• মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

কাল বাজেট ঘোষণা, সুবিধা পাচ্ছে যারা

  অধিকার ডেস্ক

১২ জুন ২০১৯, ২১:০৪
সংসদ ভবন
ছবি : অধিকার

নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হবে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)। এদিন একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের প্রথম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২০তম ও বাংলাদেশের ৪৮তম বাজেট। খবর বাসস।

নতুন বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এ বাজেট পাস হবে আগামী ৩০ জুন। ২০১৯-২০ বাজেট হবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেটের থেকে ১২.৬১ শতাংশ ও সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮.২২ শতাংশ বড়।

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছিলেন। মুহিত টানা ১০বার জাতীয় বাজেট পেশ রেকর্ড গড়েন।

এবারের বাজেটে বেকারদের জন্য ঋণ তহবিল গঠন ও ভ্যাট আইন কার্যকরসহ কয়েকটি নতুন বিষয় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা, সঞ্চয়পত্র, পুঁজিবাজার ও ব্যাংকিংখাতে ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাব আসতে পারে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তির ঘোষণা আসতে পারে।

নতুন কোন খাত বের করে জনগনের ওপর করারোপ করতে অর্থমন্ত্রীর ইচ্ছে নেই। তাই তিনি আসন্ন বাজেটে করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেবেন। অর্থমন্ত্রীর নজর অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণের দিকে।

বাজেটের করহার নিয়ে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল একাধিবার জানান, তিনি চান না, করের হার বাড়ার মাধ্যমে করচাপ তৈরি হোক। তবে তিনি করজাল সম্প্রসারণ করে রাজস্ব বাড়াতে চান।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য কানন কুমার রায় বলেন, আগামী বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় করদাতা বৃদ্ধির লক্ষে আসন্ন বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রথমবার বেকারদের জন্য ‘উদ্যোক্তা তহবিল’ গঠন হচ্ছে। তহবিল গঠনের লক্ষ্য নতুন উদ্যোক্তা তৈরির করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এছাড়া এবারের বাজেটে রফতানি বহুমুখীকরণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

অর্থমন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি পণ্যকে তৈরি পোশাক রফতানির মতোই প্রনোদনা দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে প্রস্তাব করা হয়েছে।

যেসব ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এবারের বাজেটে তাদের জন্যও বিশেষ ঋণ ব্যবস্থার প্রস্তাব থাকবে।

আগামী বাজেটে রাজস্ব আহরণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১৩.১ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত কর ১৪ হাজার ৫০০ কোটি, কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি এবং বৈদেশিক অনুদান ধরা হচ্ছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা। বাজেটের পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে। এতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে ৮.২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে। এ বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ ৫.৫ শতাংশে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

ওডি/এমআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড