• বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬  |   ৩১ °সে
  • বেটা ভার্সন

দেশের ২১ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ এখন দরিদ্র

  অধিকার ডেস্ক ১৩ মে ২০১৯, ১৮:২০

দরিদ্র
(ছবি : সংগৃহীত)

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং হতদরিদ্রের হার ১১ দশমিক ৩ শতাংশ।

রাজধানীর হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (এইচআইইএস) প্রকল্পের চূড়ান্ত ডাটা প্রকাশে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সোমবার (১৩ মে) বিবিএস’র মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ড. কৃষ্ণা গায়েন বলেন, প্রতিনিয়ত সরকারের উন্নয়নে দেশের দারিদ্র্যের হার কমছে। ২০১৮ সালে দেশে চূড়ান্ত দারিদ্রের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং হতদারিদ্র্যের হার ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। আর ২০০৫ সালে যেখানে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪০ শতাংশ, ২০১৬ সালে তা কমে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিবিএস মহাপরিচালক আরও বলেন, ২০০৫ সালে ১০ হাজার ৮০টি, ২০১০ সালে ১২ হাজার ২৪০টি এবং ২০১৬ সালে ৪৬ হাজার ৮০টি খানা জরিপ করা হয়। বিবিএস দীর্ঘ সময় তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করেই এ চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে।

খানার আয় ব্যয়:

জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে দেশের খানা প্রতি মাসিক আয় ১৫ হাজার ৯৮৮ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। ২০১০ সালে ছিল এর পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৪৭৯ টাকা। অন্যদিকে ২০১০ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৫৫৩ টাকা, ২০১৬ সালে তা ৩ হাজার ৯৪০ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। আর সর্বশেষ হিসেবে পরিবার ভিত্তিক ব্যয় হচ্ছে ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ২০১০ সালে যার পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ২০০ টাকা।

তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মাথাপিছু আয় ও ব্যয় বাড়লেও আগের চেয়ে খাদ্যগ্রহণের প্রবণতা কমে এসেছে। ২০১০ সালে মাথাপিছু ৪১৬ গ্রাম ভাত গ্রহণ করলেও এখন এর পরিমাণ ৩৬৭ গ্রামে নেমে এসেছে। আর ২০১৬ সালে মাথাপিছু গম গ্রহণের প্রবণতা ১৯ দশমিক ৮৩ গ্রামে। ২০১০ সালে এর পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ০৯ গ্রাম।অন্যদিকে ২০১৬ সালে মাথাপিছু ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ ২ হাজার ২১০ কিলোক্যালরিতে নেমে এসেছে। যেখানে ২০১০ সালে মাথাপিছু গড়ে ২ হাজার ৩১৮ কিলোক্যালরি খাদ্য গ্রহণ করা হতো।

জরিপে আরও উঠে এসেছে, স্বাধীনতার পর থেকে অর্থের বড় অংশ খাদ্যে ব্যয় করা হলেও এবার খাদ্য বহির্ভূত খাতে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ২০১৬ সালে খাদ্যে বাংলাদেশে পরিবারগুলোর গড় অর্থ ব্যয়ের ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৩০ শতাংশে। অথচ ২০১০ সালে খাদ্য খাতে ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ এবং অন্য খাতে ৪৫ দশমিক ২০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ড. দিপংকর রায়, উপ-পরিচালক আব্দুল লতিফ, বিবিএসের যুগ্ম পরিচালক এককেএম আশরাফুল হক প্রমুখ।

ওডি/টিএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড