• শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

  অধিকার ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০১৯, ০৯:১৮
পবিত্র কাবা শরিফ
পবিত্র কাবা শরিফ। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে আজ শুক্রবার (৯ আগস্ট) যাত্রা করবেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান। তাদের সুমধুর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে- ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ান্নি’মাতা লাকা ওয়ালমুল্ক্’। অর্থাৎ—‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার।’

মিনার উদ্দেশে পদযাত্রায় লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লির পদভারে মুখরিত হয়ে উঠবে আজ। আকাশে বাতাসে মুখরিত হয়ে তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হবে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি।

সারা বিশ্বের বিশ লাখের বেশি মুসলমান বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যার পর নিজ নিজ আবাস এবং মসজিদুল হারাম থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কা থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এর মাধ্যমে শুরু হবে মুসলমানদের অন্যতম ফরজ ইবাদত পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে হজ পালনের শুরু হয়; যা সমাপ্ত হবে ১২ জিলহজ শয়তানকে পাথর মেরে।

হজ পালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। দীর্ঘ যানজট এড়ানোর জন্য অনেকে মিনায় যাবেন পায়ে হেঁটে। অন্যান্য দেশের হাজিদের মতো বাংলাদেশের ১ লাখ ২৬ হাজার হাজিও রওয়ানা হবেন মিনার পথে। আজ সারাদিন মিনায় অবস্থান করে সেদিন রাতে ও প্রত্যুষে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন তারা। আগস্টের ১০ তারিখে আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা দেওয়া হবে। হজের খুতবা শেষে জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন হাজিরা। সেদিন সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন।

মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থান করার পর শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেবেন হাজিরা। ওইদিন ফজরের নামাজ শেষে বড়ো জামারায় (প্রতীকী বড়ো শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করার জন্য মিনায় যাবেন তারা। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কুরবানি দেবেন হাজিরা। ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করার দিনকেই হজের দিন বলা হয়। এদিনের নাম—ইয়ামুল আরাফা।

১০ জিলহজ মিনায় ফেরার পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কুরবানি, মাথা মুণ্ডন করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত। এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মাঝে একটি স্তম্ভ হজের আনুষ্ঠানিকতা।

ওডি/এএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড