৯
তাহলে সবই কি নারীরই কারণ?
ফাইজারের প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের সাবেক পরিচালক রহমান মৃধা (ছবি : সংগৃহীত)

পৃথিবীর অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও এখনো অনেক নারী এবং পুরুষ মনে করে নারী বিষয়ক যে কোনো আলোচনা অশ্লীল, বিতর্কিত। নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলাও এই অশ্লীলতা ও বিতর্কের একটি অংশ। ধর্মীয় পুস্তক ও মুনি-ঋষিদের পাণ্ডুলিপিতেও নারী বিষয়ে একই ধারণা পোষণ করা হয়েছে। নারীর চারিত্রিক বিচার করার সম্মতি দেয়া হয়েছে সে কিভাবে কথা বলে, কোন পরিচ্ছদে থাকে, কতখানি হাসে, কেমন শব্দ করে হাঁটে ইত্যাদি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তার জ্ঞান-বুদ্ধি, মেধার কোনো প্রয়োজন হয় না এই বৈচারিক কাজে।

সর্বোপরি নারীকে বিচার করতে হবে যৌন অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে। নারী যতোদিন যৌনতার পাঁচিল টপকায়নি, কোনো পুরুষের সঙ্গে কথা বলেনি, এক সাথে বসে হাসেনি ততোদিন সে সতী-সাধ্বী স্ত্রীলোক। আর বাকি পরনারীদের অবস্থা শোচনীয়। সুযোগ পেলেই তার চুল কামিয়ে, চরিত্রের উপর বিশেষ সীলমোহর মেরে, পাথর নিক্ষেপ করে, উদ্যম করে, মুখে চুনকালি মাখিয়ে সমাজের কাছে উপস্থাপন করা হয়। তখন আর নারী মায়ের জাত নয়। তার স্তন, কোমর, তলপেট, উরু হয়ে যায় কামনার বিষয়বস্তু।

কোথায় কতোটুকু মিশতে হবে, হাসতে হবে, কথা বলতে হবে, হাঁটতে হবে সব কিছুর পরিমাপক থাকবে। নারীকে মাপজোক নিয়ে তারপর পা ফেলতে হবে। নারীর কোনো কিছুই নারীর জন্য নয়। সব কিছু পুরুষের জন্য। তাই নারী অচল হলে, শরীর না চললে পুরুষকে অন্য নারীর সন্ধানে বেরুতে হয়।

মানে নারী নিজের জন্য নয় শুধু পুরুষের জন্য। নারীর কাজই হচ্ছে অন্যের জন্য বেঁচে থাকতে হবে, নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে হবে। সবখানে বলা হয়েছে স্বামী অর্থাৎ প্রভুর সেবাই পরম ধর্ম! সুলিখিত বিধি মেনে ঘরে তুললেই অলিখিত নীতিতে স্বামী একজন সেবাদাসী পেয়ে যায়। আর পরনারীদের যেহেতু সব পুরুষ এইভাবে পান না তাই তারা শুধু পুরুষের চরিত্রই স্খলনের কাজে লাগে, এর বাইরে তারা আর কোনো কাজে লাগে না।

যদিও অন্যান্য ধর্মের মতো ইসলাম ধর্মে নারীর মর্যাদা অনেক ঊর্ধ্বে তার প্রমাণ, আল্লাহ স্বামী-স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন পরস্পরের সুখ আর প্রশান্তির জন্য। যেমন, সুরা রুম-এ আল্লাহ বলেন, আর তার একটি নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই সঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্য প্রশান্তি। তোমাদের মধ্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন ভালোবাসা ও মায়া।

বাংলাদেশের প্রায় ৯৫% মানুষ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী এবং যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই নারী তা সত্ত্বেও সেই দেশে নারীর প্রতি সবচেয়ে বেশি অবিচার, অত্যাচার এবং অনাচার! কারণ সমাজ, ধর্ম এখনো স্বীকৃতি দেয়নি যে নারীরও সমান অধিকার রয়েছে স্বামীর কাছে, পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে।

উন্নত বিশ্বের নারীমুক্তি ও নারীজাগরণের উত্তাল ঢেউয়ের আলোড়ন আমাদের নারীসমাজের কাছে পৌঁছাবার বহু পূর্বেই কিন্তু বেগম রোকেয়ার সাহিত্যকর্মে তার যুক্তিনির্ভর ও সাহসী বক্তব্য, ব্যক্তিগত জীবনের কর্মকাণ্ড এ দেশের নারীসমাজকে নারীর অধিকার সম্বন্ধে সচেতন করে তোলে এবং এই প্রাপ্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অনুপ্রেরণা দেয়।

এ দেশের নারীসমাজ তারই আলোকবর্তিকার দ্বারা ধীরে ধীরে অন্ধকার থেকে আলোকিত জীবনের দিকে অগ্রযাত্রা শুরু করতে সক্ষম হয়েছে, এ কথা বিনা দ্বিধায় আজ আমরা বলতে পারি। বেগম রোকেয়া নিজেই বলে গেছেন তাকে ৫ বছর বয়স থেকে পর্দা করতে হতো। সেই পর্দাকে পরিণত বয়সে মনের ভেতর থেকে তিনি কখনই সমর্থন করেননি। কিন্তু মেয়েদের অভিভাবকরা যাতে তাদের স্কুলে পাঠায় তার জন্য তিনি নিজে পর্দা করে, বোরখা পরে মেয়েদের বাড়ি বাড়ি যেতেন।

বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর একটি বড় সংখ্যক মানুষ আজও বিশ্বাস করে ধর্ষণের জন্য নারীর পোশাক জড়িত। রাত বেরাতে একা নারী বাইরে বের হলে ধর্ষণ হবেই বলে মত দেয় বেশির ভাগ মানুষ। অথচ একজন মানুষ হিসেবে নারী-পুরুষ যে কেউ তার পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরার স্বাধীনতা রাখে। দিনে-রাতে যে কোন সময় একা বা সঙ্গীসহ বাইরে বের হওয়ার অধিকার রাখে। কোনোভাবেই তাদের পোশাক বা বাইরে বের হওয়াকে ধর্ষণের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি না। বরং ধর্ষণের জন্য একমাত্র অভিযুক্ত পুরুষকেই দায়ী করতে হবে। দুনিয়ার সমস্ত পাপের মূলে নারী রয়েছে বলে একটি ধারণা সমাজে জন্মেছে। যা সত্যি নারীর প্রতি অতি অন্যায়।

একজন পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে আমার মনে হয়েছে যে নারীর দৈহিক এবং যৌন পরিচয়ের বাইরে যে আরও পরিচয় আছে, সে ব্যাপারে হয়তো আমাদের নিজেদের আরও শিক্ষিত করতে হবে। এই বিষয়টা যদি আমরা মনেপ্রাণে ধারণ না করতে পারি, তাহলে পুরুষ হিসেবে নারীর সমান মর্যাদা আমরা কখনোই দিতে পারব না।

আরও পড়ুন : দেখা হয়েছিল পূর্ণিমা রাতে

একজন পুরুষের ব্যক্তিগত বা পেশাগত চরিত্র নিয়ে যখন সমালোচনা করা হয়, তখন প্রায় কখনোই তার দৈহিক বা যৌন সক্ষমতার কথা উঠে আসে না। কিন্তু লক্ষ করে দেখবেন যে একজন নারীর সমালোচনা শুরুই হয় এসব বিষয় নিয়ে। তার মানে হচ্ছে শরীর এবং যৌনতার বাইরে যে নারীর আরও অনেক বড় পরিচয় আছে সে ব্যাপারটি আমরা সমাজ হিসেবে বিশেষ করে পুরুষ সমাজ হিসেবে মনেপ্রাণে গ্রহণ বা ধারণ করতে পারিনি। এবং এটা যতোদিন আমরা না করতে পারব, ততোদিন বৈষম্য দূর করাটা এক অবাস্তব স্বপ্ন হয়েই থাকবে।

বৈষম্য দূরীকরণের ব্যাপারে সাংস্কৃতিক জগতের বাসিন্দা হিসেবে সেই জগতের ভূমিকা নিয়ে একটু বলতেই হয়।

আমরা এখনো নারীদের নেতৃত্বের জায়গা তো দূরের কথা একজন পুরুষের পাশে সমান জায়গাও দিতে পারিনি। হয়তো নারীকে সমানভাবে দেখতে আমরা অভ্যস্ত না, সে কারণেই। কিন্তু আমাদের অভ্যস্ত হতে হবেই।

প্রতিদিনই নারীঘটিত ঘটনা চোখে পড়ে বিশ্বের সর্বত্রই, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। সব নারী ঘটিত ঘটনার সাথে পুরুষ জড়িত সত্ত্বেও নারীর প্রতি অবিচার বিচারের আগেই।

ঢাকার গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুরুতেই বলা হলো তদন্ত ছাড়াই আত্মহত্যা। এখন জল্পনা কল্পনা চলছে হতে পারে এটা একটি পরিকল্পিত হত্যা। এমনটি বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনার সাথে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্পপতি বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সংশ্লিষ্ট থাকার একাধিক প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে।

প্রকৃত ঘটনা নিশ্চয় পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসার কথা কিন্তু প্রশ্ন আসবে কি সেটা? যেহেতু এটি এখন তদন্তাধীন বিষয় তাই এটি সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না সবাই বলবে।

একটি গল্প মনে পড়ে গেল এক সময় প্রায়ই যাত্রীবাহী প্লেন ছিনতাই হতে শুরু হয়। এক যাত্রী কয়েকবার ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। এবার সে নিজেই প্লেনের পাইলটের মাথায় পিস্তল ধরে বলে, কোনো কথা শুনব না সোজা নিউইয়র্কে চালাবে নইলে ঘিলু বের করে দিবো।পাইলট হতভম্ব হয়ে বলল আমি তো সেখানেই যাচ্ছি। অতীতে যখন আশানুপাত ফলাফল যাত্রী পায়নি সেক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছিল।

বাংলাদেশের পুলিশ এবং বিচারব্যবস্থা যেহেতু ভিন্নধর্মী সেক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন সঠিক তথ্য জানা যাবে কি এবং অপরাধীর বিচার হবে কি নাকি শেষে ভিকটিমই ব্লেমিং হবে, এটাই ভাবনার বিষয়!

বাংলাদেশে কোনো নারীর সাথে যে কোনো ধরণের অপরাধ সংঘটিত হলে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভিকটিমকেই দোষী সাব্যস্ত করে কথা বলে। যার ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া তো প্রভাবিত হয়ই একই সাথে ভিকটিমের মান-মর্যাদাও ক্ষুণ্ণ হয়।

দেশের সদ্য ঘটে যাওয়া ঘটনায় নিহত মুনিয়া একজন টিনএজার। যে কোনোভাবেই হোক সে একটি ইন্টিমেট সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। নানা প্রলোভন বা পিতা-মাতাহীন মেয়েটি সম্ভবত পরিবার থেকেও তেমন তদারকি পায়নি। ফলে একটি অস্বাভাবিক সম্পর্কে জড়িয়ে নিজের জীবনকে বিপন্ন করেছে।

যদিও অভিযুক্ত শিল্পপতি আনভীরের ‘রক্ষিতা’ হিসেবে মুনিয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অস্বাভাবিক একটি সম্পর্কে দু’জন নর-নারী লিপ্ত থাকলেও, শুধুমাত্র ভিকটিম মেয়েটির চরিত্রান্বেষণ শুরু হয় সর্বত্র। মানুষের হাজার কৌতূহল ভিকটিমের ব্যাপারে। অভিযুক্তের ব্যাপারে সকলে নিঃস্পৃহ।

বাংলাদেশ সংবিধানুযায়ী একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানকার যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক তার পছন্দ অনুযায়ী সম্পর্ক স্থাপনের অধিকার রাখে। প্রেম-ভালোবাসা করার অধিকার রাখে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ধর্মীয় মৌলবাদি গোষ্ঠীর উত্থানের সাথে সাথে দেখা যাচ্ছে প্রেম-ভালোবাসার মতো সম্পর্কের ক্ষেত্রে নানা ফতোয়া দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষত নারীকে অপরাধী হিসেবে দেখানোর চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রেমের মতো স্বর্গীয় সম্পর্ককে অন্যায় হিসেবে দেখানো, বিয়ের আগে প্রেম করলে জাহান্নামের ভয় দেখানোর মাধ্যমে ভালোবাসাহীন অসার পৃথিবীর প্রতি মানুষকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। মুনিয়ার ঘটনায়ও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ভিকটিমকে লক্ষ্য করে নানা কদর্য ভাষার ছড়াছড়ি দেখা গিয়েছে।

অর্ধশিক্ষিত ও কুশিক্ষিত সম্প্রদায় ভিকটিমের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তাকে গোল্ড ডিগার, লোভী, দুশ্চরিত্রা, পাপী হিসেবে অভিহিত করার চেষ্টা লক্ষ্য করা গিয়েছে। শুধুমাত্র মুনিয়ার ঘটনা নয় বরং বাংলাদেশে বিগত কয়েক বছরে নারীর সাথে সংঘটিত প্রত্যেক অপরাধের ঘটনায় একই ধারা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তনু, নুসরাত, ঢাবি শিক্ষার্থী, সিলেটের এমসি কলেজে সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনায় আমরা এসব দেখতে পাই।

তবে একটি অল্প বয়সী মেয়ে একাকী লাখ টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে কীভাবে থাকে কিংবা তার থাকাটা কতোটা নৈতিক সেই প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে। তার অভিভাবকদের ভাবা উচিত ছিল বিষয়টি। ভাড়াটেরও বিষয়টি জানা উচিত ছিল। ইচ্ছে করলে পুলিশ কর্তৃপক্ষের নজরে দিতে পারত দুর্ঘটনার আগেই। মেয়েটি যে সম্পর্কে বিলাসিত জীবন পেয়েছিল সেখানেও তার বোঝাপড়ার অভাব ছিল।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে মুনিয়ার চরিত্র নিয়ে একপাক্ষিকভাবে প্রশ্ন তোলা শুরু হয়েছে তা ভীষণ আপত্তিকর ও অন্যায়।

মুনিয়া এখন ভিকটিম। ভিকটিম শব্দটির অর্থ হলো শিকার বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি। কোনো ব্যক্তির কৃত অপরাধের কারণে অপর কোনো ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক, জৈবিক কিংবা আর্থিক ক্ষতি হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ভিকটিম বলা হয়।

পুরুষের মুখে নেঙরা ভাষা ব্যবহার এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং সমাজের একটা বড় শ্রেণির পুরুষরা নারী সম্পর্কে এই ধরণের মন্তব্য করে থাকে, ধারণা পোষণ করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ ঘরেই নারী সম্পর্কে পুরুষদের মুখে আপত্তিকর শব্দ শোনা যায় যা বলাই বাহুল্য।

আমাদের শিল্প-সাহিত্য, নাটক-সিনেমায় এসব শব্দও ফুটে ওঠে। নারীকে বেশ্যা প্রমাণে বাংলাদেশের সমাজের একটা শ্রেণির পুরুষ যে শক্তি ব্যয় করে তা কোনো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় করলে দেশ ও জাতি বরং উপকৃত হতো।

আরও পড়ুন : তরুণদের ঝরে পড়ার খবর কেউ রাখছে না!

তাই সমাজের সকলের প্রতি আহ্বান নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় শুধু নারীকেই দোষারোপ না করে বরং অভিযুক্ত আসামির শাস্তি তরান্বিত করতে ভূমিকা রাখুন। তাতে আমরা একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত এবং অপরাধমুক্ত বাংলাদেশ পাব। আসুন নারীকে শুধু ধর্ষণের চোখে না দেখে বরং নারীর প্রতি রেসপেক্ট, ভালোবাসা এবং হিংসতামুক্ত চোখে দেখি। আসুন বাংলাদেশে গড়ে তুলি একটি মানবিক পুরুষ সমাজ।

লেখক : রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে।

[email protected]

ওডি/কেএইচআর

চলমান আলোচিত ঘটনা বা দৃষ্টি আকর্ষণযোগ্য সমসাময়িক বিষয়ে আপনার মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইলকরুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
jachai
niet
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
niet

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন  

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

যোগাযোগ: 02-48118241, +8801907484702 

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড