• শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬  |   ২৬ °সে
  • বেটা ভার্সন

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ছে না

  অধিকার ডেস্ক ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৩২

জাতীয় সংসদ
জাতীয় সংসদ (ফাইল ছবি)

সকল ধরনের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করতে সংসদ অধিবেশনে আনা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে সংসদের বেসরকারি দিবসে বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র এমপি মো. রেজাউল করিম বাবলু ‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করা হোক’ লিখে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

তার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে দশ জন এমপি সমর্থন দিয়ে সংশোধনী দেন। এর মধ্যে রুস্তম আলী ফরাজী (পিরোজপুর-৩) অবসরের বয়সসীমা ৬২ করতে সংশোধনী দেন। শহিদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২) ‘অবিলম্বে’ শব্দ সংযোজন, ছলিম উদ্দিন তরফদার (নওগাঁ-৩) অবসরের সীমা ৬২ বছর, ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬) ‘অবিলম্বে’ শব্দ সংযোজন, সংরক্ষিত নারী আসনে রওশনারা মান্নান ‘অবিলম্বে’ শব্দ সংযোজন, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১) অবসরের সময় ৬২ বছর, সংরক্ষিত নারী আসনের মোসাম্মৎ খালেদা খানম ‘অবিলম্বে’ শব্দ সংযোজন, মোহাম্মদ এবাদুল করিম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫) ‘অবিলম্বে’ শব্দ সংযোজন, মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান (মেহেরপুর-২) ‘অবিলম্বে’ শব্দ সংযোজন ও মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫) অবসরের সীমা ৬২ করার প্রস্তাব দিয়ে জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখেছেন।

এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশের রাজনীতির পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। এখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পড়ালেখা হচ্ছে। সেশনজট হচ্ছে না। এজন্য একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষের পর ৬ থেকে ৭ বছর পান। এ সময় তারা বহু চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

সংবিধান ও চাকরির বিধিমালার প্রসঙ্গ টেনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সংবিধান ও চাকরির বিধিমালায় আছে, ন্যূনতম ২৫ বছর চাকরি না করলে পূর্ণ পেনশন পাবেন না। সুতরাং কেউ যদি ৩৭ বছরে চাকরিতে যোগ দেন। ২৫ বছর পূর্ণ করতে হলে তাকে ৬২ অথবা ৬৩ বছর বয়সে অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের অবসরে যাওয়ার সময় ৫৯ বছর। সুতরাং তাকে আরও তিন-চার বছর চাকরি করতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ নেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী সুযোগ না থাকায় ফলে পূর্ণ পেনশন তিনি পাবেন না। পেনশন পাওয়ার সময় নানা ধরনের জটিলতা দেখা দেবে। তাছাড়া প্রতি বছর কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী বের হয়, তাদেরও চাকরির সুযোগ দেওয়া দরকার। তাই অবসরের সময় যদি বাড়ানো হয় তাহলে নতুনরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হবে। সে কারণে আপাতত সরকারি চাকরিতে বয়স বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।

এরপর তিনি স্বতন্ত্র এমপি মো. রেজাউল করিম বাবলুকে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রস্তাবকারী এমপি বাবলু তার প্রস্তাব তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে পরে ভোট দেওয়া হয়। সংসদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকায় ভোটে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান হয়।

ওডি/এএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজবীর হুসাইন

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড