• সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৭ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

ফাহাদের বাড়িতে যাচ্ছেন বুয়েট উপাচার্য

  অধিকার ডেস্ক

০৯ অক্টোবর ২০১৯, ১২:২০
বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম
বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম (ছবি : সংগৃহীত)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করার ২ দিন পরে বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। 

বুধবার (৯ অক্টোবর) তিনি ফাহাদের বাড়ির উদ্দেশে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রওনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপাচার্যের পিএস কামরুল ইসলাম।

কামরুল ইসলাম বলেন, আবরারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে ভিসি কুষ্টিয়ায় যাচ্ছেন। বিকেল ৩টা নাগাদ তিনি আবরারের বাড়িতে পৌঁছাতে পারেন।

এ দিকে ফাহাদ হত্যার ৪৮ ঘণ্টা পর গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার পরে প্রকাশ্যে আসেন অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। এ সময় শিক্ষার্থীরা জানতে চান, দুদিন ধরে তিনি কোথায় ছিলেন? কিন্তু তিনি কোনো জবাব না দিয়ে সরাসরি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে চান। মাইক দেওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আবরারের মৃত্যু হয়েছে।’

উপাচার্যের এমন মন্তব্য শুনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে তারা আবরারের মৃত্যু নয় তার খুন হয়েছে বলে চিৎকার শুরু করলে উপাচার্য বলেন, ‘ঠিক আছে খুনই হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। পাঁচ থেকে ছয়জনকে নিয়ে বসেছি। সবতো আমার হাতে নেই, যেগুলো আমার হাতে আছে সেগুলো আমি করছি। নীতিগতভাবে তোমাদের পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছি। সারা দিন মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তোমরা অধৈর্য হবে না।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দিয়ে উপাচার্যকে ক্যাম্পাস না ছাড়ার দাবি জানান। শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির বিষয়ে অনড় ও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি তো কোনো অন্যায় করিনি।’ এ কথা শোনার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। নিহত ফাহাদ বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ ঘটনায় সোমবার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) গ্রেফতারকৃত ১০ আসামিকে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

ওডি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড