• শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬  |   ২৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

পরবর্তী নেতৃত্ব দলই ঠিক করবে : প্রধানমন্ত্রী 

প্রধানমন্ত্রী
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ছবি : পিআইডি)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবসর নেয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কে আসবেন এটা দলই সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে আমি কাউকে নির্ধারণ করে দিতে পারি না। সেখানে আমি কেন বলে যাব অমুক হবে, তমুক হবে।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে ব্রুনাই সফর নিয়ে গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলেন সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। আমরা কিন্তু আমাদের গঠনতন্ত্র মেনেই সংগঠনটা তৈরি করি। আমাদের সম্মেলন হয়ে গেছে। আবার আমাদের সম্মেলনের সময় এসে গেছে। সম্মেলনের আগে একেবারে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা, মহানগর পর্যন্ত সম্মেলনগুলো করা হয়।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি, ‘আমরা ইতোমধ্যে আটটি টিম করে দিয়েছি। আমাদের আটটি বিভাগের জন্য। এই আটটি টিমের ওপর দায়িত্ব আছে যে, তারা ওই সব বিভাগে গিয়ে কমিটি করে দেবে। তৃণমূল থেকে সদস্য সংগ্রহ এবং কমিটি করে নিয়ে তারা নিয়ে আসবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আর একটি কাজ করতে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ, তাই আমাদের সমস্ত কমিটিগুলোকে ডিজিটালাইজড করতে চাচ্ছি। আমরা একটি নতুন অ্যাপ তৈরি করে আমাদের সমস্ত কমিটি সেখানে রাখব। এজন্য একটি টিমও আমরা তৈরি করে দিয়েছি।’

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘আমি তো কোনোদিন ভাবিনি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট হব। চিন্তাও করিনি। ১৯৭৫’র পর ওই দুই-তিন বছর তো কিছুই চিন্তাও করতে পারিনি। খুব খারাপ অবস্থায় গেল। এরপরে যখন প্রথম ১৯৮০ সালে লন্ডনে গেলাম। আর ১৯৭৯ সালে রেহানা আমার পক্ষ থেকে সুইডেনে গিয়ে প্রথম রাজনৈতিক বক্তব্য দিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের হত্যার বিচার এবং মিলিটারি ডিটেকটরের বিরুদ্ধে।’

১৯৮০ সালে লন্ডনে সংগঠনকে গড়ে তোলার ঘটনা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তখন কিন্তু আমি আওয়ামী লীগের ছিলাম না। আমি ছাত্রলীগ করতাম। ছাত্রলীগের মেম্বার ছিলাম। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলাম। কাজেই ওটা আমি চিন্তাই করিনি। আমি পার্টির কিছু আছি কি না আছি, ও নিয়ে মাথাব্যথাও ছিল না। সারা ইংল্যান্ড ঘুরে ঘুরে যেখানে যেখানে বাঙালি সেখানে সেখানে গিয়েছি। তখন অনেক কঠিনও ছিল। অতো টাকা-পয়সাও আমাদের ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘তখন যে কাজ শুরু করেছিলাম, তখন তো ওই নেতৃত্বের চিন্তাও করিনি। ওসব মাথাও ছিল না, দরকারও ছিল না। সংগঠনের কাজ হিসেবে কাজই করে গেছি। তারপর ১৯৮১ সালে যখন আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো, সেটাও তো জানিও না। তখন সিদ্ধান্ত নিলাম, আসব। কারণ দেশে আসতে পারছিলাম না, সেটা হলে আসতে পারব। তারপর এসে দায়িত্ব নিয়েছি, কাজ করেছি।’

ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়ার আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ২১ থেকে ২৩ এপ্রিল ব্রুনাই সফর করেন। সফরে দুই দেশের মধ্যে ছয়টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং একটি বিনিময় নোট স্বাক্ষরিত হয়। এটাই ছিল ব্রুনাইতে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর।

ওডি/আরএডি

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড