• রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

সাবেক তথ্যমন্ত্রী মিজানুর রহমান শেলীর মৃত্যুতে ফখরুলের শোকবার্তা

  অধিকার ডেস্ক

১৩ আগস্ট ২০১৯, ০১:৫১
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং মিজানুর রহমান শেলী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং মিজানুর রহমান শেলী

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সরকারের সাবেক তথ্যমন্ত্রী, রাজনীতি বিশ্লেষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. মিজানুর রহমান শেলীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবাণীতে তিনি বলেন, মিজানুর রহমান শেলীর মৃত্যুতে তার পরিবার-পরিজনদের ন্যায় আমিও সমব্যথী। একজন গুণী, সুশিক্ষিত, সংস্কৃতবান ও রুচিশীল মানুষ হিসেবে তিনি সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন। তিনি ছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক। এছাড়াও সমাজবিজ্ঞান ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন শেলী। 

মির্জা ফখরুল বলেন, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মিজানুর রহমান শেলী সাহিত্যের নানা বিষয়ের চর্চা করতেন। তিনি ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক ও আলোকিত মানুষ।  স্বদেশ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে যতগুলো পেশার সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন সেসবের প্রত্যেকটিতে দক্ষতা ও প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রেখেছেন।

শোকবাণীতে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অত্যন্ত উদার, সজ্জন ও বিনয়ী স্বভাবের মানুষ ছিলেন তিনি। তার মতো একজন বরেণ্য শিক্ষাবিদের মৃত্যু দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

‌‘আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকার্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।’‌‌

প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

তাঁর ছেলে আরিফ ইবনে মিজান গণমাধ্যমকে জানান, গতমাসে বাবা স্ট্রোক করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। 

বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানান, শনিবার বিএসএমএমইউ‌ আইসিইউতে নিয়ে আসা হয় শেলীকে। সেখানেই আজ দুপুর সোয়া দুইটার দিকে রেসপিরেটরি ফেইলিউর হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

ছেলে আরিফ জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মিজানুর রহমান শেলীর মরদেহ রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হতে পারে।

আরিফ ছাড়াও তাহমিদ ইবনে মিজান নামে আরও এক সন্তানের জনক ছিলেন শেলী। ২০১৬ সালে তার স্ত্রী সুফিয়া রহমান মারা যান।

কর্মজীবনে মিজানুর রহমান শেলী আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্সের চেয়ারম্যান ছিলেন। বেসরকারি গবেষণা ও প্রকাশনা সংস্থা সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ, বাংলাদেশের (সিডিআরবি) প্রধান ছিলেন তিনি। এরশাদ সরকারের সময় তথ্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

ওডি/এএন 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড