• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬  |   ১৮ °সে
  • বেটা ভার্সন
sonargao

প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত শুরু!

  অধিকার ডেস্ক

২১ জুলাই ২০১৯, ০৪:২৯
ডোনাল্ট ট্রাম্পের সাথে কথা বলছেন প্রিয়া সাহা
ডোনাল্ট ট্রাম্পের সাথে কথা বলছেন প্রিয়া সাহা (ছবি : সংগৃহীত)

যুক্তরাষ্ট্রে সংখ্যালঘুদের নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার করা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার নেপথ্যে দেশি-বিদেশি কারও ইন্ধন আছে কি-না, সেটিও পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ। 

এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া সবশেষ কোন কোন দেশে এবং কী কারণে গিয়েছেন- সেসব তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। সেখানে ১৬ দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়াও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।

সেখানে প্রিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পকে বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। দেশটিতে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। অনুগ্রহ করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এখনো সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছেন। আমরা বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছেন, ভূমি দখল করে নিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল ওই সূত্র জানায়, প্রিয়ার বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সরকারের কানে পৌঁছেছে। কূটনীতিকভাবে বিষয়টি মোকাবেলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন। বিশেষত, শুক্রবার ঘটনাটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর তৎপর হয় সব সংস্থা।

শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, এ ধরনের অসত্য গুঞ্জন ছড়ানোর পেছনে নিশ্চয়ই কারণ আছে। তার একটা উদ্দেশ্য থাকতে পারে। সেটা কী তাই দেখার বিষয়। আমরা তাকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করব। নিশ্চয়ই তিনি একটা উত্তর দেবেন। তা অনুযায়ী আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, ‘তার অভিযোগ একেবারেই মিথ্যা। বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট কথা বলেছেন তিনি।

শুক্রবার প্রিয়ার স্বামী ও পরিবারের কয়েকজনের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করেছে পুলিশ। তাদের কাছে তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে। ওর পরিবারের অনেকেই ওর বক্তব্য মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, সেসব দেখে মনে হচ্ছে, ট্রাম্পের সামনে বাংলাদেশকে ‘অনিরাপদ’ রাষ্ট্র প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হতে চেয়েছেন প্রিয়া।

তবে আন্তর্জাতিক কারও ইন্ধনে তিনি এ কাজ করেছেন কি-না, সেই সূত্রও খোঁজা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আগে সাহা কোন কোন দেশে, কী উদ্দেশ্যে গিয়েছেন, কার কার সঙ্গে দেখা করেছেন- সেসব বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ওডি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: মো: তাজবীর হোসাইন সজীব 

 

সম্পাদকীয় কার্যালয় 

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড