• সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬  |   ৩২ °সে
  • বেটা ভার্সন

পুলিশের ওপর হামলে পড়ার সুযোগ খুঁজছিল ওরা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ আগস্ট ২০১৯, ২২:৫২
জেএমবি
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার জেএমবির সদস্যরা (ছবি : সংগৃহীত)

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদের টার্গেট ছিল পুলিশ। তারা পুলিশের ওপর হামলা করার জন্য উপযুক্ত সুযোগের সন্ধানের ছিল। এরা ‘এক্সক্লুসিভ ডিভাইস বা আইডি’ তৈরির যন্ত্রাংশও সংগ্রহ করেছিল। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট-সিটিটিসির দীর্ঘ নজরদারির পর তারা গ্রেফতার হয়েছে।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির প্রধান মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

মনিরুল ইসলাম বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে নব্য জেএমবির ‘উলফ প্যাক’ গ্রুপের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছি। তারা সবাই শিক্ষার্থী ও নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান।

গ্রেফতারা হলেন- মো. শিবলী আজাদ ওরফে শাদী, শাহ এম আসাদুল্লাহ মুর্তজা কবীর ওরফে আবাবিল, মাসরিক আহমেদ, মো.আশরাফুল আল আমীন ওরফে তারেক ও এস এম তাসমিন রিফাত।

সিটিটিসির প্রধান বলেন, এই ৫ জন পুলিশের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হামলাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল মো. শিবলী আজাদ। বাকিরা তার সহযোগী হিসেবে কাজ করছিল। এদের মধ্যে মো. শিবলী আজাদ ও শাহ এম আসাদুল্লাহ মুর্তজা কবীর ওরফে আবাবিল নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ এর শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, শিবলী হামলার জন্য এক্সক্লুসিভ ডিভাইস বা আইডি’ তৈরি করার যন্ত্রাংশও সংগ্রহ করেছিল। সর্বশেষ ঢাকার দুইটি জায়গা থেকে যে দুটি আইডি উদ্ধার করা তার সঙ্গে এসব যন্ত্রাংশের মিল রয়েছে। আর শাহ এম আসাদুল্লাহ মুর্তজা কবীর ওরফে আবাবিল একদিকে আধ্যাত্মিক নেতা এবং সে এই হামলার জন্য অর্থ যোগান করার চেষ্টা করছিল। আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে সে কিছু অর্থ এই হামলার জন্য জোগাড় করেছিল।

ওডি/এমআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড