• সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬  |   ২৮ °সে
  • বেটা ভার্সন

সর্বশেষ :

নিজ দেশে ফিরে যেতে রোহিঙ্গাদের দুই শর্ত||এ পি জে আব্দুল কালামের স্মৃতিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী  ||উদ্বেগ থাকলেও ভারতের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ||ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি ঢাকতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ : রিজভী ||কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের অভিযোগে সীমান্তে‌ হাই অ্যালার্ট||ভারতের পর এবার বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের||সোমবার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক||মেক্সিকোয় কুয়া থেকে ৪৪ মরদেহ উদ্ধার করল বিজ্ঞানীরা||অন্যায় করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না : কাদের    ||সৌদির তেল স্থাপনাতে হামলায় ইরানকে দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র

ঈদে নৌপথের নিরাপত্তায় ১৮ প্রস্তাব

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ মে ২০১৯, ২০:২১
নৌপথ
ঈদযাত্রায় নৌপথের নিরাপত্তায় ১৮ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি (ফাইল ফটো)

আসন্ন ঈদে নৌপথের যাত্রীদের নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি ১৮ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে।

বুধবার (২২ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।

১৮ দফা প্রস্তাবনার উল্লেখযোগ্য হলো- যাত্রীবাহী সকল নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রীবহন বন্ধে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, সকল নৌবন্দর, লঞ্চঘাট, খেয়াঘাটে ঘাটভাড়ার নামে ইজারাদারের অতিরিক্ত টোল আদায় ও দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া দুর্যোগপূর্ণ কালবৈশাখীর এ সময়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নৌপথে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। 

তাছাড়া সকল লঞ্চঘাট ও নৌবন্দরে অজ্ঞানপার্টি, প্রতারকচক্র, কুলিদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা, প্রত্যন্ত অঞ্চল পাহাড়ি জনপদে অবৈধ, অনিবন্ধিত, ফিটনেসবিহীন, ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা, শিমুলিয়া-কাঠাঁলবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রীবহন নিষিদ্ধের পাশাপাশি শৃঙ্খল যাতায়াত নিশ্চিত করা।

সকল নৌবন্দর ও লঞ্চঘাটে পর্যাপ্ত পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড ও আনসার মোতায়েন করা। গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরে ও লঞ্চঘাটে সিসিটিভি স্থাপন করা। নৌপথে যাত্রীদের সেহেরি ও ইফতারিতে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন খাবার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা দরকার।

নৌপথে সব ধরনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য প্রতিরোধে সমুদ্র পরিবহন অধিদফতর, বিআইডাব্লিউটিএ, ভোক্তা অধিদফতর, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা; সব লঞ্চটার্মিনাল ও নৌবন্দরের গণশৌচাগার ও অজুখানায় পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থাসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, প্রতিবছর ঈদে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হয়। সরকার নির্ধারিত ভাড়া না মেনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে পরিবহনের মালিক-শ্রমিকরা। নৌপথের যাত্রীরা তাদের নৈরাজ্যের শিকার। কালোবাজারিরা কেবিনের টিকিট হাতিয়ে নিয়েছে, তারা কয়েকগুণ বেশি দামে টিকিট বিক্রি করছে। এসব অসাধু তৎপরতা জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করতে সরকারের  প্রতি দাবি জানাচ্ছি।

ওডি/এমআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড