• শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২২ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

আমরা কি সর্বক্ষেত্রে ছোট করার সংস্কৃতির দিকে যাচ্ছি?

  খালিদ ফেরদৌস

১০ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৩২
খালিদ ফেরদৌস
খালিদ ফেরদৌস

ভারতের মাটি বাংলাদেশ স্বাগতিকদের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে হারানোর পর ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়াতে স্ট্যাটাস ও লেখার বন্যা শুধু নয়; যথারীতি ভূমিকম্প হয়ে গেছিলো। এখনো কমবেশি হচ্ছে। কেউ অতি আবেগে ফেসবুকে 'ঈদ মোবারক' পর্যন্ত লিখে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। কেউ লিখেছে, বাংলাদেশ জিতলে সবসময় খুশি হই, আর ভারত হেরেছে বলে খুশি রাখার জায়গা পাচ্ছি না" কেউ লিখেছে, হাজার কষ্টের ভিড়ে আমি যখন খুব খুশি থাকব তখন ভাববেন পৃথিবী কোনো প্রান্তে ভারত হেরেছে"।

কেউ লিখেছে, ভারতের দাদাগিরির দিন ফুরালো" এমন নানাবিধ উত্তেজক শব্দ ও কথামালায় ভাসিয়ে দিয়েছে চারপাশ। কিন্তু তারাই আবার খোঁজ রাখেনি- বাংলাদেশ ভারতকে হারানোর দু'দিন পর আমাদের প্রমীলা ক্রিকেট টিম শক্তিশালী পাকিস্তান টিমকে হারিয়েছে। খোঁজ রাখলেও তাদের ভেতর সেই অর্থে কোনো উচ্ছ্বাস নেই। আমাদের সংকীর্ণতার শৃঙ্খল ভেঙে পুরুষদের পাশাপাশি প্রমীলা দলকেও একটু অভিনন্দন দেয়া শিখতে হবে। আমরা সবাই মমতাময়ী মায়ের মাধ্যমেই পৃথিবী আলো দেখেছি। তার কাছ থেকে এই রঙের দুনিয়া সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পেয়েছি। তাহলে কেন দেখাতে, বুঝাতে এতো সংকীর্ণতা বা জড়তা? মানব সভ্যতার ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই, নারীরা সবসময় পুরুষদের সাহস ও প্রেরণার বাতিঘর হিসেবে কাজ করেছে।

তাই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্বের যা কিছু মহান চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর"। ফ্লো‌রেন্স নাই‌টিং‌গে‌লের কথা নিশ্চয় সবার মনে আছে। যাকে lady with the lamp বলা হতো। হ‌লিউ‌ডে ছ‌বিও করা হ‌য়ে‌ছে "Lady with a lamp" না‌মে। বিশ্ব মানবতার অগ্রপথিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক খ্যাত মাদার ‌তেরেসাকে মানবসেবায় অসামান্য অবদানের কারণে নো‌বেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে৷ ১৭ বছ‌রের পাকিস্তানি কিশোরী মেয়ে ইউসুফ মালালা জাই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। বঙ্গ‌দে‌শে সেই মুঘল শাসন আমল থে‌কে শুরু ক‌রে আজ অবধ্যি নারীর যথাযথ প্রাপ্য দানে এবং স্বীকৃতি দিতে অনীহার ছাপ। কিন্তু নারী নিজের প্রচেষ্টা ও অধ্যাবসায় দিয়ে এগিয়ে গেছে নারী। দেশে নারী প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী-এমপি, সচিব-পুলিশ, এনজিও প্রধান নারী। বাংলা তথা ভারতবর্ষের নারী শিক্ষা ও জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখওয়াত হোসেনের কথা সকলেরই জানা।

তারপরও আমরা সুযোগ পেলেই নারীকে হেয় করি, মানুষকে ছোট করি। ছোট করি উদীয়মান কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা খেলাকে। চারিদিকে চলছে অতি প্রশংসা নতুবা ছোট বা হেয় করার সংস্কৃতি। কিছুদিন আগে বাংলাদেশে ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এসে বললেন, "বাংলাদেশ ফুটবলের রাজধানী"। তিনি কেন এটা বললেন তা আমার বোধগম্য নয়। তবে এটা বাংলাদেশের জনগণ বুঝেছে- তিনিও অতি প্রশংসা বিদ্যায় দারুণ পারদর্শী। তিনি এও বলেছেন, "বাংলাদেশে এখনো ফুটবল সবচেয়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভালো করেছে কারণ বিশ্বে খুব কম দেশ ক্রিকেট খেলে"। ক্রিকেটপ্রেমিদের ধারণা সুকৌশলে তিনি ক্রিকেটকে ছোট করলেন।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট টিমের সুপারম্যান খ্যাত সাকিব আল হাসানকে তার স্ত্রীসহ একটা টিভি টক-শোতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে উপস্থাপক প্রশ্ন করলো, আপনি ফুটবল ভালো খেলতেন, কিন্তু ক্রিকেট খেলোয়াড় হলেন কেন? সে ঝটপট উত্তর দিলেন, "ক্রিকেটে টাকা বেশি ফুটবলে টাকা কম তাই আমি ক্রিকেটার" এই একই প্রশ্ন যদি ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের কোনো বাস্কেটবল প্লেয়ার বা এথলেটকে করা হতো তবে বাস্কেটবল খেলোয়াড় উত্তর দিত, ক্রিকেটে টাকা কম, আমেরিকাতে(ইউএসএ) বাস্কেটবল খেলে অনেক টাকা আয় করা যায়। জ্যামাইকান এথলেট তথা দৌড়বিদ উসাইন বোল্টকে একই প্রশ্ন করলে তিনি উত্তর দিতেন, "আমাদের অঞ্চলে অন্য খেলায় টাকা কম, এথলেটিক্স এ টাকা বেশি তাই আমি দৌড়বিদ হয়েছি। আপনি বিশ্বের যে দেশেই যান কেন এই একই উত্তর ঘুরেফিরে আসবে। অর্থাৎ যেখানে টাকা সেখানেই গুরুত্ব, নিজের যা পছন্দ তা বাদে অন্য সবকিছুকে হেয় বা ছোট করার প্রয়াস।

সম্প্রতি আমাদের জাতীয় ফুটবল দলের দলনায়ক জামাল ভূঁইয়া অবশ্য স্বীকার করেছেন বাংলাদেশে ক্রিকেট সবচেয়ে জনপ্রিয় ও টাকা বেশি। কিন্তু তিনিও ফিফার বর্তমান প্রেসিডেন্টের পথে হাঁটলেন। তিনি বললেন, "ক্রিকেট খুব কম দেশ খেলে তাই বাংলাদেশের সুযোগ বেশি"। তাদের কথা মেনে নিলাম। কিন্তু তারা যে দশ বারোটি দেশে ক্রিকেট খেলার কথা বলেছেন; দেশগুলো নিজ নিজ মহাদেশে আর্থ-সামাজিক ও খেলাধুলার দিক দিয়ে সেরা দেশ। এশিয়ায় প্রায় দুশো কোটি মানুষ ক্রিকেটে অন্তঃ প্রাণ। ভারতে ক্রিকেটকে ধর্ম এবং লিজেন্ড ক্রিকেটারকে বলা হয় দেবতা। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের কথা বাদই দিলাম।

নেপাল, ভুটান ক্রিকেটের পরাশক্তি হয়ে উঠছে। চীন-জাপান অন্তত ব্যবসায়ীক স্বার্থে হলেও ক্রিকেটে নজর দিয়েছে। কিছুদিন আগেও চীনের একটা মোবাইল কোম্পানি হাজার কোটি টাকা খরচ করে ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর ছিল। এরপরও আসি আফ্রিকা মহাদেশে; যেখানকার একমাত্র শিল্পোন্নত দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান খেলা ক্রিকেট। সেখানকার ক্রিকেটাররা তাদের দেশে সবচেয়ে বেশি সম্মান ও কদর পায়। এছাড়া জিম্বাবুয়ে, কেনিয়া, উগান্ডা, তানজানিয়াসহ অনেক দেশে পেশাদার ক্রিকেট লিগ ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের প্রধান দুটি দেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ক্রিকেট তুমুল জনপ্রিয়। ইউরোপ মহাদেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে প্রভাব-বিস্তারকারী ইংল্যান্ড। দেশটি ক্রিকেটের জন্মদান শুধু করেনি খেলার ঐতিহ্য ও জৌলুশ ধরে রেখেছে।

এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯ এ চ্যাম্পিয়ন তার প্রমাণ বহন করে। আমরা ভালো করে জানি ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার এশেজ টেস্ট ক্রিকেটে পাঁচদিনই গ্যালারি ভর্তি দর্শক থাকে। ইংল্যান্ড ছাড়া ইউরোপের অনেক দেশ যেমন- স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, হল্যান্ড, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশে নিয়মিত ক্রিকেট খেলা হয়। যদিও ইউরোপের অনেক দেশ ক্রিকেটে বেশি সময় লাগে বলে ক্রিকেট খেলায় আগ্রহী নয়। তবে একথা সত্য ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টি-টুয়েন্টি ও টি-টেন ক্রিকেটে তাদের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাতে ক্রিকেট খেলা হয় না। তারপরও যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা নিয়মিত আইসিসির আন্তর্জাতিক ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। তবে মধ্য আমেরিকা তথা ক্রিকেটের বরপুত্র ব্রায়ান লারার অঞ্চল ক্যারিবিয়ান দেশগুলো একসময় ক্রিকেটের স্বর্ণভূমি ছিল। এখনো এই অঞ্চলের লোক ক্রিকেট পাগল। তারপরও কিছু লোক সুযোগ পেলেই ক্রিকেটকে ছোট করবে এবং বলবে, ক্রিকেট জনপ্রিয় খেলা না। এই খেলা ১০ থেকে ১২ দেশ খেলে। আমার ধারণা, জনপ্রিয়তা কাকে বলে সেই ব্যাপারে তাদের ধারণাটা স্পষ্ট নয়। আমার তো মনে হয় জনসংখ্যার বিবেচনায় জনপ্রিয়তায় সবখেলার মধ্যে ফুটবলের পর ক্রিকেটের অবস্থান।

বাংলাদেশের ক্রীড়ামোদীদের আর একটা বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে; তাহলে আমাদের আবহাওয়া, মানুষের শারীরিক গড়ন ও শক্তি-সামর্থ্য। আমাদের দেশ পৃথিবীর যে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে অবস্থিত সেখান থেকে ফুটবলে ভালো করা দুরূহ। ইতিহাস তাইই বলে- ১৯৩০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে আজ অবধি দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করার যোগ্যতা অর্জন করেনি। এই অঞ্চলের দেশগুলোকে ফুটবল বা পেশিশক্তি নির্ভর খেলাগুলোতে ভালো করতে প্রচুর অনুশীলন, ইউরোপ-আমেরিকাতে প্রচুর খেলার ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। যা আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে করা সহজ কর্ম নয়। এখানে ঈশ্বর প্রদত্তভাবে বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি প্লে-ম্যারাডোনা, লিওনেল মেসি, রোনালদোর মতো অসাধারণ মেধাবী খেলোয়ারের জন্ম হতে হবে। এমন অনেক কিছুর সমন্বয় না ঘটলে ফুটবলের মতো খেলায় আমাদের মতো দেশের ভালো করা কষ্টসাধ্য।

আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারত ফুটবলে কোটি কোটি টাকা খরচ করেও খুব বেশি আগাতে পারেনি। আগে আমরা তাদেরকে হারাতাম সহজে। এখন হারাতে বেগ পেতে হয় এই যা। তবে ফিফার র‍্যাংকিং-এ তারা এগিয়ে মূলত মিলিয়ন ডলার খরচ করে বিদেশি নামি-দামি খেলোয়ার ও কোচ এনে 'ইন্ডিয়ান সুপার লিগ' আয়োজন করে। অন্যদিকে তাদের ক্রিকেটের বাজার হাজার হাজার কোটি ডলারের। তারপরও ইদানীং আমরা অনায়াসে তাদের হারিয়ে দিতে পারি। যা অতীতে প্রায় অসম্ভব ছিলো। তার মানে ক্রিকেট আমাদের সোনার ডিম দেওয়া হাঁস। আমাদের আনন্দের বিশুদ্ধ অক্সিজেন হলো ক্রিকেট; যাতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বা দূষিত পদার্থ দিয়ে নষ্ট করার হীন প্রচেষ্টা অব্যবহৃত রয়েছে। সাকিবের দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা তারই একটা লক্ষণ কিনা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খুঁজে দেখতে হবে।

আমাদের খেলাধুলা চিন্তায় দেশজকরণ করতে হবে। ফুটবল প্রচুর জনপ্রিয় ও আন্তর্জাতিক খেলা এটা ভেবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললে চলবে না। অন্যদিকে ক্রিকেট আমাদের দেশে এক নম্বর খেলায় পরিণত হয়েছে। যেখানে সারা বাংলাদেশের মানুষ অন্যকোনো জাতীয় ইস্যুতে এক না হতে পারলেও ক্রিকেটে এক শ্বাস এক প্রাণ। যখন আমাদের দেশের হাটে-বাজারে, মাঠে-ময়দানে, পাড়া-মহল্লায়, শহরে-গঞ্জে বিভক্তির বিষবৃক্ষ গজিয়ে উঠেছে। আমাদেরকে অস্তিমজ্জা, শিরা-উপশিরা, মাংসপেশী, মাথার থকথকে মগজপিণ্ডে বিভক্তি ও বিরুদ্ধাচরণের তীব্র সংকট ও যন্ত্রণা।

এমতাবস্থায় দেশের মানুষের নির্ভেজাল আনন্দ-বিনোদনের খুব অভাব। তাই দেশের মানুষের আনন্দ-বিনোদন জন্য ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, সকল বিতর্ক ও ষড়যন্ত্রের বাইরে রাখতে হবে। ফুটবল সব দেশ খেলে ক্রিকেট হাতে গোনা কয়েকটি দেশ খেলে; এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে ক্রিকেটকে ছোট বা হেয় প্রতিপন্ন করা যাবে না। ক্রিকেটকে যথাযোগ্য সম্মান দিতে হবে। প্রমীলা ক্রিকেট সব সময় দৃশ্যপটের বাইরে থাকে।

একে মূলস্রোতধারায় আনতে হবে। ব্যক্তি জীবন, শিক্ষা-দীক্ষা, মানবকল্যাণ, ক্রীড়া, রাষ্ট্র পরিচালনাসহ সকল ক্ষেত্রে নারী‌দের যথাযোগ্য সম্মান ও স্বীকৃতি দি‌তে হবে। নারীরা খেলে বলে যেকোনো খেলাকে অবজ্ঞা করা যাবে না। ক্রীড়াসহ রাষ্ট্রিক সকল ক্ষেত্রে ছোট বা হেয়প্রতিপন্ন করার মানসিকতা ও সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বৃত্তের বাইরে চিন্তা করে প্রাগ্রসর সমাজ বিনির্মাণে সরকারের পাশাপাশি সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের মনের ভেতর যে শুয়াপোকা বা পশুত্ব বসবাস করে তাকে হত্যা করে মানবতার ফেরি করা মনে, প্রজাপতির মতো উদার-উন্মুক্ত হয়ে, উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতিতে ধাবমান বাংলা জননী চোখে যে ছোট করার মানসিকতার ধুলাবালি জমেছে তা মায়ের শুভ্র আঁচল দিয়ে মুছে দিতে হবে। সম্মিলিত প্রয়াসে গড়ে তুলতে হবে সোনার বাংলাদেশ।

লেখক : এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

চলমান আলোচিত ঘটনা বা দৃষ্টি আকর্ষণযোগ্য সমসাময়িক বিষয়ে আপনার মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সরাসরি দৈনিক অধিকারকে জানাতে ই-মেইলকরুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড